somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি একমুখী প্রেমের গল্প

১২ ই মে, ২০১৬ রাত ১:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথম যেদিন মেয়েটাকে প্রেম-ভাষণ শুনিয়েছিলাম, বসেছিলাম আলগোছে বয়ে চলা এক অচেনা নদীর তীরে ছড়িয়ে থাকা ঘাসের বুকে। গায়ে গায়ে স্পর্শহীন পাশাপাশি বসা দু’জনার দৃষ্টি প্রবাহিত হচ্ছিল সামনের প্রবাহমানতার দিকে। আমার চোখ দুটি নদীটির সমান্তরালে আরেকটি নদী হয়ে উঠেছিল- সৌম্য-সজল-আবদ্ধ নদী; কোন নদীর পানিই সেদিন উপচে উঠে নি।
মেয়েটির নাম নীপা। নীপা একবার আমার মুখের- আকুলতার প্রলেপ মাখা আমার মুখ- দিকে চোখ মেলে তাকায়- তার চোখ দুটোকে মনে হয় যেন মরা নদীতে জেগে থাকা শুকনো চর- কিছুক্ষণ চেয়ে থাকে, দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয় বিপরীত পাশে। তারপর বেশ কিছুক্ষণ এমনকি সামনের কাদা-জলের নদীটির দিকেও আর ফিরে তাকায় নি।
দু-হাতে বেড় দিয়ে ধরা ভাঁজ করে রাখা দু-হাঁটুর মাঝে মুখ ডুবিয়ে নীচের দিকে তাকিয়ে রোদ রঙা মেয়েটি কয়েক মুহূর্ত বসে থাকল একবার। সবুজ থেকে তার চোখ দুটো ক্রমান্বয়ে উঠে গেল নীলে, একটুবাদেই উল্টো পথে নেমে এল। গিলোটিনে মাথা রাখার ভঙ্গিমায় দু-হাঁটুর মাঝে আড়াআড়িভাবে থাকা বাহুর উপর থুতনী রেখে প্রায় নিঃশব্দ নদীটির দিকে মেয়েটি এবার তার দৃষ্টি মুক্ত করে দিল, রাজনৈতিক সমাবেশের উদ্বোধন ঘোষণার সময় আমাদের দেশের নেতা-নেত্রীরা যেভাবে দু-হাত উপরের দিকে মেলে ধরে সাদা কবুতর ছেড়ে দেয়। খানিকবাদে তার মুখ উপরের দিকে উঠতে শুরু করে, ভূ-পৃষ্ঠের সাথে ৪৫ ডিগ্রী কোণে আসার পর চোখের দৃষ্টি স্থির হয়। বসার ভঙ্গীতে এবার সে খানিকটা পরিবর্তন আনলঃ বাম দিকে হেলে পড়তে থাকা মাথাটি খানিকটা কোণাকুণি ভাবে স্থিত হল থাইয়ের উপর কনুই রাখা হাতের তালুর উল্টা পাশের উপর গাল রাখায়, অপর হাতটি অন্য পায়ের হাঁটুর উপর এমনভাবে রাখল যেন ঢালু পাড়ে বসে ডোবার জলে ফেলা বড়শির ছিপ।
এ-পাড়ে বসে বসে থেকেও কেন তার মন হাড়গিলে ধরনের নদীটিকে খুব সহজেই ছাড়িয়ে গিয়ে ও-পাড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা গুল্ম-ঝোপগুলোর কোন একটাতে আশ্রয় নিয়েছে, মেয়েটি বোধ হয় তা নিজেও জানে না। আস্তে আস্তে তার মুখের চামড়ার জলোভাব কমে যেতে থাকে, আর তার বড় বড় চোখ-দুটো চেপে আসতে শুরু করে দু-পাশ থেকে কৃষকের কাটতে থাকা চরাক্ষেতের আলের সংকীর্ণতায়।
লম্বা লম্বা বিরতি দিয়ে হোঁচট খেতে খেতে চলতে থাকা আমার প্রেম-বক্তৃতা উদাসী মেয়েটির মনের পর্দায় লেগে প্রতিধ্বনিত হয়ে আমার দিকে নয়, নদীটির দিকেও নয়, ফিরে যাচ্ছিল অন্য কোন পানে। আর একই ব্যাপারের দুই বিপরীতধর্মী প্রান্তের কারনে আমাদের দুজনেরই ক্রমান্বয়ে করুণ থেকে করুণতর হয়ে উঠা যেন শীতে কাবু ব্যাক্তির মত চাদর গায়ে খানিকটা কুঁজো হয়ে কুয়াশার ভেতর দিয়ে নীরবে হেঁটে যাচ্ছিল।
