somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কারখানা বাঁচাতে পারিনি, তাই মানুষকে অটো চালাতে হচ্ছে

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশে এখন এমন এক অদ্ভুত অর্থনৈতিক সংকট চলছে, যেখানে একজন শ্রমিক কারখানায় বিদ্যুৎ না পেয়ে চাকরি হারিয়ে অটো রিকশা চালাচ্ছেন। সেই অটো আবার চার্জ দিতে বিদ্যুৎ খাচ্ছে। যে বিদ্যুৎ একটি কারখানাকে সচল রেখে হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারত, তারই একটি অংশ এখন মানুষকে বেকারত্ব থেকে বাঁচানোর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা যেন এমন এক চক্রে ঢুকে পড়েছি, যেখানে বাঁচতে গিয়ে নিজেদের উৎপাদনশীলতাকেই আরও দুর্বল করে ফেলছি।

বাংলাদেশের সামনে এখন সবচেয়ে বড় সংকট কী? এক বাক্যে উত্তর দিতে হলে অনেকেই বলবেন, জ্বালানি সংকট। কিন্তু জ্বালানি সংকট আসলে সমস্যার শুরু, শেষ নয়। আমরা এমন এক যুদ্ধের অর্থনৈতিক মূল্য বহন করছি, যে যুদ্ধে আমাদের কোনো হাত ছিল না। কিন্তু বাংলাদেশের সংকট একটি জায়গায় থেমে থাকেনি। রাজনীতির সংকট গিয়ে পড়েছে শিল্পে, শিল্পের সংকট কর্মসংস্থানে, কর্মসংস্থানের সংকট মানুষের আয়ে, আর সেই চাপ শেষ পর্যন্ত এসে পড়ছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ব্যাংক এবং সরকারের রাজস্বের ওপর।

আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন ক্ষমতায় ছিল, আমরা এক ধরনের সংকটের মধ্যে ছিলাম। সরকার পতনের পর সংকট শেষ হয়নি, শুধু তার চেহারা বদলেছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের সবচেয়ে দ্রুত এবং নির্মম অর্থনৈতিক অভিঘাত পড়েছে কর্মসংস্থানে। বিশেষ করে উৎপাদনশীল খাতে যারা কাজ করতেন, তাদের একটি অংশ হঠাৎ করেই কাজ হারিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী, এমপি কিংবা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মালিকানাধীন অনেক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে।

কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের কী হয়েছে, তার পাশাপাশি আমরা কি একবার ভেবেছি, সেখানে কাজ করা সাধারণ মানুষগুলোর কী হয়েছে? নারায়ণগঞ্জের গোলাম দস্তগীর গাজীর কারখানার কথাই ধরা যাক। সেখানে লুটপাট করেছে কারা, সেই প্রশ্ন শুধু রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। স্থানীয় অনেক মানুষও এতে জড়িত ছিল। কারও সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল, কারও ওপর প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ছিল, কারও বহু বছরের ক্ষোভ জমে ছিল।

অনেকের বিশ্বাস ছিল, গাজী অবৈধভাবে সম্পদ তৈরি করেছেন। ফলে তার কারখানার প্রতি স্থানীয় মানুষের কোনো মায়া ছিল না। এখানেই আমরা একটি ভয়ংকর ভুল করে ফেলেছি। একজন ব্যবসায়ী অন্যায়ভাবে সম্পদ অর্জন করলে তার সম্পদ অবৈধ হতে পারে, কিন্তু তার কারখানায় কাজ করা শ্রমিকের চাকরি অবৈধ নয়। মালিক দুর্নীতিবাজ হতে পারেন, কিন্তু কারখানার উৎপাদন অর্থনীতির জন্য মূল্যহীন হয়ে যায় না।

