somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের দূর্নীতি ও আমরা চারজন

১৮ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গাড়ীতে আমরা চারজন। একজন লেবানীজ, নাম মুনসাফ, একজন রুমানীয়ান - নাম আড্রিয়ানা, অন্যজন ইউসেফ - একজন ইথিওপিয়ান আর আমি বাংলাদেশী। জন্মসূত্রে ভিন্ন হলেও এখনকার আমাদের পরিচয় - আমরা কানাডিয়ান এবং একই কোম্পানীতে কাজ করি এবং ট্রেনিংএর জন্যে অটোয়া যাচ্ছি। গাড়ী চালাচ্ছে ইউসেফ আর নানান বিষয়ে কথা বলছে। আমরা তার সাথে তাল মিলাচ্ছি।

কথা প্রসংগে মুসসেফ লেবাননের রাজনীতির প্রসংগ উঠালো। মূলত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং তার মন্ত্রী সভার সদস্যদের দূর্নীতির বিষয়টাই বেশী উঠে আসলো। সে নিহত প্রধান মন্ত্রী রফিক হারিরি প্রসংগে বললো - হারিরি এখনও একজন সর্বোচ্চ দূর্নীতিবাজ লেবানিজ হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আছে। কিন্তু আমেরিকান এবং সৌদী সরকারের সমর্থনের বদৌলতে দূর্নীতিবাজ লোকগুলোই বারবার ক্ষমতায় ফিরে আসে। জানতে চাইলাম - এর প্রতিকার কি? উত্তরে সে বললো - একটু ভাল ভাবে লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবে - হেজবুল্লাহ্ এগিয়ে আসছে শুধু মাত্র তাদের সততার জোরে। সেই জন্যেই ৩৪ দিন প্রবল যুদ্ধে হেজবুল্লাহকে এক ইঞ্চিও সরানো যায়নি এবং ইসরায়েল আর আমেরিকা তাদের নতুন হিসাবে খুঁজছে।

এড্রিয়ানা শুরু করলো তার গল্প। নিকোলাই চচেষ্কুকে হত্যাকান্ডকে সে কোন বিপ্লব বলে মনে করে না। এড্রিয়ানার মতে চুচেষ্কুকে তার ঘনিষ্ঠদের মধ্যে একাংশ পশ্চিমা মদদে হত্যা করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে মূলত দেশটাকে একটা দূর্নীতির অবাধ অরন্যে পরিনত করেছে। তারা জার্মান এবং ফরাসী উদ্যোগতাদের সাথে নিয়ে মূলত নিজেদের পরিবারকে সমস্ত রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কল কারখানা নাম মাত্র মূল্যে হস্তান্তর করেছে। তার মতে রুমানীয়াতে এমন কোন কাজ নেই যা ঘুষের বিনিময়ে করা যায় না। সেখানে একদল আকাশ-পাতাল সম্পদের মালিক হয়েছে। আর কমহীনতা আর দারিদ্রতা দেশটাকে ছেয়ে ফেলেছে। এবার জানতে চাইলাম সমাধানটা কি? ওর মতে কমিউনিষ্টদের মধ্যে একটা সততা ছিল এবং ছিল কঠোর শৃংখলা। হয়তো আবার কমিউনিস্টরা ক্ষমতায় আসলে আবারো একটা সম্ভাবনা তৈরী হবে।
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×