স্টাফ রিপোর্টার :মুক্তাগাছায় দরিদ্ররা চাল পাবে ঈদের পর। চলতি কোরবাণীর ঈদে মুক্তাগাছায় হত দরিদ্ররা ঈদের পর চাল পাবে । মুক্তাগাছায় দরিদ্ররা জানান , ঈদের আনন্দ মাটি হয়ে গেছে ।মুক্তাগাছায় দরিদ্ররা চাল পাবে ঈদের পর জানা যায়,মুক্তাগাছায় ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ, জাতীয়পার্টির নেতা ইউপি চেয়ারম্যানদের রশি টানাটানিতে ভিজিএফ এর আওতায় সত্তুর হাজার দরিদ্র পরিবার কোরবাণীর ঈদে চাল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন । বঞ্চিতরা দশ কেজি চালের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের বাড়ি বাড়ি ধর্না দিচ্ছেন । সূত্র জানায়,
উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের জন্য ঈদে ৬৯১ টন ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ চালের আওতায় রয়েছেন ৭০ হাজার দরিদ্র পরিবার। কিন্তু স্থানীয় এমপি, রাজনৈতিক দলের নেতা ও চেয়ারম্যানদের দ্বন্দ্বের কারণে ওই সব পরিবার চাল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গত ঈদুল ফিতরে ৩টি দলের নেতাকর্মী ও ইউপি চেয়ারম্যানরা নিজেদের মাঝে ভাগাভাগি করে বণ্টন করেন ভিজিএফের চালের কার্ড। ওই সময় অধিকাংশ কার্ডের চালই কালোবাজারে বিক্রি হয়ে যায়। এতে বঞ্চিত হন দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা। এ ঈদে সব কার্ডই কালোবাজারে বিক্রি করার পাঁয়তারায় স্থানীয় এমপি, রাজনৈতিক নেতা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মাঝে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এসব কারণেই ঈদের আগে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
৭ নং ঘোগা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লেবু জানান, রাজনৈতিক নেতাদের তালিকা জমা না দেওয়ায় তারা ভিজিএফের চাল বিতরণ করতে পারছেন না। ৯নং কাশিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদার জানান , রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপের কারণে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা যাচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাবুল মিয়া জানান, চেয়ারম্যানদের জটিলতার কারণেই ভিজিএফের চাল ঈদের আগে বিতরণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এএসএম জাকারিয়া হারুন জানান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত তালিকা বণ্টনের চিঠি আমাকে না জানিয়েই ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে । এতে মারাত্নক জটিলতা দেখা দিয়েছে ।
সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তি জানান, প্রকৃত গরিবরা যাতে ভিজিএফের চাল পান এ জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ঈদের পর চাল বিতরণের ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



