somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মহাকাশ-ফেরত বীজ থেকে আশ্চর্য গাছ

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১০:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জাপানের প্রাচীন একটি চেরি গাছের বীজ আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হয়েছিল৷ পৃথিবীতে সেই বীজের চারাগাছ অত্যন্ত দ্রুত বেড়ে উঠে নির্ধারিত সময়ের আগেই অদ্ভুত ফুলের জন্ম দিয়েছে৷ এ যেন প্রকৃতির নিয়মের থেকেও দ্রুত গতিতে চলা
জাপানে চেরি গাছের খুব সমাদর৷ এই গাছ ও ফুল জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ৷ নির্দিষ্ট সময় গাছে ফুল ফোটে, তাকে ঘিরে উৎসবও হয়৷ কিন্তু একটি চারাগাছ যেন সব হিসাব গোলমাল করে দিয়েছে৷ যে সে গাছ নয়৷ মহাকাশ ফেরত বীজ থেকে এই গাছের জন্ম৷ আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে প্রায় আট মাস কাটিয়েছিল সেই বীজ৷



গাছটির আরও কিছু বিশেষত্ব চোখে পড়ার মতো৷ সাধারণত প্রায় ১০ বছর পর এই গোত্রের চেরি গাছে ফুল ফোটে৷ অথচ এই আশ্চর্য চারাগাছে চার মাস বয়সেই ফুল ফুটতে শুরু করেছে৷ তাছাড়া এপ্রিল মাসেই গাছের উচ্চতা প্রায় ৪ মিটার হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ তাতে আচমকা ৯টি ফুল ফুটেছে৷ প্রত্যেকটিতে ৫টি করে পাপড়ি৷ অথচ মূল গাছের ফুলে প্রায় ৩০টি করে পাপড়ি ছিল৷



জাপানের প্রাচীন গানোজি বুদ্ধমন্দির প্রাঙ্গণে লাগানো আছে সেই চেরি গাছ৷ প্রধান পুরোহিত মাসাহিরো কাজিতা আরও একটি কারণে অত্যন্ত আনন্দিত৷
যে গাছের বীজ থেকে এই চারাগাছটি জন্মেছে, সেটির বয়স নাকি ১,২৫০ বছর৷ এর আগে তার বীজ থেকে কোনো গাছ জন্মায়নি৷ মহাকাশ ভ্রমণের কল্যাণে এই প্রথম মূল গাছের বংশধরের জন্ম হলো৷ তার উপর তাতে এত তাড়াতাড়ি ফুল ফুটলো৷
২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে জাপানি মহাকাশচারী কোইচি ওয়াকাটা চেরি গাছের বীজ সঙ্গে নিয়ে আইএসএস-এ গিয়েছিলেন৷ পরের বছর জুলাই মাসে তিনি পৃথিবীতে ফেরেন৷ এর মধ্যে মহাকাশ স্টেশন ৪,১০০ বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেছে৷
এমন ঘটনার ফলে বিজ্ঞানীরা এবার জানতে চান, মহাকাশের পরিবেশে থাকার ফলে বীজের মধ্যে ঠিক কী পরিবর্তন ঘটেছে? তাছাড়া মন্দির প্রাঙ্গণে বসানো বীজটির ক্ষেত্রেই এমন সব অস্বাভাবিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে কেন?
এসবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১০:৪১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোকুলে বাড়িছে সে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৪

গোকুলে বাড়িছে সে

পরিস্থিতি যতই ঘোলাটে হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে- ক্ষমতার অন্দরমহলে অস্বস্তি বাড়ছে। একের পর এক বক্তব্য, ভিডিওবার্তা, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দেখে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে- এত অস্থিরতার কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্কাইভ থেকে: ফেলে আসা এক সড়কের কথা

লিখেছেন অর্ক, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫



ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও একটা ভুল হচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪২

একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিদারাবাদ থেকে মাছুয়াপাড়া

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৫৫

আপনার সবচেয়ে অপছন্দের খাবার হচ্ছে শুকর। শুধু অপছন্দের না, এটা আপনি ঘৃণাও করেন। কিন্তু আপনার পাশে বসে সবাই শুকর খায়। যে পাতিলে শুকর রান্না করা হয়, সেই পাতিলেই আপনার জন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×