somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অ্যামেরিকান সাইকো ঃ কর্পোরেট মুখোশের আড়ালে এক খুনির গল্প

২৪ শে মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক্রিশ্চিয়ান বেল, হলিউড এর এই অসাধারণ অভিনেতার কথা বললেই প্রথমে চলে আসে নোলাণ ট্রিলজির “ব্রুস ওয়েন”/ “ব্যাটম্যান” চরিত্রটি। কিন্তু যে ছবিটির মাধ্যমে বেল হলিউড এর চলচ্চিত্র সমালোচকদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছিলেন তা হল ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া “ম্যারি হ্যারন” পরিচালিত অ্যামেরিকান সাইকো। ছবিটি একই নামে ১৯৯১ সালে প্রকাশিত “ ব্রেট এসটোন এলিস” এর উপন্যাসের চলচ্চিত্ররূপ।




এখানে অনেকেই আছেন যারা “সাসপেন্স থ্রিলার”, “ক্রাইম থ্রিলার”, “সাইকলজিকাল” আর “টুইস্ট মুভি” বেশি পছন্দ করেন। আসলে এই ধরনের মুভি গুলোর কাহিনীর গতিময়তা, আলো আধারির অদ্ভুত ব্যাবহার, সাউন্ডট্র্যাকই এ মুভি গুলোকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়।




ছবিটির কাহিনী শুরু হয় এর মূল চরিত্র “প্যাটরিক বেইটম্যান” যে কিনা ১৯৮০ এর দশকের নিউ ইয়র্ক এর ম্যানহাটন এর অত্যন্ত উচ্চবিত্ত “ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার” তার জীবনযাপন নিজে বর্ণনা করবার মাধ্যমে। “প্যাটরিক বেইটম্যান” নিজেই তাকে বর্ণনা করে এইভাবে ঃ
“I have all the characteristics of a human being- flesh, blood, skin, hair but not a single clear identifiable emotion except for greed and disgust.”

কিন্তু “প্যাটরিক বেইটম্যান” এর এই সৌখিন জীবনের আড়ালে তার আরেকটি অন্ধকার সত্ত্বা আছে। সে একজন সিরিয়াল কিলার। রাতের আধারে সে খুন করে গৃহহীন মানুষ, যৌনকর্মী, তার পুরনো বান্ধবিকে, তার সহকর্মীকে। প্যাটরিক এর ভাষায়ঃ
“I killed a lot of people…may be 30 or 40… I ate their brain and try to cook a little.”

কিন্তু তার এই অন্ধকার সত্ত্বার রহস্যটা কোথায়? কেন সে একটার পর একটা খুন করে যায়? এই ছবির শেষের টুইস্টটা বেশি অসাধারণ। অনেক অনেক ভাবে ব্যাখ্যা করা যায় এই ছবিকে। ছবির একদম শেষে প্যাটরিক বলেঃ
“This confession has meant nothing.”



এই একটি বাক্যই আবার প্রথম থেকে দেখতে বাধ্য করবে আপনাকে। রটেন টমেটোতে ৬৭ শতাংশ রেটিং পাওয়া আর বহুল প্রশংসিত ছবিটি না দেখলে এখনি দেখে ফেলুন।




১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রিলেশনশিপ

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২৩

রিলেশনশিপ
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

কোনো রমণীর সাথে রিলেশনশিপে
জড়াইনি বলে প্রতিদিন-ই শুনতে হয়
উপহাস, ঠাট্টা, বিদ্রূপ, পরিহাস, তাচ্ছিল্য
ও ব্যঙ্গ কতো কথা, খুব খারাপ লাগে
সারাদিন তা কানে খালি বাজে
পালাতে ইচ্ছে করে বিমর্ষ, লাজে!

বয়স হয়ে গেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

'তুমি আমাকে এটা কোন ধরনের হোটেলে নিয়ে এলে?'

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:২৮

এ লেখাটি ম্যাচিউর পাঠকদের জন্য। সে কারণে reader discretion is advised, অর্থাৎ, অস্বস্তি লাগলে পড়বেন না।

ব্যবসায়িক কাজে চায়না গেলেন হাজি মামুন (ছদ্মনাম)।

পঞ্চাশোর্ধ বয়সের সংসারী মানুষ তিনি। ঘরে পরহেজগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২২



আজ শুক্রবার। শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ একটি দিন।
আজ বাংলা আষাঢ় মাসের ৫ তারিখ। যদিও বর্ষাকাল। আজ আকাশে মেঘ নেই। বরং রোদ উঠেছে। রোদের তাপ ভালোই। শাহেদ পথে বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফিনটেঁক কোম্পানী রিপাবলিক ইউরোপকে ছেড়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো পূর্ণিমায়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×