শিকার ধরার আশায় ধূর্ত শিয়ালের সতর্কতায় বিকেল রাত্রির বিশাল গহ্বরের দিকে এগিয়ে চলার কালে ক্ষণিকের জন্য সন্ধ্যার ছোট গর্তটিতে এসে আশ্রয় নিল। চুমু খেতে অনিচ্ছুক ঠোঁটের মত পরস্পরের সাথে সেটে থাকা নীপার ঠোঁট দুটি খানিকটা ফাঁক হল, কোন কথা বের হয়ে এল না, তবে ফাঁকটাও বুজে গেল না।
অন্ধকার এমন মাত্রায় চাগিয়ে উঠল যখন আবছাভাবে মুখাবয়ব টের পাওয়া গেলেও মুখের রেখায়, ভ্রূর কুঞ্চনে, চোখের নড়াচড়ায় অভিব্যাক্ত অনুভূতি ঠাহর করা যায় না। অন্ধকারের এমন সুযোগের প্রতীক্ষাতেই সে বোধ হয় ছিল, যাতে করে তার মুখমন্ডলে ভেসে উঠা আমার প্রতি অপ্রেমানুভূতি আঁধারের আবরণে ঢাকা পড়ে। মাঝে সামান্য পুরু তবে দু-পাশে সরু হয়ে আসা একটা ক্ষুদ্র রেখার মত ফাঁক করে রাখা ঠোঁট দুটির ভেতর দিয়ে এতক্ষণে বেরিয়ে আসে কয়েকটা টুকরা-টুকরা কথা। আমাকে ভেবে এক কোয়ার্ক পরিমাণ প্রেমাকর্ষণও নাকি তার বুকে স্পান্দিত হয়ে উঠে না কখনও। তার কাছ থেকে প্রেম পাওয়ার আশা যেন আমি সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়ে দেই। এমনকি এ-ব্যাপারে আমার প্রতি সামান্যতম করুনাপরবশ হয়ে উঠাও নাকি তার পক্ষে প্রায় অসম্ভব। গ্রাম্য লোকদের কাছে থেকে বাক্যাংশ(Phrase) ধার করে বলা যায়- সে আমাকে একেবারে ‘পুইছা না কইরা’ দিল। তবে কথাগুলো বলতে গিয়ে তার কন্ঠস্বর এতই নমনীয় হয়ে উঠল যে, শব্দগুলো উচ্চারণের সময় মাঝখানে বা কানি-কোণাতে ভেঙ্গে ভেঙ্গে যাচ্ছিল। জবাই হওয়ার কালে পশু-পাখির কষ্ট যাতে কিছুটা হলেও কমে- এমন আশায় যেমন ছুরি বা বটি শান দিতে দিতে অনেক বেশী সুচারু হয়ে উঠার ফলে নরম হয়ে পড়ে এবং জবাই করার কালে ধারালো অংশ মাঝে মাঝে ভেঙ্গে যায়- ব্যাপারটা অনেকটা সেরকম।
নিষেধ পেয়ে আমার প্রেমটি যেন সহজ-সরল, বোকাসোকা ধরনের নির্দোষ, জেদী, চাষাড়ে ব্যাক্তির হঠাৎ রেগে উঠে উচ্চপদস্থের সাঙ্গোপাঙ্গোদের হাতে মার খাওয়ার সম্ভাবনা জেনেও তেড়ে যাওয়ার ভঙ্গীতে বেড়ে চলতে লাগল এবং একসময় ইউ-টার্ন করে বিরক্তির দিকে মুখ করে এগোতে শুরু করল। যখন-যেভাবে তাকে পেতাম, বেদনা ভরা প্রেমের ঝাঁপি নিয়ে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়াটা যেন আমার অভ্যাসে পরিণত হল- বেশ শক্তপোক্ত একটা অভ্যাস। প্রত্যেকবারই সে নিজের ভেতরে লুকিয়ে পড়তে পড়তে একসময় প্রথমবার-বলা-কথাগুলো একই ঢঙে পুনরাবৃত্তি করে চুপ হয়ে যেত, মাঝে মাঝে তার মুখের আবহে গোপনে ফুটে উঠত দুর্বহ ক্লান্তির চিহ্ন।
