
বাংলাদেশে প্যাকেটজাত করে বিক্রয় করে এমন ৮টি তরল দুধ সরবরাহকারী কম্পানিগুলোর বা ব্র্যান্ডের দুধ পরীক্ষা করে প্রতিটিতেই মানবদেহের জন্য সহনশীল মাত্রার চেয়ে অতি বেশি মাত্রায় টেট্রাসাইক্লিন এন্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে। জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি সম্প্রতি এক গবেষণা পাওয়া এ তথ্য। জাতিসংঘের খাদ্যএবং কৃষি সংস্থার এফএও সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এ জাতীয় রেফারেন্স ল্যাবরেটরি হিসেবে ঘোষিত ওই পরীক্ষাগারে সম্প্রতি আটটি ব্র্যান্ডের দুধ দুইবার করে পরীক্ষা করে দেখেন তারা। এই পরীক্ষার সবগুলো দুধে মাত্রার চেয়ে বেশি হারে টেট্রাসাইক্লিন এন্টিবায়োটিক ধরা পড়েছে।
চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিদরা জানিয়েছে বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য টেট্রাসাইক্লিন এন্টিবায়োটিক খুবয়ই ক্ষতিকর।
তাদের এই এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হলে গর্ভের শিশুর মারাক্তক কোন ক্ষতি বা জন্মগত কোন ত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে।
তা ছাড়াও মাতৃদুগ্ধপানকারী শিশু এবং অল্পবয়সী শিশুদের জন্যও এই এন্টিবায়োটিক ক্ষতিকর।
এবং গবেষকরা আরো বলেছেন বাজারজাত করা ওই দুধগুলোতে নেই নির্ধারিত মাত্রার ফ্যাট।
তরল দুধের ওই আটটি ব্র্যান্ডের ১৫টি নমুনার ১৩টিতেই নির্ধারিত মাত্রার ফ্যাট পাননি ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি র
পরীক্ষকরা।
পুষ্টিবিদ গবেষকরা জানিয়েছেন ফ্যাট কম থাকার মানেই হলো দুধ থেকে ননি বা মাখন তুলে তা দিয়ে
অন্যান্য খাদ্য উপকরণ তৈরি করছে সংশ্লিষ্ট কম্পানিগুলো।
পুষ্টিবিদ গবেষকদের মতে ফ্যাট শিশু এবং উঠতি বয়সী কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যের জন্য বেশি প্রয়োজন।
ফ্যাট না থাকলে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন শিশুর শরীরে কোন কাজে আসে না।
তবে বড়দের ফ্যাটের তেমন একটা প্রয়োজন নাই।
জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট যে সকল ব্র্যান্ডগুলোর তরল দুধ পরীক্ষা করছেন সে সকল ব্র্যান্ডগুলোর নাম প্রকাশ করেন নাই ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১৫ ভোর ৪:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



