অশ্রুতে ভাসায়ে বুক
লিখেছিলাম সেই দিন এই কবিতা
প্রাতঃকালে বাহিরিয়া
দেখিলাম সেই দিন চক্ষু ভরিয়া
রাস্তার ধারে ছেঁড়া-পোঁড়া কাপড়ে
শোয়া এই মানুষগুলি
কুহেলীকা শীতে কিচিরমিচির করে
যেন নীড় হারা পাখির বুলি।
দেখিলাম সেই দিন মায়েরে ঘিরিয়া
ক্ষুধাতুর শিশুর কান্না,
নিশার তমসা ঘনায়ে আসিল
সে যেন এক দুঃখেরী বন্যা।
রাস্তার ধারে বাস করে তাহারা
ক্ষনিকের নিলয়ে,
দিবাকরে পুড়ায়ে বুক
বৃষ্টিতে ভিজায়ে এই জীর্ণালয়ে।
সারা দিবস খানী পরের খাটুনী করিয়া
পায়না কোন ফল।
পায় শুধু তাহারা দুঃখসম ব্যথা
কি বলব আর বল।
ক্ষুধাতুর কষ্টে কাটায় তাহারা
সারা দিবা রজনী
জল খেয়ে তাহারা কাটায় বেলা
বড়ই নিষ্টুর যেন এই মেদিনী।
নেই কোন গন্তব্য আর নেই কোন স্বপ্ন তাদের
ছুটে চলে এখান থেকে ওখানে
হাঁটিতে হাঁটিতে রক্ত উঠিছে ফুঁটিয়ে
দেখ আজ কোমল এই চরণে।
দুয়ারে দুয়ারে হাঁটিয়া তাহারা
পায়না এক মুঠো ভাত
কঠিন শিলা বক্ষে বাঁধিয়া
পার করে দেয় রাত।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



