
বেশ কিছু উগ্র হিন্দু সংগঠন ধর্মান্তরকরণের এই কর্মসূচির নাম দিয়েছেন ‘ঘর ওয়াপসি’ বা ঘরে ফেরা। গরিব মানুষদের তারা হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনছে ভয় ভীতি বা নানা প্রলোভন দেখিয়ে। এর ফলে এ অঞ্চলের বৃহত্তম দেশ ভারতে ব্যপকভাবে সাম্প্রদায়িক অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।২৪ ডিসেম্বর দিল্লির আর্চবিশপ অনিল জে টি কাউটো খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ধর্মান্তরকরণ বিষয় নিয়ে তাদের
উদ্বিগ্নতার কথা জানিয়েছিলেন।কিন্তু তার উত্তরে নরেন্দ্র মোদি তাঁদের বলেন, ধর্মান্তরকরণের এ বিষয়টি মিডিয়ার সৃষ্টি। মিডিয়াই এটাকে ফুলিয়ে–ফাঁপিয়ে দেখাচ্ছে। তাঁর পরামর্শ, এটাকে এত সিরিয়াসলি নেবেন না।
মোদি সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করছেন। যদিও এই নোংরা হিন্দুত্ববাদ-ই মোদি তথা বিজেপির রাজনৈতিক চরিত্র, উন্নয়নের অঙ্গীকার এসব ক্ষমতায় যাবার সিড়ি ছাড়া কিছুই না। আর ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বানানোর মোদি বা তার দলের ৮০০ বছরের লালিত স্বপ্ন।তাই মোদি একদিকে আরএসএস ,বিএইচপি, বজরং প্রভৃতি নামধারী উগ্র মধ্যযুগীয় সংগঠনের মাধ্যমে 'ঘর ওয়াপসি’ নামে ধর্মান্তরকরণ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন এবং যাবেন, অন্যদিকে মানুষকে এসব ব্যাপার মিডিয়ার সৃষ্টি বলে দায়িত্ব এড়াবেন, এটা চরম রাজনৈতিক ভন্ডামি ছাড়া কিছুই না।তবে মোদি যদি ধর্মান্তরের বিষবাস্প এখনই নিভাতে সচেষ্ট না হন, তবে পৃথিবীর বৃহত্তম ঘনবসতিপুর্ণ এই এলাকা ভয়ংকর এক মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবার সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে।
তাই মোদিকে আন্তরিকভাবে এই সমস্যা সমাধানের উদ্যেগ নিতে হবে, অন্যথায় পুড়ে ছারখার হবে মানবতা আর সভ্যতা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


