৭৪ ভোটের নির্বাচনে ৭৩ ভোট পেয়েছেন তামিম ইকবাল। সংখ্যার বিচারে এটি একটি সাধারণ ফলাফল হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিচারে এটি এখন জাতীয় রহস্যে পরিণত হয়েছে। কারণ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকেই দেশের কৌতূহলী জনগণ একটাই প্রশ্ন নিয়ে ঘুমাতে যাচ্ছে, আর একই প্রশ্ন নিয়ে ঘুম থেকে উঠছে— “সেই একজন কে?”
গণিত বলছে, ৭৪ জনের মধ্যে ৭৩ জন তামিমকে সমর্থন করেছেন। কিন্তু সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আসল গল্প লুকিয়ে আছে সেই এক ভোটের ভেতর। তিনি কি ভুলবশত অন্য ঘরে টিক দিয়েছিলেন? নাকি ভোটের সময় মোবাইলের নোটিফিকেশনে বিভ্রান্ত হয়ে হাত কেঁপে গিয়েছিল? কেউ কেউ আবার সন্দেহ করছেন, তিনি হয়তো এখনও ২০০৭ সালের কোনো ম্যাচের অভিমান বয়ে বেড়াচ্ছেন।
এদিকে দেশের বিভিন্ন অঘোষিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে। পাড়ার চায়ের দোকান, অফিসের ক্যান্টিন এবং ফেসবুকের কমেন্ট সেকশন— সবখানেই চলছে তুমুল তদন্ত। একজন বিশেষজ্ঞ মত দিয়েছেন, “যে ব্যক্তি তামিমকে ভোট দেননি, তিনি হয়তো ভোটের আগের রাতে ক্রিকেট না দেখে অন্য কিছু দেখছিলেন।”
আরেকদল বিশ্লেষক মনে করছেন, বিষয়টি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রও হতে পারে। প্রয়োজনে সিআইডি, এফবিআই, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড এবং মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলোকেও যুক্ত করার দাবি উঠেছে। কারণ এমন ঐকমত্যের মধ্যে একটি ব্যতিক্রম খুঁজে বের করা এখন জাতীয় দায়িত্বের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
তবে সব হাসি-ঠাট্টার বাইরে একটি সত্যও আছে। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো সবার মত এক হবে না। কেউ না কেউ ভিন্নভাবে ভাববে, ভিন্নভাবে ভোট দেবে। আর সেই কারণেই ৭৩ ভোটের বিজয়ের পাশাপাশি সেই এক ভোটও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
তবু কৌতূহল কিন্তু থেকেই যায়— ভাই, আপনি আসলে কী ভাবছিলেন?


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


