ঘাতকের প্রতিরোধে
---------------------------------
হাতে অস্ত্র তুলে দিলেই, সকলকে দিয়ে হত্যাকর্ম করিয়ে নেওয়া যাবে, এমনটা কেহ যেন না-ভাবে।
সুস্থ কোনো মানুষ কখনোই নিজ হাতে অমানবিক কিছু করতে পারে না জন্যেই, যেকোনো নৃশংস হত্যাকর্মের প্রয়োজনে কোনো হত্যাকর্মীকেই সাদরে ডেকে নিয়ে নিয়োগ করতে বাধ্য হয়।
হিংস্র ঘাতক, বিকৃত মানসিক রুগী বা উন্মত্তদেরকে কোথাও বিচার বসিয়ে শাস্তি দেওয়া বা না-দেওয়া সমান সময়ের অপচয়। ঘাতকের দায়িত্বহীন উদাসীন মা-বাবাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না-দেওয়া পর্যন্ত মানবসমাজে ঘাতকের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
ঘাতকের মা-বাবাদের শাস্তি দেওয়া যাবে, এমন আইনের প্রণয়ন আবশ্যক।
কোনো হিংস্র পশুর প্রতি মানবিক আচরণ দেখাতে গেলে, প্রথমে দেখতে নিতে হবে ওটা জংলি না-কি গৃহপালিত। যদি প্রাণীটা জংলি জানোয়ার হয়, তবে, তাকে সযত্নে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়াটা যেমন একটা মানবিক দায়িত্ব, ওটা যদি গৃহপালিত প্রাণী হ’য়ে থাকে তো ওটাকে সমাজে স্বাধীনভাবে বেড়াতে না-দিয়ে, শক্ত শেকলে বেঁধে নিয়ন্ত্রণে রাখাটাও তেমনি গৃহস্থদের কর্তব্য।
কর্তব্য পালনে অবহেলা, অবশ্যই একটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
-------------------------------------------------------------------
গণকরণিক : আখতার২৩৯
*****
ঘাতকের প্রতিরোধে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


