somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলা টুইট এবং কিছু কথা

২৭ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর টুইটার বার্তায় বাংলাদেশের মানুষদের স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলা ভাষায়। আমার লেখার প্রথমেই আমি আমার মত একজন বাংলাদেশীর পক্ষ থেকে তাঁকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। হয়তো তাঁর কাছে এ লেখাটি পৌছাবেনা। আমি আপাতত এটা নিয়ে ভাবছিনা।

আমাদের বাংলাদেশের মানুষগুলি আমার খুব প্রিয়। তার অনেকগুলো যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। সেটা আরেকদিন বলবো। তাই আজ সোজা মূল বিষয়ে চলে আসি।

আমরা ভারতের এবং বাংলাদেশের খেলা নিয়ে অনেক বেশিই করছি যা অনেক দিক থেকেই ভাল নয়। এর একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যাকে তাকে যেমনে সেমনে গালিগালাজ করা। এটা আমাদের মানায় না। আমরা আমাদের এমন সুন্দর এবং শ্রুতিমধুর ভাষাকে অবমাননা করে চলছি।

আমদের সাথে ভারতের মধ্যে সব দিক থেকে অনেক বেশি ব্যবধান আছে যা আমাদের অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের সমান করা সম্ভব নয়। কিন্তু হ্যা, সেগুলো ব্যবধান কমানো সম্ভব। তবে তা করতে হবে ধীরে এবং বুদ্ধিমত্তা দিয়ে যা ভারতও একদিনে করতে পারেনি। তাঁরা সেসব অর্জন করেছেন তাঁদের বিদ্যা, বুদ্ধি এবং ভালবাসা দিয়ে। বিশ্বের যেকোনো দেশে তাঁরা একটা অবস্থান করে নিয়েছে। এটা দেখিয়ে দিতে চাইনা। সবাই কম বেশি এটা জানেন। এই বিষয়ে সব চেয়ে বেশি জানেন যাঁরা প্রবাসে থাকেন।
এই ক্ষেত্রে অনেকেই বলতে পারেন যে তাঁরা আমাদের ক্ষতি করছেন। কিন্তু আমি বলবো না, তাঁরা তাঁদের দেশের উন্নতির জন্য কাজ করছেন। হয়তো এতে কিছু ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষতি সাধিত হয়।

তাই আবেগ অথবা গায়ের জোরে নয় আমাদের এগিয়ে যেতে হবে প্রজ্ঞা, ভালবাসা এবং অন্যদের সম্মান দিয়ে। আমরা কিন্তু অনেক দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি যা সবাই ভাল চোখে দেখছেনা। এতে আমাদের রেগে গেলে চলবেনা। মনে রাখতে হবে, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন!

আমাদের দরকার একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলা। আর তাজ্জন্য আমাদের একতা এবং সুন্দর একটা অর্থনীতি বান্ধব রাজনীতি চাই। তবেই আমাদের তরুণরা এগিয়ে যেতে আর কোনো বাধা থাকবেনা। আর ধীরে ধীরে আমাদের এই ছোট দেশটিও একদিন সিংগাপুর অথবা মালয়শিয়ার চেয়ে কম নয় বরং বেশিই উন্নত এবং সমৃদ্ধ একটি দেশ হবে। আর তখনি আমরা বুঝতে পারবো আমাদের অন্যরা কীভাবে মূল্যায়ন করেন। তখন শুধু আইসিসি কেন কেউই আমাদের রুখতে পারবেনা।

সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের সংগ্রামী শুভচ্ছা জানিয়ে বিদায় নিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:১৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×