রাষ্ট্রের কাজ কেবল শান্তি শৃংখলা এবং আইন ও নিরাপত্তা রক্ষাই নয়, রবঞ্চ সামষ্টিক সুবিচার, সামাজিক উন্নয়ন এবং সাফল্য অর্জনও বটে।এশিয়ার সর্ববৃহৎ জেল আমাদের দেশে অবস্থিত ! ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় ১৯৪ দশমিক ৪১ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তি সুবিধাসমৃদ্ধ এই নতুন কারাগার।
বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার জেলখানায় কয়েদীদের উপচে পড়া ভীড় । যেই হারে ব্যাপক পরিমানে বিরোধী দল কে গ্রেফতার করা হচ্ছে তাতে বর্তমান কারাগারে স্থান সংকুলান করার কোনো সুযোগ নাই। চোরদের দিয়ে একের পর এক জেলখানা ভরে ফেলা হচ্ছে । কারাগারের অবস্থা পোলট্রি ফার্মের চেয়েও খারাপ।কারাগারের মূল ফটক থেকে ভেতরে সব মিলিয়ে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার বাণিজ্য হয়। বেশি হয় সকাল আটটার আগে এবং বিকেল পাঁচটার পরে। তাঁদের মতে, বন্দীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, হাসপাতালে থাকা, আসামির জামিন, বন্দী রোগী বাইরের হাসপাতালে পাঠানো, পুনরায় গ্রেপ্তার, খাবার বা টাকা পাঠানো, মালামাল তল্লাশি করাসহ সবক্ষেত্রেই বাণিজ্য হয় কারাগারে।
ঠিক তখন তার বিপরীত চিত্র ইউরোপের সবচেয়ে উদার ধর্মীয় সংস্কৃতির দেশ নেদারল্যান্ডের। ২০১৩ সালে কয়েদির অভাবে ১৯টি জেলখানা বন্ধ করে দেয় নেদারল্যান্ড সরকার এবং এর ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে আরো ৫টি জেলখানা বন্ধ করতে হয়েছে সরকারকে। ফলে বেকার হয়ে পড়েছে প্রায় ২ হাযার কারাকর্মী। যাদের মাত্র ৭০০ জনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য জায়গায় চাকরি দেয়া সম্ভব হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে নেদারল্যান্ডে অপরাধীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়ে আসছে। জেলখানা পূর্ণ করতে দেশটি সম্প্রতি নরওয়ে থেকে ২৪০ জন কয়েদীকে আমদানি করেছে।
বিধি লঙ্ঘন করে সমাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে, হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপিরা,৬০০ কোটি টাকার কয়লা চুর, পাথর চুর,ইউনি-পে টু-ইউ,ডেস্টিনি,হলমার্ক,শেয়ার মার্কেট, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এর ৮০০ কোটি টাকা চুরদের মত বড় বড় চুরেরা আবার কারো কারো অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ! বড় বড় অপরাধের সাথে যুক্তদের ব্যানার-ফেস্টুনে রাস্তার পাশে ইঞ্চি পরিমান খালি জায়গা চোখে পড়ে না । রাঘব-বোয়াল টাইপের যে সকল অপরাধীরা রাজনৈতিক দ্বিমতে জেলে আছে-যাচ্ছে তারা আবার ভি.আই.পির মর্যাদা পাচ্ছে !
চিন্তা পদ্ধতি ও জীবন যাপন প্রণালী মানব জীবনের সকল সমস্যার সমাধান করে।
• মানুষের ওপর মানুষের অধিকার কি কি,
• তার নিজের কি কি অধিকার,
• মা, বাপ, স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয় স্বজন, পাড়া পড়শী,
• লেনদেন ও কায়কারবারের অংশীদারের,
• স্বধর্মী এবং বিধর্মী শত্রু ও বন্ধু,
• গোটা মানব জাতি, এমনকি
• বিশ্ব প্রকৃতির বস্তু ও শক্তি নিচয়ের কি কি অধিকার?
এ সমস্ত অধিকারের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে। একজন মানুষের এ সকল অধিকার পূর্ণ সততা ও ন্যায় নিষ্ঠাতার সাথে প্রদান করবে এবং অন্যায়ভাবে এক অধিকার আদায় করতে গিয়ে অন্য অধিকার বিনষ্ট করবেনা
সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক জীবনের কতৃত্বশীল” নয়, এবং প্রতাপান্বিত নয় বরং “অধিনস্ত” বরং বিনীতভাবে দায়িত্ব পালনে কে মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হবে সমাধান।

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