প্রথম প্রেম-ভাষণের পূর্বে তার সাথে আমার সম্পর্ক বেশ সহজ-সতেজ, সাবলীল ছিল বলতে হয়; তবে এরপর থেকেই তা কেন যে তা কেমন পান্ডুর, ধূসর, আর ম্যাড়ম্যাড়ে হয়ে উঠে! নীপার প্রতি আমার একমুখী প্রেমের উলম্ফনই- মনে হয়- তার ও আমার মধ্যকার বন্ধুত্বকে এক কোপে দু-খন্ড করে ফেলে দু-দিকে টানতে টানতে মাঝখানের বিস্তার বাড়িয়ে চলে। আমার সাথে দেখা হলেই যেন তার শরীরে লাগানো জীবনের হুক এক ঝটকায় খুলে যায়- জীবন থেকে সে হয়ে পড়ে সম্পূর্ণরূপে আলাদা। মাঝে মাঝে তার সাথে আমার সময় কাটানোর সুযোগ, অন্য ভাবে বললে আমার সাথে তার আটকে পড়ার বিপত্তি তৈরী হলে জীবনের সহজ-স্বাভাবিক, সাদামাটা খুচরা কথাও সে আমাকে বলতে পারে না, তার ঠোঁট-দুটোর উপর অদৃশ্য তবে বেশ দৃঢ় একটা আবরণ চেপে বসে। আমি কিছু একটা বলতে শুরু করার কালে তার মুখভাব এমন হয়ে উঠে যেন পর্বত-গুহায় আটকা পড়া কোন ব্যাক্তির হাতে-পায়ে লোহার বেড়ী পড়ানো শুরু হয়েছে। উল্টো দিকে, তার মন যতই ঘুমোট হয়ে উঠতে থাকুক না কেন তাকে দেখা মাত্রই আমার হৃদয়ে কিসের যেন এক মুক্তির আনন্দ প্রফুল্ল হয়ে উঠে। তবে কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তার বিষণ্ণ মনের ভার আমার উপর চেপে বসে আমাকেও পিষ্ট করা থেকে রেহাই দেয় না। এসব কিছু সত্ত্বেও তার সাথে আচম্বিতে সাক্ষাৎ ঘটে গেলে বা আমার সকরুণ আহ্বানে সাড়া দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য আমার সাথে দেখা করতে এলে, আমি তাকে সহজেই ছাড়তে পারতাম না- নানা ছল-ছুতায় চলত তাকে দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখার আপ্রাণ প্রয়াস। তাকে কাছে পেলে আমি আনন্দে ঝলমল করে উঠতাম, আর আমার থেকে ছাড়া পেয়ে সে খুশীতে বাকবাকুম করতে থাকত।
পরপর বেশ কয়েকটি ঘটনার জট পাকানোয়, সেখান থেকে নীপার বের হয়ে আসার ব্যর্থতায় ও যে কোন ভাবে হোক তাকে আটকে রাখার আমার সচেতন প্রচেষ্টায়- এক রাত্রে বাসার ছাদের দিকে উঠে যাওয়া অন্ধকার, নির্জন সিড়িতে দু’জনের মাঝে অভদ্য কিছু দু’জনেই কল্পনা করে নিয়ে নীপার সাথে পাশাপাশি বসার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। অন্যসময়ের মত এবারও আমার প্রেম-বক্তব্য শুরু হতে দেরী হয় নি, আবদ্ধ নির্জনতা পেয়ে কক্ষপথ-বিচ্যুত মহাশূন্যে ভেসে বেড়ানো গ্রহের মত দিশাহারা হয়ে উঠলাম আমি। হাহাকার ভরা কন্ঠে আমার প্রতি তার প্রেমহীনতায় ভেতরে যে রান্না করা সুজির রঙের, ফুস্কুড়ি ভরা, দাঁদ আকৃতির যে গোলাকার ক্ষত তৈরী হয়েছিল; তা খুঁচিয়ে, খামচে, আঁচরে, চুলকিয়ে, ঘষে, নখ খুটে আরো বীভৎস করে তুলে তাকে দেখানোর চেষ্টায় রত ছিলাম। বসে থাকা সিঁড়ির দুইধাপ নীচের সিঁড়িতে পায়ের পাতা রেখে নীপা এমন স্তব্ধ-নিথর হয়ে বসেছিল যে মনে হল, মোজাইক করা সিড়ির উপর সে আরেকটা সিঁড়ি বৈ কিছু নয়।
তলদেশ থেকে উঠতে থাকা জলে যেমন ধীরে ধীরে ভরে যেতে থাকে নতুন কাটা পুকুর, ঠিক তেমনিভাবে আমার চোখে জমে উঠতে থাকা জল একসময় নীচের পাতা উছলিয়ে নাকের দু-পাশ দিয়ে গড়িয়ে পড়তে আরম্ভ করে। বাম পাশের ধারাটি মুখগহ্বরের ভেতরে প্রবেশ করায় পানসে জিহবাটা নোনা স্বাদে ভরে উঠে; আর ঠিক তক্ষুনি সরল অংক কষতে গিয়ে হঠাৎ তালগোল পাকিয়ে ফেলার মত ভয়ানক আক্রোশে ফুঁপিয়ে উঠি আমি, শুনতে পেয়ে নীপা সামান্য