"তোমরা খেয়ে মাতাল আর আমরা না খেয়ে মাতাল"। কথাটা কেন বললাম জানো? যখন একজন ধূমপায়ী ধূমপান করে তখন সে মাত্র ১০% নিকোটিন গ্রহণ করে বাকি ৯০% নিকোটিনের ধোঁয়া গ্রহণ করে তার পাশে থাকা একজন ভদ্র অধূমপায়ী। যিনি নিজের অনিচ্ছাকৃত সত্ত্বেও তা গ্রহণ করে পেলে। অন্যদিকে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্যের অর্থ জোগাড় করতে সমাজে চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি ও খুনের মতো ঘটনা গুলো সবসময় ঘটিয়ে থাকে। অর্থাৎ তাদের পুরো প্রভাবটা আমাদের সুশীল সমাজের উপর এসে পড়ে। আমরা হই লাঞ্চিত, অপমানিত।
তথাকথিত আমাদের ভদ্র সমাজের ভদ্র মানুুষ, যাদের আমরা ভদ্র বলে সার্টিফিকেট দিয়ে থাকি, আজ দেখি তারাই মাদক দ্রব্য গ্রহণ করে আর তারাই সমাজের যুবক শ্রেনীর কাছে তা ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিচ্ছে।
আমরা সত্যিই বুঝতে পারিনা এই মানুষ গুলোর ভদ্র মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর চেহারা। তারা দিনের আলোয় সাজে ভালো, আর রাতের আঁধারে হয় হায়েনার দল। আজকে যারা বিবেকের কথা বলে ঠিক তারাই বেশি বিবেকহীন কাজ করে। মুখোশ পড়া, বিবেকওয়ালা ভদ্র মানুষেরা আজকে সমাজ, রাষ্ট্র, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বিচরণ করে আমাদেরকে জোঁকের মতো চুষে খাচ্ছে। আমরা সেটা বুঝেও বুঝিনা, দেখে ও দেখিনা। এরা ভদ্র মানুষের রূপ নিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তরুণদের হাতে উঠিয়ে দেয় ইয়াবার মতো বিষাক্ত মাদকদ্রব্য। সত্যিই আমরা আজো ঘুমিয়ে আছি। আমাদের জাগ্রত হতে হবে রুখতে হবে মাদকদ্রব্যকে, রুখতে হবে মুখোশ পড়া ভদ্রলোকদের কে। জেগে ওঠ তরুণ সমাজ জেগে ওঠ, বাঁচাও তোমার সমাজকে বাঁচাও তোমার দেশকে, পরবর্তী প্রজন্মকে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



