somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শরীফ থেকে শরীফা ইস্যু কেন চাঙা হচ্ছে ?

১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দেশে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী ইস্যু নিয়ে জল ঘোলা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমকামী ইস্যুতে একের পর এক বহিষ্কারের ঘটনার মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়ের নাম। এতদিন নারী হিসেবে খেলার সুযোগ পেলেও হরমোন টেস্টে দেখা গেছে, তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিক নারীর সীমা, অর্থাৎ ২.৫ nmol/L এর চেয়ে ৬ থেকে ৮ গুণ বেশি।

ব্যস, আর যায় কোথায় ! ডানপন্থীদের হৈচৈ শুরু হয়ে গেল। তারা প্রশ্ন শুরু করলেন, এতদিন দুই বেটা ছেলে কীভাবে মেয়েদের সঙ্গে থাকল? তাদের সঙ্গে কিছু করেনি তো? অন্যদিকে ড. সারওয়ার আলম ও আসিফ মাহতাব অনেক দিন পর মাঠ গরম করার মতো একটা ইস্যু পেয়ে গেলেন। তারা অভিযোগ তুললেন, দেশে ট্রান্সজেন্ডার কেস নাকি মহামারীর আকার ধারণ করেছে।

জান্নাত ও কবিতা ডিফেন্সে চাকরি করেন। ডিফেন্সে কি লিঙ্গ পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগ হয়? কেউ কেউ এমনও বলতে শুরু করেছেন, এভাবে চলতে থাকলে একদিন দেশটা ট্রান্সজেন্ডার আর সমকামীতে ভরে যাবে। আবার অনেকে শেখ হাসিনা সরকারের আমলের শিক্ষা কারিকুলামে সপ্তম শ্রেণির বইয়ের ‘শরীফ থেকে শরীফা’ গল্প টেনে এনে আওয়ামী লীগকে ধুয়ে দিচ্ছেন। আসিফ মাহতাব তো সেই বইয়ের দুই পাতা ছিঁড়ে রীতিমতো ভাইরাল বনে গিয়েছিলেন ।

জান্নাতের ক্ষেত্রে অবশ্য অভিযোগটা একেবারে নতুন নয়। ২০১৯ সালেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে তিনি আসলে পুরুষ। ২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে না পারা কিংবা তাকে নিয়ে অভিযোগ ওঠার ঘটনা মোটামুটি পরিচিত। তাই এত বছর পর আবার একই বিষয়কে নতুন করে প্রচার করার পেছনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু আছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে। কিন্তু কবিতা রায়ের ক্ষেত্রে এমন অভিযোগ প্রথম শুনলাম। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে, আসলে ঘটনা কী?

তাহলে কি সত্যিই দুই বেটা ছেলে নিজেদের লিঙ্গ লুকিয়ে এতদিন ডিফেন্সে চাকরি করেছে এবং নারীদের সঙ্গে খেলেছে? আমাদের এবার থামা দরকার। কারণ এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে আমাদের বুঝতে হবে, ট্রান্সজেন্ডার, হিজড়া এবং জান্নাত বা কবিতার মতো কোনো অ্যাথলেটের শারীরিক অবস্থাকে এক জিনিস ধরে নেওয়া যায় কিনা ।

ডিএসডি বা ইন্টারসেক্স কন্ডিশন হলো এমন একটি জন্মগত শারীরিক বৈচিত্র্য, যেখানে কারও ক্রোমোজোম, হরমোন বা শারীরিক গঠন প্রচলিত পুরুষ বা নারী কাঠামোর সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। উদাহরণ হিসেবে এমন মানুষ থাকতে পারেন, যার XY ক্রোমোজোম রয়েছে, কিন্তু বাহ্যিক শারীরিক গঠন নারীর মতো। তার শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও সাধারণ নারীর তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে। এটি মূলত একটি চিকিৎসাগত ও জৈবিক বিষয়। ব্যক্তির নিজের মানসিক পরিচয় বা তিনি নিজেকে কী মনে করেন, সেটি এর সঙ্গে এক জিনিস নয়। (ইন্টারনেট)