একটি কারখানায় কাঁচামাল আসে, শ্রম ব্যবহার হয়, পণ্য তৈরি হয়, পরিবহন চলে, বাজারে অর্থের প্রবাহ তৈরি হয় এবং অর্থনীতিতে মূল্য সংযোজন হয়। সেই পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়াটি একজন ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে ধ্বংস করে দিলে ক্ষতি শুধু ওই ব্যক্তির হয় না, হয় তার ওপর নির্ভরশীল হাজার মানুষের। কারখানা বন্ধ হওয়ার অভিঘাত স্থানীয় দোকান, পরিবহন, বাড়িভাড়া ও ছোট ব্যবসার ওপরও গিয়ে পড়ে।

আমি জুলাই আন্দোলনের সময় এমন একটি এলাকায় থাকতাম, যেখানে একটি কারখানা বন্ধ হওয়ার পর প্রায় আড়াই হাজার মানুষ কাজ হারিয়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিল। একটি কারখানা বন্ধ হওয়ার অর্থ শুধু আড়াই হাজার মানুষের বেতন বন্ধ হওয়া নয়। স্থানীয় বাজারে ক্রেতা কমে যায়, দোকানের বিক্রি কমে যায়, বাড়িভাড়া কমে যায়, পরিবহনের যাত্রী কমে যায়, খাবারের দোকানের আয় কমে যায়। একটি কারখানা বন্ধ হয়, কিন্তু তার ধাক্কা গিয়ে লাগে পুরো স্থানীয় অর্থনীতিতে।

আমাদের নিজেদেরও এলাকায় একটি ছোট বাড়ি আছে, যেটি মূলত ভাড়া দেওয়ার জন্য করা হয়েছিল। কিন্তু মানুষের আয় কমে যাওয়ার পর ভাড়াটিয়া ধরে রাখতে এবং নতুন ভাড়াটিয়া পেতে আমাদেরও ভাড়া কমাতে হয়েছে। গত কয়েক দশকে আমাদের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এমন মানুষের হাতে গড়ে উঠেছে, যাদের বিরুদ্ধে ঋণ অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থপাচার কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সেই টাকায় তৈরি কারখানায় আবার হাজার হাজার মানুষ বৈধভাবে চাকরি করেছে।

অর্থাৎ একজন অসৎ মানুষের তৈরি সম্পদও বহু সৎ মানুষের জীবিকার ভিত্তি হয়ে গেছে। এটা একটা ভয়ংকর ট্র্যাপ। একজন দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে তদন্ত হবে, তার সম্পদ জব্দ হবে, ব্যাংকের টাকা ফেরত চাওয়া হবে, তাকে জেলে পাঠানো হবে। অবশ্যই হবে। কিন্তু তার কারখানায় কাজ করা শ্রমিকটির কী হবে? তাই দুর্নীতির বিচার করতে গিয়ে যেন উৎপাদন ব্যবস্থাটাকেই ধ্বংস না করি।

মালিকানা বদলানো যায়, ব্যবস্থাপনা বদলানো যায়, প্রয়োজনে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়া যায়, নতুন বিনিয়োগকারী আনা যায়। কিন্তু উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়। কারণ একটি কারখানা শুধু মালিকের সম্পদ নয়, সেখানে কাজ করা মানুষের জীবিকার অবকাঠামোও। এর সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট। কারখানা উৎপাদন করতে পারছে না, বিদ্যুৎ নির্ভরযোগ্য নয়, গ্যাস ও জ্বালানির দাম বেশি। ফলে উৎপাদন কমছে।

উৎপাদন কমলে শ্রমিকের আয় কমে, আয় কমলে বাজারে চাহিদা কমে, চাহিদা কমলে ছোট ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ব্যবসা দুর্বল হলে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ কমে, বিনিয়োগ কমে এবং কর্মসংস্থান আরও সংকুচিত হয়। কর্মসংস্থান কমলে মানুষ এমন কাজের দিকে যায়, যেখানে প্রবেশের জন্য খুব বেশি পুঁজি, দক্ষতা বা শিক্ষা লাগে না। সেখানেই অটো রিকশা, ছোট ব্যবসা এবং নানা ধরনের অনানুষ্ঠানিক কাজ সামনে আসে।

