পত্র পত্রিকাগুলো বিজ্ঞানকে মানুষের কাছে অবিশ্বাস আর হাসির বস্তু করে তুলছে যেভাবে।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৫ রাত ৮:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমাদের দেশে বিজ্ঞান শিক্ষা, মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান নিয়ে চর্চা এবং তাদেরকে বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এক বিশাল রকমের সমস্যা হচ্ছে এইসমস্ত পত্র পত্রিকার এই সমস্ত ফালতু আর ফাতরামি মার্কা খবর... প্রায়ই দেখি এ ধরণের পত্র পত্রিকায় খবর আসে "বিজ্ঞানীরা বলেছেন অমুক দিন পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে", "নাসা বলেছে অমুক দিন গ্রহাণু আছড়ে পড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হবে পৃথিবীতে", "বিজ্ঞানীরা বলেছেন তারা নাকি ভবিষ্যতে নাকি মানুষের আর মৃত্যু হবে না" এই টাইপের যাচ্ছেতাই মার্কা খবর... এইসব সাংবাদিকরা জানে যে এই ধরণের খবরে মানুষ আকৃষ্ট হবে, তাদের খবরগুলো পড়ে দেখবে তাদের ভিউ বাড়বে, টি আর পি বাড়বে ইত্যাদি ইত্যাদি, এসব কারণে তারা কোনও নির্ভরযোগ্য সোর্স না দিয়েই এ জাতীয় খবর অবলীলায় ছেপে দেয় পত্রিকায়... যেটাকে হলুদ সাংবাদিকতার নোংরা দৃষ্টান্ত না বলে পারা যায়না... এইসব সাংবাদিক বা পত্রিকাওয়ালারা কখনোই ভেবে দেখেন না এতে করে মানুষের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তারা কতো বড় ক্ষতি করে চলেছেন তাদের খবরের কাটতি বাড়াতে গিয়ে... এসব খবর বিজ্ঞানকে মানুষের কাছে খেলো করে তোলে, বিজ্ঞান আর বিজ্ঞানীদের অবিশ্বাস আর হাসির পাত্র করে গড়ে তোলে... আমরা ভেবেও দেখার প্রয়োজন বোধ করিনা যে যারা সত্যিকারের বিজ্ঞানচর্চা করেন, যারা বিজ্ঞানী এবং গবেষক তারা তাদের কাজে কি পরিমাণ ত্যাগ তিতিক্ষা করে কষ্ট সহ্য করে চলেছেন প্রতিনিয়ত... কিন্তু তাঁদের সমস্ত ত্যাগ তিতিক্ষা মানুষের কাছে এসে হাসির বস্তু আর অবিশ্বাসের বস্তু হয়ে দাঁড়াচ্ছে... সেটা হওয়ার জন্য এই জাতীয় খবর আর এই সমস্ত পত্র পত্রিকা ভীষণভাবে দায়ী।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৫ রাত ৮:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪

ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ
দশম বর্ষপূর্তি পোস্টসামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা,
বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?
যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।
১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের...
...বাকিটুকু পড়ুন