ঝগড়া হয়ে স্বামী অনেক রাতেও বাসায় ফিরছে না। তাই বলে স্ত্রী তার খবর নিবে না, এটা হতে পারে না। ক্ষমা চেয়ে হলেও স্বামিকে বাড়িতে আসতে বলবে।
সব মেয়েই নিজের ইচ্ছাতে বিয়ে করে না। বাবা-মায়ের মুখের দিকে কবুল বলেই স্বামি হিসেবে স্বিকার করে নেয়। কিন্তু বিয়ের পরে সেই স্বামীকেই সবচেয়ে আপন মনেহয়।
দুজন অচেনা অজানা ছেলে মেয়ে বিয়ে করে নেয়। শুধু দুইদিন কথা বলেই কি সব চিনে নেওয় যায়? বিয়ের পরে সেই অচেনা অজানা মানুষটিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে। কাছের মানুষদের যত বিশ্বাস করে নি, এই অচেনা মানুষকে তারচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে।
বউ এর অসুখ হয়েছে বলে স্বামী তাকে ছেড়ে যায় না। অনেক সময় কষ্ট করে হলেও চিকিৎসা করাতে চায়। চাইলেই তাকে ছেড়ে ভাল কাউকে পেতে পারে। কিন্তু সেটা করে না।
এটা শুধু কোন দায়বদ্ধতা নয়। এর পিছনে থাকে ভালবাসা, আস্থা, একজন অন্যজনের প্রতি মায়া।
শুধু রান্নার জন্য বা কাজের জন্য কেউ বিয়ে করে না। রাতে সজ্জাসঙ্গি হওয়ার জন্যই শুধু বিয়ে করে বউকে আপন করে না। এর পিছনে গড়ে ওঠে নির্ভরতা, আস্থা।
অচেনা আজানা দুজন মানুষ একসাথে সারাজীবন কাটাতে পারবে না। বিয়ের আগে এমন ভাবলেও সারাজীবন কাটিয়ে দেয়। একজন অন্যজনের পাশে থাকে।
পাশে থেকে জীবনের পথ চলার নাম বিয়ে। কবুল বলে জীবনসঙ্গী হিসেবে স্বিকার করে নেওয়ার নাম বিয়ে। বিয়ে দুটি অক্ষরের একটা অর্থ হলেও এর অর্থ অনেক অক্ষরের।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