অন্যদিকে ট্রান্সজেন্ডার হওয়া মূলত জেন্ডার পরিচয়ের বিষয়। জন্মের সময় যে লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়, পরবর্তীতে ব্যক্তির নিজের মানসিক পরিচয় তার সঙ্গে না মিললে তাকে ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়। আর হিজড়া হলো দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান একটি তৃতীয় লিঙ্গ পরিচয় ও সামাজিক সাংস্কৃতিক ধারা। এই পরিচয়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মানুষ থাকতে পারেন, যাদের মধ্যে ইন্টারসেক্স বা ট্রান্স অভিজ্ঞতার মানুষও থাকতে পারেন। কিন্তু হিজড়া শব্দটি নিজেই ডিএসডি বা ট্রান্সজেন্ডারের সমার্থক নয়।(ইন্টারনেট)

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ডিএসডি অনেক ক্ষেত্রেই বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় থাকে না। এমনকি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিও অনেক সময় জানেন না যে তার শরীরে হরমোন বা ক্রোমোজোমের এমন কোনো বৈচিত্র্য রয়েছে। মেডিকেল পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত তিনি নিজেকে অন্য সবার মতোই একজন নারী বা পুরুষ হিসেবেই জানেন। সুতরাং কোনো শারীরিক বৈশিষ্ট্য গোপন করার অভিযোগ তোলার আগে অন্তত এটুকু বোঝা দরকার যে মানুষটি নিজেই হয়তো তার শরীরের ভেতরের এই বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতেন না।

এখানে আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। মেডিকেল বোর্ডের পরীক্ষায় তাদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সের নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি পাওয়া গেলেও তাদের ব্যক্তিগত পরিচয় কী, তারা নিজেদের কীভাবে দেখেন, অথবা তাদের শারীরিক অবস্থার নির্দিষ্ট কারণ কী, সে সম্পর্কে প্রকাশিত প্রতিবেদনে পরিষ্কার তথ্য নেই। তাই বাইরে বসে তাদের ট্রান্সজেন্ডার, সমকামী কিংবা পুরুষ বলে ঘোষণা করে দেওয়া নিছক অনুমান ছাড়া আর কিছু নয়।

এই বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে বড় আলোচনায় আসে ২০২৪ সালের অলিম্পিকে আলজেরিয়ান বক্সার ইমানে খেলিফকে ঘিরে। তিনি নারীদের ৬৬ কেজি বিভাগে স্বর্ণপদক জেতার পর তাকে নিয়ে নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়ায়। প্রতিযোগীরা তার লিঙ্গ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার ক্রোমোজোম পরীক্ষায় XY ক্রোমোজোম এবং অভ্যন্তরীণ টেস্টোস্টেরন সংক্রান্ত একটি বৈচিত্র্য, অর্থাৎ ফাইভ আলফা রিডাক্টেস ঘাটতির কথা আলোচনায় আসে। তার টেস্টোস্টেরনের মাত্রা পুরুষ পরিসরে ছিল বলেও দাবি করা হয়।

এখন জান্নাত ও কবিতার ক্ষেত্রেও কেউ কেউ ডিএসডির সম্ভাবনার কথা বলছেন। কিন্তু সম্ভাবনা আর প্রমাণ এক জিনিস নয়। তাদের মেডিকেল রিপোর্ট পুরোপুরি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না তাদের ক্ষেত্রে আসলে কী ঘটেছে। এই জায়গাটাতেই সাংবাদিকদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি।

কারণ একটা মানুষকে প্রতারক, ছদ্মবেশী কিংবা ‘বেটা ছেলে’ বলে সামাজিকভাবে অপমান করা খুব সহজ। কিন্তু পরে যদি দেখা যায়, মানুষটি আসলে জন্মগত কোনো শারীরিক বৈচিত্র্য নিয়ে জন্মেছেন এবং নিজেও এতদিন তা জানতেন না, তখন সেই অপমানের দায় কে নেবে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষ মিলে কাউকে নিয়ে হাসাহাসি করতে দুই মিনিট লাগে। কিন্তু সেই মানুষটির মানসিক অবস্থার ওপর এর প্রভাব কতটা পড়ল, সেটা আমরা কেউ জানি না।

