গতকাল H.S.C এক্সামের ঢাকা বোর্ডের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় সকাল ৯টা ২৯ এ। বোর্ডের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, কিছু অংশ ফাঁস হয় নৈর্ব্যত্তিকের, সৃজনশীল ফাঁস হয় নি।
যখন সাংবাদিক বলেন, পুরো প্রশ্নই ফাঁস হয় এবং আমাদের কাছে, স্কিনশর্ট রয়েছে। তখন চেয়ারম্যান বলেন, ৩০ মিনিট আগে প্রশ্ন ফাঁস করলে কি বা আসে যায়...!
তারমানে কি দাঁড়াচ্ছে বিষয়টা? ওনি এই, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত ? জড়িত যদি না ই হয়, তাহলে, ওনি কেনো এমন মন্তব্য করলেন এবং কেনো তিনি এ ব্যাপারে কোনো গুরুতর স্টেপ নিচ্ছেন না?
কেউ পড়ে ভালো নাম্বার পায় আবার কেউ না পড়ে, প্রশ্ন পেয়ে ভালো নাম্বার পায় !
কেনো কেনো?কেনো সে না পড়ে ভালো নাম্বার পাবে ?
প্রশ্ন যেহেতু ফাঁস হতেই দিবেন, তাহলে কেনো, ছাত্র -ছাত্রীরা পড়াশোনা করবে ?
সার্টিফিকেট এমনিতেই দিয়ে দিন। কি দরকার পড়ালেখার ?
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, কেনো এসব বিষয়ে স্টেপ নেওয়া হচ্ছে না ? শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার প্রতি, আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে, এসব ভয়াবহ প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে ।
এভাবে শিক্ষার ভীতি নড়ভড় হয়ে যাচ্ছে। আমরা আমাদের জাতিকে নিজেরাই গলা টিপে টিপে ধীরে ধীরে হত্যা করে ফেলছি। এটা হয়তো আমরা এখন বুঝতে পারছি না, কিন্তুু ঠিকই ১০-২০ বছর পর এর ভয়াবহ ফল পাবো..
আশা করি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। একদিন আমরা ঠিকই বলবো, এবারের অমুক এক্সামে কোনো প্রশ্ন ফাঁস হয় নি। সেদিনের অপেক্ষায়..
বাংলাদেশ প্রতিদিনের কলাম অবলম্বনে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



