১. পাকিস্তান বা ব্রিটিশদের নাম শুনলেই আমরা তেড়ে যাই,কিন্তু তাদের থেকেও ১০ গুণ ক্ষতিকারক উগ্র বাংলাদেশ বিরোধী ভারতকে আমরা কলকাতা 'বাঙ্গালি' ' বলে চুমু খাই।
২. মায়ানমার থেকে একটা রোহিঙ্গা আমাদের সীমান্তে প্রবেশ করলে আমরা দিনরাত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মুখে ফেনা তুলি,কিন্তু সীমান্তে বি এস এফ এর গুলিতে যখন ফেলানীরা মারা যায়, তখন আমরা চুপ থাকি।
৩. পাকিস্তানের কোনো প্লেয়ার বাংলাদেশে খেলতে এলে তাকে জঙ্গি আখ্যা দিয়ে পাকিস্তানকে বর্জনের ডাক দিতে পারি, কিন্তু ভারতে প্রতিনিয়ত মিরাক্কেল সহ বিভিন্ন রিয়ালিটি শোতে যখন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পদদলিত করা হয়,আমরা তখন তালিয়া বাজায়।
৪. নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়,আর যুদ্ধের শেষ তের দিন সহযোগীতা করে ভারত বলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভারতের দান,তখনও আমরা ভারতমাতা বলে চেঁচিয়ে থাকি।
৫. ভারতীয়রা বলে ওরা পন্য রপ্তানী বন্ধ করে দিলে বাঙালী না খেয়ে মরবে।ওরা ভুলে যায় বাংলাদেশ আমদানী বন্ধ করে দিলে ভারতের লোকজন না খেয়ে মরবে।ভুলে যায় আমরা পন্য আমদানী কইরা পয়সা পাঠালে তোরা চাউল কিনে ঘরে যায়।এমন ভাবে বলে মনে হয় বাঙ্গালীকে ওরা মাগনা খাওয়ায়।তখনো আমরা ভারত বন্ধু রাষ্ট্র বলে চেঁচিয়ে গলা পাটায়।
৬. যুদ্ধের সময় ভারত আমাদের সহযোগীতা করেছে তা আমরা স্বীকার করি,বাংগালী অকৃতজ্ঞ জাতি নয়।সহযোগীতা করেছে বলে ভারতকে তিস্তা,ট্রানজিট,বন্দর মাগনা ব্যবহার করতে দিয়েছি।
৭. ভারতের অভিনেতা প্রসেনজিত যখন বাংলাদেশকে কটুক্তি করে,তখনো আমরা তার অভিনীত মুভি দেখার জন্য ব্যস্ত হয়ে যায়।
আমি আপনাদের পাকিস্তান,ব্রিটিশ কিংবা মায়ানমার কে সাপোর্ট করতে বলছিনা,বলছি যারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করবে তাদের বিরুদ্ধে শোচ্চার হতে।
জয় বাংলা।
়
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






