somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কুলাউড়ার চাতলগাঁও গণহত্যা

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুলাউড়ার চাতলগাঁও গণহত্যা
লুৎফুর রহমান

মৌলভীবাজার সদর থেকে কুলাউড়ার পথে
পাকহানাদের দমণ করেন দুজন কোনমতে
কামারকান্দির আছকির ও হবিব রামপাশার
মুক্তিসেনা দুজন ছিলেন বহু লোকের আশার।

কিন্তু শেষে মুক্তিসেনার বুকেই গুলি লাগে
সেদিন দুজন শহিদ হলেন স্বাধিন হবার আগে।
এরপরেতে পাকবাহিনী চাতলগাঁওয়ে যায়
অনেক লোকের পাক পতাকা হাতে শোভা পায়।

জান বাঁচাতে মিথ্যে পাকের নিশান ছিল হাতে
কিন্তু তবু সেদিন সবার জান বাঁচেনি তাতে
বাড়ি থেকে পাঁচজনা লোক ধরে তারা হাসে
জড়ো করে সবাইকে তাই মসজিদেরই পাশে।

লাইন ধরিয়ে সবাইকে যে যেই ছুঁড়েছে গুলি
কটু এবং সাথি তারি ভাগলো দিয়ে ধুলি
বাকি তিনেক সাথে সাথে পরকালের সাথি
এঁদের প্রাণে দেশের বুকে জ্বল্লো স্বাধিন বাতি।

_______________________________
একাত্তরের ৭ মে। মৌলভীবাজার থেকে কুলাউড়া অভিমুখে পাকবাহিনীর গাড়ি আসছে খবর পেয়ে চাতলগাঁও সেতুর উপরে কামারকান্দি গ্রামের আছকির আলী ও রামপাশার হবিব আলী ও দু মুক্তিযোদ্ধা গুলি করে তছনছ করে দেন পাকবাহিনীকে। অবশেষে পাকবাহিনীর আধুনিক অস্ত্রের কাছে তাঁদের জীবন বিসর্জন দিতে হয়। পরে পাকবাহিনী চাতলগাঁও প্রবেশ করে। এর মাঝে খবর পেলে গ্রামবাসি পালিয়ে যান, যাঁরা থেকেছেন পাক পতাকা হাতে নিয়ে ঘর থেকে জান বাঁচাতে বের হয়েছেন। তাতেও বাঁধেনি পাকহানাদাররা। যাদের চোখের সামনে পেয়েছে গুলি করে মেরেছে। পরে ৫ জন ধরে এনে মসজিদের পাশে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে গুলি চালায়। তখন কটু মিয়া ও তাঁর সাথি প্রাণ বাঁচাতে গর্তে লাফ দেন তাতেও গুলি ছুঁড়ে হানাদার। অবশেষে মরে গেছে ভেবে ফেলে যায়। কিন্তু এ দুজন বেঁচে যান। অন্য তিনজন শহিদ হলেন-চাতলগাঁওয়ের আব্দুল কুদ্দুছ, হিঙ্গাজিয়ার সিরাজুল ইসলাম এবং টেংরা গ্রামের একজন।

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্লগ সাইটের জন্য ডোমেইন নাম সাজেস্ট করুন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫


বাংলায় ব্লগিং করার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে চাচ্ছি। আপাতত মূল উদ্দেশ্য হলো সামুতে লিখা আমার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে সাইটটিতে আর্কাইভ করে রাখা। সামুতে অনেকে নিবেদিত প্রাণ ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:২২



ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে
==================================
পিঠ ছুঁয়ে নামা মেঘবরণ তার লম্বা কালো চুল,
তারই মাঝে লুকিয়ে হাসে একটি সাদা ফুল।
চোখ দুটো তার ডাগর ডাগর, অবাক করা আলো,
দুষ্টুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রবাদ প্রবচন ও আলী ভাইয়া, জী এস ভাইয়া, খায়রুলভাইয়া ও সত্যপথিকভাইয়াদের পোস্ট..... এই আমি অপ্সরা

লিখেছেন অপ্‌সরা, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২২


এই অপ্সরা শুধু একটা নিকই না। জীবনের একটা অংশের নাম। জীবনটা শুরু হয়েছিলো যবে থেকে তার পর ৫/৬ বছর থেকেই জীবনের নানা ক্ষনের নানা মানের উদ্দেশ্য বিধেয় ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

Somewhereinblog.net: বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ থেকে ডিজিটাল পাবলিশিং এ পরিনত করে সাবলম্বি করার লক্ষ্যে একটি খসড়া প্রস্তাবনা ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯


একজন নিয়মিত ব্লগার হিসেবে প্রতিদিনই লক্ষ্য করি, Somewhereinblog.net (সামু) বাংলা সাহিত্য, অভিজ্ঞতা ও তথ্যভিত্তিক লেখার এক বিশাল আর্কাইভে পরিণত হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে একটি কঠিন বাস্তবতাও সামনে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অটো কে বন্ধ করা যাবে না।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫১




অনেক দিন আগের কথা। ২০১৫ সালের ঘটনা। তখন আমি মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় থাকি এবং অনার্সে পড়াশোনা করি। পড়তাম পাশের উপজেলা সোনারগাঁওয়ের সোনারগাঁও সরকারি কলেজে। প্রতিদিন কলেজে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×