গতকাল সতেরো তারিখ লেখাটা লিখলাম দুপুরে। আফিসে বসে লেখা তো তাই কাজের ফাকে ফাকে। সাধারনত অফিসের ইলেকট্রিসিটি চলে গেলেও সাথে সাথে জেনারেটর চালু হয়ে যায়। তাই পি সি বন্ধ হয়না কখনো। কিন্তু ঐ দিন লেখাটা শেষ করার পরপরই অসাধারন ঘটনাটা ঘটলো। একই সাথে ইলেকট্রিসিটি আর জেনারেটর দুটোই বন্ধ।প্রচন্ড মন খারাপ করে আবার লিখতে বসেছিলাম সন্ধ্যার পর। কিন্তু সেই কথাগুলো আর ফিরে আসেনি আগের মতো। হয়তো পরের লেখাটা আরও সুন্দর হয়েছে অথবা খারাপ, সে বিচারে যাবো না আমি। কিন্তু যা গেছে তা চলেই গেছে, ঐ কথাগুলো আর ফিরে পাবো না কখনো ঠিক ঐ কথার মতো।
যাই হোক ঐদিন ঐ লেখাটা প্রকাশ করেছিলাম ব্লগে। কিন্তু লেখাটা কিছু মানুষকে উৎসর্গ করেই লেখা। তাই লেখাটা আজ ব্লগে আবার দিলাম ঐ মানুষদের জন্য, কেননা তারা ঠিক এই সময়ে ব্লগে আছেন। আমি লিংক করতে জানিনা তাই লেখাটা হুবহু তুলে দিলাম আবার।
মূল লেখা:
রূপকথার কাব্যগুলো যেন কই কই হারিয়ে যায় প্রতিদিন, পালটে যায় সময়ের তফাতে। রূপকথা নাকি রূপক কথা, মানে খুঁজিনি কখনো। বাস্তবের সাথে মিলাইনি রূপকথাকে রূপক ভেবে। সেই পঙ্খিরাজ ঘোড়া, রাজকন্যা, বনের কাঠুরে, দৈত্য আর তার ভোমর, সাত সাগর তেরো নদী, সব সত্য ছিলো আমার। সে আমার পৃথিবী, আমার রাজত্বে আমার বসবাস।
আর যখন কঠিন বাস্তবতার ধারালো নখের আচর ছিড়েফুড়ে খায় আমার প্রতি দিন-রাত, আর আমারে, তখনো চির সত্য আমার পৃথিবী, আমার রূপকথা। স্বপ্ন না, তাকে হয়তো মিলাবে কেউ বাস্তবে। আমি স্বপ্নে নয়, বাস্তবেই খুজে ফিরি আমার পৃথিবী, আমার ছোট্ট গোলাপ, যারে পরম যতনে আগলে রাখতে ইচ্ছে হয় সব প্রখরতা থেকে।
মাঝে মাঝে তীব্র আধারে নিজেরে আরও আধারে লুকিয়ে ফেলি, হঠাৎ তীব্র আলোর আশায়। তীব্র বিষের অনলে পুড়েও আমি ফিরে যাবো আবার পৃথিবীতে।
এ জগতেও অনেকদিন হলো আমার। নানা মানুষ, অনেক কথা, অনেক আয়োজন। আমি এখানে দেখা পেয়েছি গনকের, মাতালের, কোথাও বাতিওয়ালার। শেয়াল আমার বন্ধু হয়েছে, বন্ধু হয়েছে সাপ। আমি যতটুকু পারি বলে যাবো, আর বুকে করে নিয়ে যাবো ছোট্ট গোলাপের জন্য।
এই পৃথিবীর এই কষ্টে আমার কি বা আসে যায়, আমি তো আর তোমাদের এই পৃথিবীর মানুষ নয়...............................।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






