২০১২-১৩ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত এদেশে ছিল ডিএসএলআর যুগ। মানে একটি ভালো মানের ক্যামেরা থাকা মানে ছিল সোস্যাইটি বা বন্ধু মহলে ছিল সম্মান, মর্যাদা, আর অহংকারের প্রতিক। সোস্যাল মিডিয়ার উত্থানের সাথে সাথে সুন্দর সুন্দর ছবি পোষ্ট করা মানে ছিল ইয়ং জেনারেশনদের মধ্যে একটি ক্রেজ। ঢাকা শহরের যে কোন পার্কে গেলেই দেখা যেত ক্যামেরা হাতে ফটোশুট; ফটোশুট অবশ্য এখনো হয় তবে সেটা আর আগের মতো না। মোবাইলের ক্যামেরা উন্নত ও আধুনিক হওয়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে ক্যামেরার জনপ্রিয়তা হ্রাস পায়। এখনকার আইফোন, স্যামসাং সহ যে কোন ফ্ল্যাগশিপ ফোনের ছবি তখনকার সময়ের যে কোন ক্যামেরার থেকে ভালো....
জেনারেশন ক্রেজ দেখে আমি ও সেই সময় নাইকনের একটি ক্যামেরা কিনে ফেলি; সাথে একটি কিট আর একটি ৫০ এম এম লেন্স। যদি ও অতোটা ছবি তুলতাম না তারপর ও বন্ধু-বান্ধবদের সাথে গ্রুপ করে বের হতাম ছবির তোলার জন্যে। ফ্রেমিং, অ্যাপাচার, আইএসও সহ অন্যান্য খুঁটি নাটি বিষয় গুলো শিখতে। যাক আর বেশি কথা বলে কাজ নেই; আজকের ব্লগটি ক্যামেরায় কিছু তোলা পুরানো ছবি দিয়ে সাজিয়েছি।

২০১৪ সালের কোন সময়ে একটি ঢাকার অদূরে একটি জলাশয়ে কচুরিপানার ছবিটি তোলা।

এই সময়কার ক্যামেরায় তোলা মেকরো। প্রজাপতি! প্রজাপতি! কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা; টুকটুকে লাল,নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা; কোথায় পেলেই ভাই এমন ও রঙিন পাখা।

বার্ধক্য, বয়স, অভিজ্ঞতা, ইতিহাসের সাক্ষী, সুখ:দু:খ, পরিশ্রম আর সময়ে ফাঁকে একটু প্রশান্তি এক ফ্রেমে।

সৎ কঠোর পরিশ্রমী, খেটে-খাওয়া মানুষের জীবন কি সাদাকালো?

২০১৮ পিয়নচং শীতকালীন অলিম্পিকের সাজগোজ রাজধানী সিউলে একটি পযর্টক স্পটে।

পাশাপাশি কোরিয়া ঐতিহ্য-ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। রাতের আলো জ্বলমলে মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্যে।

চেরি ব্লোসম ফেস্টিভ্যাল, জিনহে সিটি সাউথ কোরিয়া; ২০১৭ এর কোন এক বসন্ত উৎসব। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ভেজা একটি দিন।

জিনহে সিটি নেভাল বেস। দক্ষিণ কোরিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম নৌঘাঁটি। মধ্যে যুগে এর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। এই নৌঘাঁটি কেন্দ্র করে শহরটি গড়ে উঠে। একটি নেভাল জাদুঘর ও আছে।

আমার হুম্যান; শুধু খাওয়া আর ঘুম।

চেরি ফেষ্ট জিনহে সিটি। ছবির চেয়ে বাস্তবে আরো বেশি সুন্দর।

বিড়ালের আয়ু ১০-১২ বছর বিশেষ যত্ন কারনে ১৫ বছর পর্যন্ত বাঁচে। আমারটার বয়স প্রায় ১১ বছর; তার বার্ধক্য আর আগের দৌড় ঝাঁপ না করা মাঝে মাঝে আমার বিশেষ মন খারাপের কারন হয়ে দাঁড়ায়।
শখের ক্যামেরাটি এখন পুরাতন হয়ে গেছে; আগের মতো পারফর্ম করতে পারে না। তারপর ও যত্ন সহকারে রেখে দিয়েছি। হাজারো স্মৃতি আর সুখ-দু:খের প্রতিচ্ছবি তার চোখে ক্যাপচার করা......
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:১৪