অটো রিকশা নিঃসন্দেহে বহু মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। একজন শ্রমিক চাকরি হারিয়ে অটো চালাচ্ছেন, একজন বেকার তরুণ অটো চালিয়ে আয় করছেন, একজন স্বল্প আয়ের মানুষ কাজের পাশাপাশি অটো চালাচ্ছেন। তাই সমস্যাটা অটো রিকশা নয়। সমস্যাটা হলো, কেন একজন মানুষের জন্য অটো চালানো সবচেয়ে ভালো অর্থনৈতিক বিকল্প হয়ে উঠছে? ব্যক্তির জন্য এটি কর্মসংস্থান, কিন্তু জাতীয় অর্থনীতির জন্য সব ধরনের কর্মসংস্থান সমান উৎপাদনশীল নয়।

একটি অটো একজন মানুষকে আয় দিতে পারে, কিন্তু একটি উৎপাদনশীল কারখানা একই সঙ্গে শ্রমিকের আয়, কাঁচামালের চাহিদা, পরিবহন, বাজার, রপ্তানি, কর এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। দুটিই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, কিন্তু তাদের value addition এক নয়। তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত অটোচালককে দোষ দেওয়া নয়, বরং এমন অর্থনীতি তৈরি করা যেখানে একজন তরুণের সবচেয়ে ভালো বিকল্প হয় উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে কাজ করা।

এখানেই বিদ্যুতের প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। দেশে যখন বিদ্যুৎ সংকট চলছে এবং লোডশেডিংয়ের কারণে অনেক কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, তখন বিপুল সংখ্যক অটো ও ইজিবাইকও বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। অটোর সংখ্যা বাড়তে থাকলে বিদ্যুতের ওপর নতুন চাপ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। অটোচালকের কোনো দোষ নেই। তার সামনে যদি কারখানার চাকরি না থাকে, তাহলে সে অটো চালাবে। প্রশ্ন হলো, আমরা কেন এমন একটি অর্থনীতি তৈরি করতে পারলাম না, যেখানে উৎপাদনশীল কাজই মানুষের সবচেয়ে ভালো বিকল্প হবে?

এর সঙ্গে বাংলাদেশের বিশাল informal economy আরেকটি স্তর যোগ করেছে। ফুটপাতের দোকান থেকে ছোট ব্যবসা, স্থানীয় বাজার থেকে নানা ধরনের সেবা—বিপুল মানুষ অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছে। তারা অর্থনীতির বাইরে নয়, বরং অর্থনীতির একটি বিশাল অংশ। সমস্যা হলো, তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশ এখনো আনুষ্ঠানিক হিসাবের মধ্যে পুরোপুরি আসে না। ফলে রাষ্ট্রের পক্ষে এই অর্থনীতির প্রকৃত আকার, উৎপাদন এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণও নির্ভুলভাবে বোঝা কঠিন।

সমস্যাটা শুধু হিসাবের নয়, বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও। অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির বিভিন্ন ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে, তার একটি অংশ মিটারবিহীন বা অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে ব্যবহৃত হয়। ফলে একদিকে রাষ্ট্র প্রকৃত বিদ্যুৎ চাহিদা ঠিকভাবে পরিমাপ করতে পারছে না, অন্যদিকে বিদ্যুতের একটি উল্লেখযোগ্য ব্যবহার অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক উৎপাদন কাঠামোর বাইরে থেকে যাচ্ছে। এতে মোট চাহিদার ওপর কোন খাত কতটা চাপ তৈরি করছে, সেটিও সবসময় পরিষ্কার থাকে না।

