
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দত্তবাড়ির বাসিন্দা নীলিমা দত্ত বলেন, "এক মুসলমান হামলা করেছে, আরেক মুসলমান বাঁচাইছে। ওরা যদি আমাদের রক্ষা না করতো, তাহলে এখানে লুটপাট হইতো"।
তিনি বলছিলেন যে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িক আক্রমণ তিনি তার জীবনে কখনো দেখেননি। হামলাকারীরা পূজামণ্ডপ ভাংচুর করলেও মুসলমান যুবকদের বাধার কারণে বাসস্থানের ঘরে ঢুকতে পারেনি। তবে বাইরে থেকে ঢিল ছুঁড়েছে।
এমনকি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও দত্তবাড়িতে এ ধরনের আক্রমণ হয়নি বলে নীলিমা দত্ত উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুরা দত্তবাড়িতে পূজার আয়োজন করেছিল বলে এখানকার বাসিন্দারা জানালেন।
জামালউদ্দিন নামক এক মুসলমানের সাথে আরো কয়েকজন মুসলমান যুবক দত্তবাড়ির প্রধান গেটের সামনে দাঁড়িয়ে হামলাকারীদের ঢুকতে বাধা দিচ্ছিলেন। আট থেকে দশজন মুসলমান যুবক দত্তবাড়ির সামনে সারিবদ্ধ হয়ে আক্রমণকারীদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।কিন্তু আক্রমণকারীদের সংখ্যার তুলনায় জামালউদ্দিন ও সহযোগীদের শক্তি ছিল খুবই নগণ্য।
কারন হামলাকারীদের কারো কারো হাতে ছিল ধারালো অস্ত্র, রড ও লাঠি। তারা জামালউদ্দিনকে রড় দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান।
নীলিমা দত্ত বলেন, যে হিন্দু যুবকের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কাবাঘরকে অবমাননা করে ছবি দেয়া হয়েছিল, তার কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার। কিন্তু সে ছবির জের ধরে সব হিন্দুবাড়ি এবং মন্দিরে কেন হামলা চালানো হলো, সে প্রশ্নের উত্তরটাই খুঁজে পাচ্ছেন না নীলিমা দত্ত।
মিসেস নীলিমা দত্ত, ইতিহাস ঘাঁটুন এবং গত কয়েকবছরের সংখ্যালঘুদের উপর কারা হামলা করেছে সেসব ঘাঁটুন । আজকের চট্রগ্রামের নিউজগুলা ঘেঁটে দেখুন এবং আপনার আশেপাশের দিকে চোখ রাখুন দেখুন কারা এই বাংলাদেশে অস্ত্র সজ্জিত । কাদের অস্ত্রের মহড়ায় আজ সোনার বাংলাদেশ রক্তে রঞ্জিত ও আতংকিত । কাদের অস্ত্রের ঝনঝনাতিতে আজও সোনার বাংলাদেশ চাপাতির কোপে খণ্ড বিখন্ড । উত্তর পেয়ে যাবেন আশা করি ।
ভুলে যাবেন না, এই দেশের মুসলমানদের কারনেই আপনারা বাংলাদেশে বুক ফুলিয়ে হাটতে পারেন, চলতে পারেন, স্বাধীনভাবে নিজেদের মতপ্রকাশ করতে পারেন । মুসলমান সন্ত্রাসীর ধর্ম নয়, ইসলামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। পৃথিবীতে একমাত্র শান্তির ধর্ম হল ইসলাম ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

