আমি বর্তমানে একটি মুসলিম পরিবারের একজন সদস্য।যদিও আমি হিন্দু(জন্মসূত্রে)।দীর্ঘ ৩ টা বছর একটি মুসলিম পরিবারের সাথে একত্রে বসবাস করতে গিয়ে তাদের পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ন সদস্য হয়ে গেছি।পরিবারে দুটি বাচ্চা আছে।তাদের সাথে আমার সম্পর্ক মামা ভাগ্নের।যদিও তারা যেহেতু খুব ছোট তাই তারা বিশ্বাস করে আমি তাদের অন্য মামার মত একটি মামা।আমিও সেটাই ভাবি।একদিন তাদের সাথে খেলতে খেলতে একসময় ছোট বাচ্চাটি বলে আমি মামার সাথে খেলব না কারন মামা(আমি) হিন্দু।একটা ছোট বাচ্চার মুখে একথা শুনে আমি অবাক।ওসব এসব কই পেল।প্রশ্ন করতে গিয়ে বেরিয়ে আসা ঘটনা থেকেই আমার আজকের লেখা।
এই এলাকার(আমি যেখানে থাকি) একজন হুজুর তাদের অন্য শিক্ষদের মত একজন শিক্ষক।যদিও তিনি ধর্ম শিক্ষক তাই তার প্রতি একটা আলাদা সম্মান পরিবারের সবার।তিনি বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষা দেন।সাথে এসবও শিক্ষা দেন বিধর্মীরা তাদের(মুসলিমদের) বন্ধু নয়।কিশোর মামা(আমি) তাদের বন্ধু হতে পারিনা।আমি হিন্দু এটাই আমার দোষ।আমি কোরবানীতে বাসায়ই থাকব কিনা এটাও জানতে চান তিনি।যখন উত্তরটা হ্যাবোধক পায় তখন বাচ্চাদের কাছে জানতে চায় তাহলে আমি কি কোরবানী দেব?আমিতো কোরবানী দিতে পারব না।আমি জানি এটা।আর আমিই বা কোরবানী দিতে যাব কেন?আমি বাসায় থাকলে আমার সামনে নাকি নামাজ হয় না এমন শিক্ষাও তিনি দিয়ে থাকেন একটা ১০ এবং একটা ৬ বছরের বাচ্চাদের।আমি সালাম দিলে তিনি সেটা গ্রহন করেন না কারন আমি বিধর্মী।আরো কি শিক্ষা দেয় সেটা জানতে আর একটু অপেক্ষা করতে হবে হয়ত আমাকে।আপনারও অপেক্ষায় থাকুন।
এখন প্রশ্ন আমার দুটি নাবালক বাচ্চাকে এসব শিক্ষা না দিলেই কি নয়?তাদের মনের মধ্যে এই বয়সেই কেন এরকমভাবে বিষ ডুকিয়ে দেওয়া হয়?এরকম শিক্ষা কি কোন ধর্মগ্রন্থে বর্নিত আছে?আমার জানা নেই আপনারা জানলে জানাবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



