বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলাও মূল ভূখন্ডের বাইরের কোনো অংশ নয়। কিন্তু আমার অকার্যকর মস্তিস্কে একটি বিষয় কিছুতেই বুঝে উঠতে পারে কেন দেশের একটি অঞ্চলে প্রবেশের সময় ও সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে বিভিন্ন আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে অনুমতি নিতে হবে। আমরা যখন দেশের যেকোনো যায়গায় যখন খুশী যেতে পারি এবং যখন খুশী বের হতে পারি রাতে কিংবা দিনে সব সময়। তবে কেন একটি অঞ্চলের বিষয়ে ব্যতিক্রম নিয়ম প্রচলিত থাকবে।মানুষ বা যেকোনো প্রানীর স্বভাবজাত অভ্যাস হচ্ছে সে স্বাধীনভাবে চলাচল করবে।কেউ যদি তার স্বাভাবিক চলাফেরায় বিগ্ন সৃষ্টি করে তাকে সে মৌলিক অধিকারের লংঘণ বলে ধরে নেয়।আর সেখানে পার্বত্য এলাকার জনগোষ্ঠীর লোকদের বছরের পর বছরের এক অর্থে বন্দী প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করে যাচ্ছে । যা তাদের বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডের সাধারণ মানুষের স্রোতধারায় মিলিত হওয়ার প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করছে।রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকদের একটি বিষয় অনুধাবন করতে হবে শুধুমাত্র চুক্তির মাধ্যমে কোনো এলাকা বা জাতিগোষ্ঠীর মধ্যো আস্থা আনা সম্ভব নয় ,তাদের প্রতি দেশের অন্য সবার মতো সমান আচরণ যেমন, সমাজের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর চলাচলের যে অবাধ রয়েছে পার্বত্য এলাকার নাগরিকদেরও সেই অধিকার দিতে হবে।যাতে তারা দেশের অন্য যেকোনো অঞ্চলের নাগরিকের ন্যায় রাষ্ট্র কতৃক প্রদত্ত সমান মোলিক অধিকার প্রাপ্ত নাগরিক হিসেবে ভাবতে পারেন।অন্যথায় পার্বত্য এলাকায় জন্ম নেয়া পরবর্তী প্রজন্ম বর্তমানের চেয়ে আরো বেশি করে নিজ ভূমিতে পরাধীন নাগরিক ভাবতে শুরু করবে।যা এই অঞ্চলের সমস্যকে আরো প্রলম্বিত করবে।
(পূণশ্চঃ কাছাকাছি সময়ে এই অঞ্চলে গিয়ে নিরাপত্তার বাড়াবাড়িতে আমি নিজেই ত্যক্তবিরক্ত। সেখানে ঐ অঞ্চলে যারা জন্ম নিয়েছেন , দীর্ঘদিন বসবাস করছেন তাদের মনোজগতের অবস্থা কি হতে পারে, তা কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারছি।)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