বাজে ইঙ্গিত দেওয়ার পরিবর্তে অনুসন্ধান করা দরকার। সাংবাদিকদের উচিত, তারা আসলে কী অবস্থার মধ্যে রয়েছেন, তাদের মেডিকেল পরীক্ষায় কী পাওয়া গেছে, ক্রীড়া সংস্থার নিয়ম কী এবং এতদিন তারা কীভাবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, সেসব পরিষ্কারভাবে অনুসন্ধান করা। সত্যি যদি কোনো অনিয়ম থাকে, সেটিও বেরিয়ে আসুক। আবার যদি এটি জন্মগত কোনো শারীরিক বৈচিত্র্যের ঘটনা হয়, সেটিও পরিষ্কারভাবে মানুষকে জানানো হোক। মাঝখানে একজন মানুষকে সামাজিকভাবে অপদস্থ করার কোনো মানে নেই।

এমন টুকরো টুকরো ঘটনায় বাংলাদেশের তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরাও যে চাপের মধ্যে পড়ছেন, সেটা উপেক্ষা করা যায় না। বাংলাদেশের একমাত্র তৃতীয় লিঙ্গের পররাষ্ট্র ক্যাডার কর্মকর্তা ওয়ালিদ ইসলাম ভাইয়ের কথাতেও সেই চাপের একটা প্রতিফলন দেখা যায়। তাকে নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করেছেন, এমনকি সমকামী বলেও আক্রমণ করেছেন। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেছেন, "ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে যারা জেন্ডার বৈষম্য নিয়ে কথা বলা মানুষদের সমকামী বলে আখ্যা দেয়, তারা কেন সমাজের অন্য জায়গায় থাকা সমকামিতার অভিযোগ নিয়ে কথা বলে না। তিনি কওমি মাদ্রাসা, ইস্কন মন্দির, জেলখানা এবং এমনকি একটি বিখ্যাত গির্জার প্রসঙ্গও টেনেছেন।"

ওয়ালিদ ইসলাম ঠিক কোন প্রেক্ষাপটে এই কথাগুলো বলেছেন, সেটা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। সম্ভবত ট্রান্সজেন্ডার নারী তাসনুভা শিশিরের মন্দিরে বিয়ে কিংবা এ ধরনের ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া সামাজিক প্রতিক্রিয়ার প্রসঙ্গেই তিনি কথাগুলো বলতে চেয়েছেন। কিন্তু তার বক্তব্যের পর বিষয়টি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। অনেকে তাকে গালিগালাজ করছেন। কেউ বিএনপি সরকারকে দোষ দিচ্ছেন, কেউ আবার ট্রান্সজেন্ডার বা সমকামী শব্দগুলোকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর মধ্যে ওয়ালিদ ইসলামকেও ট্রান্স বা সমকামী বলে মৌলবাদী বিভিন্ন পেজে আক্রমণ করা হচ্ছে।

ভার্চুয়াল মব তৈরির প্রবণতা সত্যিই উদ্বেগের। ড. সারওয়ার আলমের বক্তব্য এই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি ওয়ালিদ ইসলামের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, "রাষ্ট্রদূত হয়ে এমন বক্তব্য দেওয়া দেশের আইন পরিপন্থী এবং ট্রান্সবাদকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা নিন্দনীয়। মাদ্রাসার বিষয় নিয়ে মুসলিমরা প্রতিবাদ করছে, অথচ ধর্মীয় মানুষদের দোহাই দিয়ে এলজিবি অধিকারকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।"

আমরা কি এখন এমন একটা সমাজ তৈরি করতে চাই যেখানে কারও চাকরি, যোগ্যতা কিংবা ব্যক্তিগত সম্মানকে তার লিঙ্গীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচার করা হবে? একজন মানুষ বিসিএস ক্যাডার হতে চাইলে তার পরীক্ষার খাতা দেখব, নাকি তার ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়ে ফেসবুকে তদন্ত চালাব? একজন অ্যাথলেটের পারফরম্যান্স দেখব, নাকি তার শরীরের এমন বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা সে নিজেও হয়তো জানত না?