তবে informal economy-কে সমস্যা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না । এটি লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়ের প্রধান অবলম্বন এবং অনেক ক্ষেত্রে অর্থনীতিকে সচল রাখার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আসল সমস্যা হলো, অর্থনীতির এত বড় একটি অংশ যদি অনানুষ্ঠানিক থেকে যায়, তাহলে রাষ্ট্র তার প্রকৃত আকার, বিদ্যুৎ ব্যবহার, উৎপাদন এবং করযোগ্য আয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পায় না। ফলে অর্থনীতি পরিচালনা, বিদ্যুৎ পরিকল্পনা এবং কর আদায়-তিন ক্ষেত্রেই তথ্যের ঘাটতি তৈরি হয়।

ফলে আমরা অনেক সময় জানিই না দেশের informal economy আসলে কত বড়, কোন খাত সংকুচিত হচ্ছে, কোন খাত বাড়ছে এবং কত মানুষ উৎপাদনশীল কাজ ছেড়ে survival economy-তে ঢুকে পড়ছে। এটি শুধু পরিসংখ্যানের সমস্যা নয়, নীতিনির্ধারণের সমস্যাও। কারণ আপনি যদি অর্থনীতির বড় একটি অংশকে সঠিকভাবে দেখতে না পান, তাহলে সেটির জন্য সঠিক নীতিও তৈরি করতে পারবেন না। রাষ্ট্রকে তাই informal economy-কে দমন নয়, বরং ধীরে ধীরে formal কাঠামোর মধ্যে আনার পথ তৈরি করতে হবে।

রাষ্ট্রের কাজ শুধু মানুষকে বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়া নয়। রাষ্ট্রের কাজ এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে মানুষ তার শ্রমকে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনশীলভাবে ব্যবহার করতে পারে। মানুষ অটো চালাবে, ছোট ব্যবসা করবে, অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করবে-এগুলো অর্থনীতির বাস্তবতা। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি অর্থনীতি তৈরি করা, যেখানে মানুষ শুধু বেঁচে থাকবে না, উৎপাদন করবে, আয় করবে, কর দেবে এবং অন্যের জন্যও কর্মসংস্থান তৈরি করবে। এই বিষয় নিয়ে আসলে সরকার কি কর্মপরিকল্পনা করছে সেটাই নির্ধারণ করবে সবার ভবিষ্যত ।


ফটোকার্ড : ইন্টারনেট টুডে ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাটারিচালিত রিকশা , তিন-চাকার যানবাহন ব্যবস্থাপনা, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং সিসা-দূষণরোধ বিষয়ে একটি সমন্বিত নীতিগত প্রস্তাব।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮


বাংলাদেশের নগর ও শহরতলির পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজি-বাইক ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক তিন-চাকার যান ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের যাত্রীদের জন্য অপেক্ষাকৃত কম খরচের পরিবহন, বিপুলসংখ্যক চালক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৭



ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি কেনা ও নির্মাণের টাকা কোথা থেকে এসেছিল-এই প্রশ্নটা মাঝেমধ্যেই অনলাইনে ঘুরেফিরে আসে। উত্তরটা আসলে লুকিয়ে নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয় - দরকার বিকল্প সরকার

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪



জামাতকে সংগঠন হিসেবে নিখুঁত বলা যায়, আলেম হতে হলে দীর্ঘদিন পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হয় - মানে নেতা হবার আগে অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে, বিএনপি-লীগের এমন কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেলাশেষে

লিখেছেন নীল-দর্পণ, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

বাসায় আত্নীয় আসলে চলে যাবার সময় কিংবা তাদের বাড়ী থেকে ফেরার সময় ঘরের ছোট সদস্যের হাতে টাকা গুঁজে দেবার যে চল ছিল নিশ্চই আমরা কম বেশি সবাই সেটা সাথে পরিচিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসংখ্য মানুষের স্বপ্নের নায়িকা যিনি।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১২



একদিন যে বিয়েকে ঘিরে ছিল পাঁচতারকা হোটেলের ঝলমলে আলো, ক্যামেরার অসংখ্য ফ্ল্যাশ আর শত মানুষের করতালি, সেই সংসারের আকাশেই কয়েক বছরের মধ্যে জমেছিল বিচ্ছেদের মেঘ। ১৯৮৭ সালের মে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×