জন্মসূত্রের অহরকণ্ডল সে স্বপ্নস্তোত্রের সুরটি শুনিয়ে দিলো অসম্ভব শৈল্পিক বাস্তবতায়, এক ঘণ্টা দশ মিনিটে। মনে হলো মানুষের সব স্বপ্ন, চিন্তা, কল্পনা আর আকাঙ্ক্ষার সাথে বেঁচে থাকার আনন্দ-হর্ষ-ঘৃণা-ক্রোধ ও সম্পর্ক-অসম্পর্কের কথকতাস্তোত্র দেহকথাভংগীর সংগীতে মঞ্চবাস্তবতা সৃষ্টি করেছে।
নাটমণ্ডলের ছোটো অডিটোরিয়ামকে মনে হচ্ছিলো একটা বিশাল সামাজিক মঞ্চ, সেখানে তিন যুবাসমাজসদস্য জীবনের বাস্তবতার ছবি এঁকে চলেছে তাদের অশ্বত্থ উচ্চতার কুশলতা দিয়ে। মনে হচ্ছিলো সামনে নিষ্পলক নারী-পুরুষ তাদের নস্টালজিয়া দিয়ে মনুষ্যঅন্তর্লোক পরিদর্শন করছে বৈশাখী বাতাসের মুগ্ধতায়।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