ওয়ালিদ ইসলামের সাথে যা ঘটছে তা চিন্তার বিষয় । আজ তাকে নিয়ে ভার্চুয়াল মব তৈরি হচ্ছে। কিন্তু আগামীকাল যদি এমন মনোভাব নিয়োগ বোর্ডের মধ্যে ঢুকে যায়, তাহলে কী হবে? পিএসসির কোনো সদস্য যদি মনে করেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ বা জেন্ডার পরিচয়ে ভিন্ন মানুষ মানেই সন্দেহজনক, তাহলে ওয়ালিদ ইসলামের মতো মানুষরা কি আর সুযোগ পাবেন?

তৃতীয় লিঙ্গের পরিচয় নিয়ে জন্ম নিলেই কারো মেধা কমে যায় না। সে যদি পড়াশোনা করে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো করে এবং যোগ্যতা অর্জন করে, তাহলে তার ক্যাডার হওয়ার অধিকার আছে। রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়ানো প্রত্যেক তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ ক্যাডার হতে পারবেন না, যেমন রাস্তায় থাকা প্রত্যেক পুরুষ বা নারীও ক্যাডার হতে পারেন না। ক্যাডার হতে হলে পড়াশোনা করতে হয়, পরীক্ষা দিতে হয় এবং যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। কোটা কাউকে ক্যাডার বানিয়ে দেয় না। ওয়ালিদ ইসলাম যোগ্যতা অর্জন করেছেন বলেই ক্যাডার হয়েছেন।

শেখ হাসিনা সরকার এমনিই এত বছর দেশ চালায়নি। উনার সরকারের অনেক কাজের সমালোচনা করা যায়, অনেক ব্যর্থতার কথাও বলা যায়। কিন্তু পিছিয়ে পড়া বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্য কিছুটা হলেও সুযোগ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল, যা অস্বীকার করার উপায় নেই। সেটা পশ্চিমা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে প্রগতিশীল হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা হোক কিংবা রাজনৈতিক কৌশল, ফলাফল হিসেবে কিছু মানুষ অন্তত এমন সুযোগ পেয়েছেন যা আগে ছিল না।

প্রত্যেক মানুষেরই নিজস্ব মর্যাদা ও সম্মান রয়েছে, আর সেই সম্মান তার লিঙ্গীয় বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়। জান্নাত ও কবিতার ক্ষেত্রে যদি সত্যিই কোনো নিয়মভঙ্গ হয়ে থাকে, তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর যদি বিষয়টি কোনো জন্মগত শারীরিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটিকে ঘিরে কৌতূহল বা বিদ্রূপ না ছড়িয়ে মানুষকে বিষয়টি সঠিকভাবে বোঝানো হোক। কিন্তু সত্যতা যাচাই না করে কাউকে ট্রান্সজেন্ডার, সমকামী কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ে চিহ্নিত করে অপমান করার অধিকার কারও নেই।




ফটোকার্ড ক্রেডিট : সময় টিভি এবং দি ফেইথ লেন্স
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জীবন এক মরীচিকা

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:২৬


ফেসবুক এ কতজনই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় সবার সাথে কথা হয় না। তানিম ছেলেটি কবে থেকে ফেসবুক এ ছিল মনে নেই। একসময় সে যোগাযোগ করল আমার লেখা, পড়ার আগ্রহ দেখালো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মিউজিয়ামঃ আলোর নিচে অন্ধকার!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১৩

জুলাই মিউজিয়ামঃ আলোর নিচে অন্ধকার!

জুলাই মিউজিয়ামে ঢুকলে প্রথমেই যে অনুভূতিটি হৃদয়কে স্পর্শ করে, তা হলো- এটা শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটা একটি জাতির রক্তাক্ত স্মৃতির সাক্ষ্য।
পরিকল্পনা থেকে নির্মাণ- প্রতিটি পরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়! বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!!! :-ls B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯



অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth-রূপের বৈচিত্র্য ও আঞ্চলিক প্রোগ্রামিং

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৩

প্রশ্ন ও প্রারম্ভিক জিজ্ঞাসাঃ
আমাদের মনে কি এমন প্রশ্নের উদয় হয় না যে,"আমরা যখন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের অবয়ব, গায়ের রঙ, চুল কিংবা পুরুষদের মুখের দাড়ি-গোঁফের দিকে তাকাই, তখন এক অদ্ভুত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×