1896 - 1900 সাল ঃ
যাদুকর জর্জ মেলিয়েঁ কতর্ৃক বেশ কিছু এক/দুই মিনিটের ছবি ও কয়েক পর্বে "সিনড্রেলা" নিমর্াণ। "টিক্স ফটোগ্রাফী" ও "ফ্যান্টাসী ধমর্ী" চলচ্চিত্রের জন্ম।
1902 সাল ঃ
এডুইন এস পোটর্ার কতর্ৃক "লাইফ অফ এ আমেরিকান ফায়ারম্যান" নির্মাণ। এর মাধ্যমেই চলচ্চিত্রে "সময়" ও "স্পেস" (Time and Space) ভাঙ্গা শুরু হলো।
1904 সাল ঃ পোর্টার এবার নির্মাণ করলেন "দ্যা গ্রেট ট্রেন রবারি"। সম্পাদণার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে সময় ও স্পেস ভাঙ্গার আরও উন্নত কৌশল। শুরু হলো "প্যারালাল কাটিং" বা "প্যারালেল এডিটিং"।
1913 সাল ঃ লুই ফুইয়াদ কর্তৃক "ফ্যান্টোমাস" নিমর্াণ। চলচ্চিত্রে নাটকীয়তা ও মানব মনের বিভিন্ন মুড তুলে ধরার সম্ভাবনা সৃষ্টি। আলোকসম্পাতে সৃজনশীলতার প্রকাশ এবং এর সম্ভাবনা আবিষ্কার।
1915 সাল ঃ ডি ডাবি্ল্লউ গ্রিফিথ বানালেন প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র "বার্থ অফ এ ন্যেশন"। চলচ্চিত্রের ইতিহাসের মাষ্টার পিস নামে খ্যাত। হাই ও লো অ্যাঙ্গেল শট (High and Low Angle Shot ) গ্রহন, ক্যামেরা মুভমেন্ট, এবং ক্যামেরা যে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার যন্ত্র নয়- এটাও যে সচল বস্তু তা প্রমাণ করলেন। ক্লোজ-আপ ও ফ্যাশ-ব্যাকের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবহার। জন্ম নিল আধুনিক চলচ্চিত্র। আবার একই সঙ্গে বর্ণবাদী বক্তব্য থাকার কারণে এই ছবিটি প্রথম কোন চলচ্চিত্র নিয়ে গণমাধ্যমগুলোতে বিতর্ক সৃষ্টির একটা উদাহরণ হয়ে রইলো।
1916 সাল ঃ
গ্রিফিথ বানালেন "ইনটলারেন্স"। ক্যামেরা ও সম্পাদনার শৈল্পিক সম্ভাবনা আরও বিকশিত হলো।
1917 সাল ঃ
"রুশ বিপ্লব"। লেনিন ঘোষনা দিলেন, "এখন থেকে আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে- চলচ্চিত্র"। সোভিয়েত ইউনিয়নে চলচ্চিত্র নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা শুরু।
1920 সাল ঃ
জামর্ানীতে রবার্ট ওয়াইন বানালেন "দ্যা ক্যাবিনেট অফ ডঃ ক্যালিগরী"। জামর্ান "এক্সপ্রেশনিষ্ট" চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু।
1921 সাল ঃ
চার্লি চ্যাপলিন বানালেন "দি কিড"।
1922 সাল ঃ
ফ্লিজ ল্যাঙ্গঁ বানালেন "এক্সপ্রেশনিষ্ট" ছবি "ডঃ মাবু্যজে"। একই সময়ে উইলিয়াম মুরনাউ বানালেন "নসফেরাটু্য"। রবার্ট ফ্লাহাটি বানালেন প্রামান্য চিত্র "নানুক অফ দ্যা নর্থ"। এরিখ ভন স্ট্রোহাইম বানালেন "ফুলিশ ওয়াইকম" ও "মেরী গো রাউন্ড"।
1923 সাল ঃ
ফ্রান্সে র্যেনে ক্লেয়ার বানালেন "গ্যারি দ্যা কৎ"। এখান থেকেই সু্যররিয়ালিষ্টিক চলচ্চিত্রের শুরু।
1924 সাল ঃ
সের্গেই আইজেনস্টাইন বানালেন "স্ট্রাইক" । এখান থেকে "মন্তাজ অফ অ্যাট্রাকশন" (Montage of Attraction) এর ব্যবহার শুরু। ল্যাঙ্গঁ বানালেন "নিবেলুঙ্গেঁন"। মুরনাউ বানালেন "দ্যা লাষ্ট লাফ"। চলচ্চিত্রে প্রথম টা্রফিং শটের ব্যবহার। এর পর স্ট্রোহাইম বানালেন "গ্রীড" এবং র্যেনে ক্লেয়ার বানালেন "আত্রর্াকৎ"। চলচিত্রে দাদাবাদের প্রবর্তন এবং বিমূর্ত ছবির আত্মপ্রকাশ। আভা গাঁর্দ আন্দোলন শুরু। লিও কুলেশভ নিমর্াণ করলেন " দ্যা স্ট্রেঞ্জ অ্যাডভেঞ্চার অফ মিস্টার ওয়েস্ট ইন দ্যা ল্যান্ড অফ দ্যা বলশেভিকস্"।
ছবি ঃ অস্ট্রেলিয়ান ফটোগ্রাফী, অক্টেবর 1991
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


