somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মিয়ানমারের সাধারণ জনগণ চীনের প্রতি কেন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে?

০৬ ই নভেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২০২১ সালে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা নির্বাচিত দলকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির শাসন ভারের দায়িত্ব নেয়। শুরু হয় জান্তার সাথে মুক্তিকামী বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী এবং সাধারণ মানুষের গৃহযুদ্ধ ! গৃহযুদ্ধের কারণে মিয়ানমারের সামাজিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে। সাধারণ মানুষ এর নেপথ্যে চীন কে দায়ী বলে মনে করছে। মিয়ানমারের বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ হয়ে গেছে। তা সত্ত্বেও চীন সামরিক জান্তা কে সব ধরণের লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে সাহায্য করছে।

সাধারণ মানুষ মনে করে চীন মিয়ানমারে জনগণের মুক্তচিন্তা এবং বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়। চীন শুধু নিজের ব্যবসা বাণিজ্য এবং স্বার্থ অক্ষুণ্ণ থাকার প্রতি বেশি মনোযোগী। সাধারণ মানুষের প্রতিরোধের মুখে বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রকল্প নতুন ভাবে চালু করতে সামরিক জান্তা কে চাপ দিচ্ছে চীন। মিয়ানমার সাথে চীনের মূলত ব্যবসা বাণিজ্য তেল এবং গ্যাসের পাইপলাইন সংযোগ নিয়ে। আবার বঙ্গোপসাগরে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কথা রয়েছে। চীনের প্রবাসীরা মিয়ানমারের নাগরিক দের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন, লেখক এবং সাহিত্যিকদের নিয়ে ঠাট্টা মশকরা করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মিয়ানমার সেনাপ্রধান সাম্প্রতিক সময়ে চীনে সফর করবেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে তা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। চীন যদি সামরিক জান্তা কে সামরিক সাহায্য না করতো তাহলে অনেক আগেই জান্তা শক্তি পরাজিত হতো বলে মনে করেন অধিকাংশ মানুষ।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ২০২৫ সালে নির্বাচন দিবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এইজন্য আদমশুমারী করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে জান্তা সরকার কে। বিপক্ষ শক্তির কাছে বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। অন্যদিকে যে প্রক্রিয়ায় নির্বাচন করা হবে তা নিয়ে চীনের পূর্ণ সমর্থন সাধারণ মানুষ কে হতাশ করেছে।

সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে যাতে যুদ্ধ না করে সেজন্য প্রতিরোধ গোষ্ঠী গুলোকে ক্রমাগত চাপ দিচ্ছে চীন। প্রতিরোধ গোষ্ঠীর উপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের জন্য চীন সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে।

সাধারণ মানুষ মনে করে চীন যদি মিয়ানমারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এগিয়ে না আসে অন্তত পক্ষে সামরিক জান্তা কে তাদের সাপোর্ট দেয়া বন্ধ করে উদার মানসিকতার পরিচয় দেয় তবে দ্রুতই মিয়ানমারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।


সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:১৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধূসর ওয়ালেট

লিখেছেন মোহাম্মদ সজল রহমান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৭

একটা ধূসর রংয়ের ওয়ালেট
সবুজাভ ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে বের হলো নীরবে
তার শান্ত হাতের উপর চেপে ধরতেই প্রশ্ন -
এটা আমার জন্য ?
ঘাড় নেড়ে সম্মতি দেখেই চঞ্চলতা ছুঁয়ে গেলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১

কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×