আমি প্রথমেই বলে রাখি রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুব বেশী না। তবে রবীন্দ্রনাথ সম্পের্কে আমার আগ্রহ হয়। রবীন্দ্রনাথকে আমার কাছে মহাবিশ্বের একজন বিস্ময়কর মানুষ মনে হয়। তিনি খুব প্রেমময় মানুষ ছিলেন। তার সংসার ,সন্তান , সম্পদ, বংশ পরিচয়, সম্মান সবই ছিল।
কিন্তু রবীন্দ্রনাথের গান ও কিছু কিছু ডাক শুনলে মনে হয় তিনি খুবই নিশ্বঙ্গ ছিলেন। তবে একথা কোথাও শুনিনি যে- রবী ঠাকুর নিশ্বঙ্গ ছিলেন। আমার মনে হয় এ বিষয়ে গবেষণার প্রয়োজন আছে।
এবার বলি রবী ঠাকুর যে গান ও কবিতা লিখেছে। তা একজন নিশ্বঙ্গ মানুষের পক্ষেয় সম্ভব।তিনি হয়তো খুব অসুখী ছিলেন। নিজের অশান্তি ঢাকতে গান লিখতেন।
এবং তার অসংখ্য গানে তিনি এক অসম্ভব ভালোবাসার সন্ধান দিয়েছেন। যে ভালোবাসা হয়তো তিনি নিজেও পাননি।সেটায় তার কষ্ট ।সেই কষ্ট থেকে তিনি গান লিখেছেন। তার ভালোবাসা পাওয়ার খুব লোভ ছিল। সে ভালোবাসা তার স্ত্রী বা প্রেমিকা বা প্রিয়সী কেউ-ই তাকে দিতে পারেনি। নিজের কষ্ট ঢাকতে তিনি ভালোবাসার গান লিখেছেন। । তিনি যে অসম্ভব ভালোবাসার সন্ধান করেছেন তা কেবলি স্বর্গীয় ও অবাস্তব। অর্থাৎ তার কপালেও তা জোটেনি।
কয়েকটা কলি দিলাম-
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রবদতারা।- এখানে কে এই ধ্রবতারা?
আমি কান পেতে রই। -কোথায় কান পেতে রই?
পাতার ভেলা ভাসায়।– কেন তিনি সত্যিকারের ভেলা না ভাসিয়ে পাতার ভেলা ভাসালেন।
কতবারো ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া- কেন তিনি আপনা ভুলেছেন? কার জন্যে আপনা ভুলেছেন?
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে।-
কেন তার ডাক শুনে কেউ আসে না? কেন তিনি একলা চলবেন।
ইত্যাদি।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