নড়ে উঠে সাথে সাথেই আবার স্থির হয়ে যায়। গ্রীক পুরাণের অভিশপ্ত টাইটান দেবতা এটলাসের ঘাড়ের উপর অনন্তকালের জন্য চেপে বসা পুরো বিশ্বটাকে সরিয়ে নিলে সে যেমন ভারমুক্ত হবে, তার পাশে বসে থেকে চোখ হতে কয়েকটা ফোটা অশ্রুর গড়িয়ে পড়ায় এবং ভেতরের শব্দগুলোর অর্থহীন ফোঁপানোয় পরিনত হওয়ায় আমিও তেমনি হালকা বোধ করলাম। মসৃন ঢাল বেয়ে ক্ষুদ্র গোলাকার কোন বস্তু পড়তে থাকার গতিতে ফুঁপিয়ে কান্নার এগিয়ে চলা এবং চোখের অশ্রুরাশির গড়িয়ে নামা অব্যাহত রইল। একপর্যায়ে যা ঘটল তা শুনে পাঠক যতটা বিস্মিত হবেন, তার চেয়ে অনেকবেশী হতবাক হয়েছিলাম আমি। আপনারা তো শুধু আমার জবানীতে ছোট্ট ঘটনাটির সাদাসিধে বিবরণ শুনবেন, আর আমি ছিলাম ঘটনাটির কেন্দ্র। আমার ভেতরে সমাবেশ হওয়া প্রচুর সংখ্যক অনুভূতির অধিকাংশই আমার কাছে ছিল সম্পূর্ণরূপে নতুন; সেই অভূতপূর্ব অনুভূতিগুলো স্মৃতির রোমন্থনে আর কখনও জাগিয়ে তুলতে পারি নি- বুকের ভেতর পেলে একবারই মাত্র অনুভব করা যায়, তারপর সারা জীবনের জন্য থেকে যায় অধরা। আর পরিচিত যে অনুভূতিগুলো সে-সময় অনুভব করেছিলাম, ঘটনাটা শুনলে এমনিতেই সেগুলো- আমার মত অত তীব্র মাত্রায় না হলেও- অনুভব করতে পারবেন বলেই আশা করি; আর আমিও কিছুটা- সাধ্যে যতটা কুলায়- বর্ণনা করার চেষ্টা করব।
যাহোক, চলুন তাহলে এবার ঘটনাটির কাছে যাওয়া যাকঃ নীপার একটি হাত হরিণ-ক্ষিপ্রতায় এগিয়ে এসে আমার কপালের সামনের একগোছা চুল তার ছোট মুঠিতে নিল, পায়ের পাতা পিছলে নেমে এল কয়েক ধাপ নীচে, ফলে থাই দিয়ে তৈরী বুকের সামনের দেয়াল গেল সরে; এরমধ্যেই অপর হাত দিয়ে তার পরনের কামিজের প্রান্ত কয়েক ভাঁজ গুটিয়ে ধরে এক হ্যাঁচকা টানে খানিকটা উপরের দিকে উঠিয়ে মুহূর্তখানেকের জন্য থেমে সামান্য চেষ্টায় হাতের কয়েকটি আঙ্গুল ব্রা-এর নীচে সেঁধিয়ে তারপরে আরেকটা আলতো টান, বুকের ঐ-পাশটিতে আঁধার ছাড়া কোন আব্রুই আর রইল না; মুঠিতে চুলের গোছা ধরা হাতের সাহায্যে ত্বরিত মমতায় আমার মুখ টেনে নামিয়ে বসিয়ে দিল বাচ্চাদের ফুটবল আকারের তার তুলতুলে স্তনের উপর, তৎক্ষণাৎ আমার ভেতরে ঘটে গেল স্বল্পসময়-দৈর্ঘ্য সুপারনোভা ধরনের কিছু একটা। মুঠ ছেড়ে দিয়ে নীপার ফোলা ফোলা আঙ্গুল আমার চুলের ভেতর দিয়ে বইতে শুরু করে, গালের উপর টের পাই অপর হাতের বায়বীয় স্পর্শ। কয়েকমুহুর্ত পর মাছের চোখের মত তার ছোট্ট স্তনাগ্রটি আমার ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে ঢুকে জিহ্বার ডগা স্পর্শ করা মাত্রই আমার দেহ-ঘড়ির(Biological clock) কাটা যেন পুরোপুরি স্তব্দ হয়ে গেল, একপর্যায়ে ধীরে ধীরে চলতে শুরু করল; তার স্তনের উপর আমার মুখের ক্রমশ বেশী করে চেপে বসতে থাকায় গাড়ির এক্সিলেটরে চালকের পায়ের চাপ ফেলার মত বিশ্ব-সময়(universal time) এর সাথে সাথে আমার শরীর-মনের সময়-প্রবাহের গতি বেড়েই চলতে থাকল............

