মন দিয়ে কিছুক্ষন উকিপিডিয়ায় নেপাল এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে পড়লাম।কিছু মিল এবং অমিল খুজতেছিলাম।যেহেতু আমি বংগালী তাই বাংলার ইতিহাস কিছুটা জানি কিন্তু নেপালেরটা জানিনা।যেটা খুজে পেলাম তা বিশ্লেষন করলে এটা ধারায়..
বাংলাদেশ(অবিভক্ত ভারতবর্ষের পূর্ববঙ্গ) একসময় হিন্দু অধুষ্যিত অঞ্চল ছিল।হিন্দু রাজা বা জমিদাররা এদেশ শাসন করত।রাজা লক্ষন সেনকে পরাজিত করে বখতিয়ার খলজি হন বাংলার প্রথম মুসলিম শাসক।তারপর থেকে মুসলামানদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে এবং একসময় মুসলমান অধুষ্যিত অঞ্চলে পরিনত হয়।ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তাদের সংখ্যা পক্ষান্তরে অন্যান্য ধর্মালম্বীদের সংখ্যা কমতে থাকে।বংগভংগের মাধ্যমে বাংলাদেশ(পূর্ববংগ) হয়ে ওঠে মুসলিম রাজ্য।কালের অগ্রসরে যেটা এখনো বিদ্যমান(মুসলিম রাষ্ট্র)।তবুও অসাম্প্রদায়িক একটা রাষ্ট্র ছিল বাংলাদেশ।১৯৮১ সালে এরশাদ সাহেব যেটা পরিবর্তন করে বাংলাদেশকে গড়ে তুলেন একটা সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র।অন্যান্য ধর্মভুক্ত বাংগালীরা যদিও আগে কম নিপীড়িত হত।সাম্প্রদায়িক হওয়ার পর যেটা বহুগুন বেড়ে যায়।বর্তমান বাংলাদেশে সংখ্যালঘু খুব কম(কয়েক বছর পরর চিড়িয়াখানায় দেখা যেতে পারে)।
অপরদিকে নেপাল হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মের পূন্যভূমি(গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান)।বৌদ্ধ রাজ্য থেকে কালের প্রবর্তনে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।বাংলাদেশ এবং নেপালের মধ্যে যথেষ্ট মিল রয়েছে অনেক দিক থেকে।আয়তনও প্রায় সমান।
এ গেল পরিচিত এখন আসা যাক মূল বিষয়ে।নেপাল সংখ্যাঘরিষ্ঠ হিন্দু রাষ্ট্র হয়েও আজ তারা অসম্প্রদায়িকতার ঘোষনা দেয়।তাহলে আমাদের দেশে কেন সাম্প্রদায়িক?আমাদের দেশে বিধর্মীদের দমনের অনেক উদাহরন রয়েছে কিন্তু তাদের নেই।
এরকম একটি রাষ্ট সবারই কাম্য।আমাদের দেশের সংখ্যালঘুদের তাই একটাই চাওয়া আমাদদের স্থান যেন চিড়িয়াখানা বা অন্য কোন রাষ্ট্রে না হয়।বাংলায় জন্মেছি বাংগালী হিসেবে যেন মৃত্যুবরন করতে পারি।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



