এই রকম দিন গুলোতে সম্ভবত মনে মনে দুঃখ পেয়ে একাকী সারা দিন রুমের মধ্যে ঘাড় গুজে পড়ে থাকা পোলাপাইনের সংখ্যাটাই বেশী?
কিন্তু বাইরে বেরুয়ে উল্টানুভূতী হচ্ছে!
হই হুল্লোড়ে বাচা মানুষের সংখ্যাটাই বেশী?
না কি সব ই অভিনয়?
কিছু তো সত্যি আছেই,
বাকি সব বেচে থাকার,
সিগন্যাল দিতে রাস্তায় নেমেছিল বোধহয়ে?
ঠি ই ই ই ই ক ধরা যাচ্ছেনা,
তাল গোল পাকায় মাথার ভিতরের,
নিউরণের তার গুলায়!
বাড়ি যেতে পারলে,
সেই হতো!
মায়ের রান্না কোন সস্তা মাছের ঝোলে,
একপ্লেট ভাত অন্তত খাওয়া হতো?
দুঃখ পাবোনা,
টোকাই গুলো জারয হয়,
ওদের তো মা'ই থাকেনা!
আমি আর মারুফ,
ধুলো মাখা ফুটপাত!
সারাদিনের কেচ্ছা,
আমারে হাসাতে রোজ রেজ,
জমায় সযতনে!
এত্ত বড় শহরে,
বোধহয় ভুল করে,
দু একটা শব্দ ছুড়েছিলাম,
একটু করুনা করে!
মায়া নাম তার,
হতে চেনা জানার কি দরকার!
তবে সুন্দর একটা ভিতর,
থাকা দরকার।
হলদে দাতে ফিক ফিক হাসি,
কোথা চেনা মুখ,
বাড়ি ঘর খাবার,
ওরে ভালেবাসি।
বিবর্ণ জীর্ণ শীর্ণ চূর্ণ,
পেট ভরা ক্ষিধে সারাটা বেলা,
তবু সালা ভোলেনি,
ছোট্ট দুটো কুকুর ছানার কথা।
একহাতে খুচরো পয়সা,
অন্য হাতে পাউরুটি দুটো,
একটা ওর,
আরেকটা ছোট্ট প্রতিবেশী দুটোর!
আট নম্বরে জামজমকীয় দের বাস,
শুধু মানুষটা ঘুমুচ্ছে এই ফুটপাত!
পুনশ্চঃ ওর নামটা মারুফ রেখেছিল বলাকা সিনেমা হলের কোন এক টিকিট চেকার।
মারুষ নামক কোন বাংলা ছবির নায়কের নামানুসারে। তবে জীবনের সত্যি নায়ক আমার সামনে বসে থাকা ঢুলু ঢুলু লাল হয়ে আসা চোখের টোকাই মারুফটা...
#মারুফ_টোকাই
#প্রিয়_ফুটপাত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