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০১৬ রাত ১:৩২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

টাই চাই

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: অদ্য হইতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি কার্যালয়ে ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে টাই ও বেল্ট পরিধান দণ্ডনীয় অপরাধ। কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে একবাক্যে: "কর্মক্ষেত্র ও যত্রতত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাইভেট জব

লিখেছেন রোদ্র রশিদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১০



গত পনেরো দিন ধরে নতুন ম্যাডাম ইংরেজি ক্লাস নিচ্ছেন। ট্রায়াল ক্লাস। ম্যাডামকে এখনো কলেজে পারমানেন্ট করা হয়নি। উনি খুব একটা খারাপ পড়ান না।

আজকের ক্লাস শেষে ম্যাডামের মন খুব খারাপ।
খুব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জন্য ৭-গ্রেডভিত্তিক ন্যায়সংগত সরকারি বেতন ও প্রশাসনিক সংস্কার একটি প্রস্তাবিত নীতিপত্র

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


ন্যায়সংগত পারিশ্রমিক, বেতন বৈষম্য হ্রাস, মেধার মূল্যায়ন এবং দক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি সমন্বিত প্রস্তাব

বাংলাদেশের সরকারি বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ২০টি গ্রেডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

দশ বছরের ব্লগিং—মিষ্টি মুখ হোক সবার

লিখেছেন কাওসার_সিদ্দিকী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৯

আজ আমার ব্লগিং যাত্রার দশ বছর দুই মাস পূর্ণ হলো। এই দীর্ঘ সময়ে পাঠকদের ভালোবাসা, মন্তব্য আর সমর্থন আমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাই আপনাদের সবার সাথে—তাই আজকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×