রান্না একটা শিল্প। সব শিল্পর্কমই মানুষের ইন্দ্রিয়কে সচেতন করে বা নাড়া দেয়। মানুষ তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে ভালমন্দ বুঝতে পারে বা শিল্পের রস আস্বাদন করতে পারে। সবার কাছেই সেই শিল্পকর্মের বিষয়বস্তু, উপস্থাপনা, স্বাদ বা পরিবেশনা একভাবে ধরা দেয় না। বিশেষত রান্না। এই শিল্প আমাদের ক্ষ ুধা এবং রসনা দুটোই তৃপ্ত করে। আর সে েেত্র জিহবা, উদর এবং চোখ সবই একত্রে রান্নার শিল্পগুণ, রসবোধ এবং আস্বাদন পরখ ও পূর্তি দুই করে। জিহবা- স্বাদ, উদর- ক্ষুধা ও তৃপ্তি আর চোখ- রান্নার শৈল্পিক ছোঁয়া ও পরিবেশনের নান্দনিকতা অবলোকন করে। ওহ্হো, নাসিকার কথাটা ভুলেই গেছিলাম। কারন রান্নার খশবু রসনাকে চাঙ্গা করে। রান্নার গুনগত মান এর গন্ধ থেকেও আঁচ করা যেতে পারে। পচা বাসি খাবার নাক চট করে বুঝতে পারে।রং, তুলি ও ক্যানভাস-এ সৃষ্ট শিল্পের মত আগুন, পানি, মশলা ও অন্যান্য উপকরণ সমৃদ্ধ এই শিল্পেও শিল্পীর আন্তরিক হাতের ছোঁয়া প্রয়োজন। সবার হাতের রান্না একি রকম সুস্বাদু হয়না- অথচ মশলা ও অন্যান্য উপকরণ যদি অপরিবর্তিতও থাকে। এখানেই রন্ধন শিল্পীর কৃতিত্ব। আরেকটি কথা, পৃথিবীর সব বিখ্যাত বাবুর্চি বা সেফ সবাই কিন্তু পুরুষ। একটু মজা করে বলি, "হেঁসেলে নারী- যদি হয় বাড়ী, হোটেলে বয়- রাঁধতে ঠিকই হয়, রাসই-এ খানসামা, পরনে শেরওয়ানী পাজামা, কিচেনে বাবুর্চি- মাথায় পাগড়ী।" সবারই কিন্তু একই কাজ- রান্নাবান্না, মেয়েদের বেলায় শুধু ঘরকন্না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




