মানুষের পাশে থাকা প্রতিষ্ঠান কখনো নিঃশেষ হয় না
যে প্রতিষ্ঠানের অন্তর মানুষের সাথে থাকে, সে প্রতিষ্ঠান কেবল একটি কাঠামো বা নামমাত্র সংগঠন নয় সে হয়ে ওঠে মানুষের জীবনের নীরব আশ্রয় ও ভরসা। মানুষের দুঃখ, অভাব, অসুখ ও সংকটময় সময়ে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাই একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি। এই শক্তি আসে মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। যে প্রতিষ্ঠান সাহায্যকে দয়া হিসেবে নয়, বরং নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করে, তার ভেতরের মানবিক প্রবাহ কখনো থেমে যায় না।
মানুষের সাথে থাকার অর্থ শুধু সহায়তা দেওয়া নয়; বরং মানুষের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে কথা শোনা, বোঝা এবং দীর্ঘ সময় ধরে পাশে থাকা। এমন প্রতিষ্ঠান মানুষের কষ্টকে কোনো পরিসংখ্যান বা প্রকল্পের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ করে না, বরং জীবনের বাস্তব গল্প হিসেবে উপলব্ধি করে। ফলে তাদের কাজ হয় ধারাবাহিক, আন্তরিক ও বিশ্বাসযোগ্য। এই বিশ্বাসই ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানের মূল ভিত্তি হয়ে ওঠে, যা সময়ের পরিবর্তন বা অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতায় ভেঙে পড়ে না।
যে প্রতিষ্ঠানের অন্তর মানুষের সাথে থাকে, সে প্রতিষ্ঠান হয়তো সবসময় প্রচারের আলোয় থাকে না, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও আস্থাই তাকে এগিয়ে নেয় এবং টিকিয়ে রাখে। ক্ষমতা বা অহংকার নয়, মানবিক মূল্যবোধ যখন কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তখন প্রতিষ্ঠান নিজেই এক ধরনের সামাজিক শক্তিতে রূপ নেয়—যে শক্তি সমাজকে জাগিয়ে তোলে, মানুষকে একত্র রাখে এবং ভবিষ্যতের পথে আশা জাগায়।
ইকবাল জিল্লুল মজিদ
তারিখ: ২২.০৬.২৬
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




