আজ বই কিনতে গেলাম মিরপুর ১০ এ। খুব সমৃদ্ধ কালেকশন না বলে খুব একটা কেনা হয়নি। বান্ধবি আমি, আর এক ছোটো ভাই সেইখানে উপস্থিত ছিলাম। আর আমরা কোথাও গেলে রাস্তায় চা খাই। তো এক টং দোকানে একটা লোক কিছুক্ষন পর পর বিরক্ত করছিলো, ধোয়া ঠোঁট ব্যাকা করে বান্ধবির মুখে ছাড়ছিলো, একসসময় প্রতিবাদ করতেই হলো। মানুষের সামনে সরি বলেছে। উপস্থিত জনতা তাকে উত্তম মধ্যম ও দিয়েছে।
বাসায় ফিরছিলাম, ফেরার পথে আবদুল্লাহপুর নেমে মঞ্জিল পরিবহনের বাসে উঠি, সুইসগেট ক্রস করার পর, ড্রাইভার উঠে হেল্পার কে বসায় বাস চালাতে, আর সে তখন মোট ওয়েবিল এর টাকা আর ধান্দা মিলাতে ব্যাস্ত। হেল্পার একটু জোড়ে চালালে বাপ মা তুলে খিস্তি। পাশে চারটা মেয়ে বসা। তাকে বলেছিলাম আপনি যেয়ে বাস চালান, আর গালাগালি বন্ধ করুন। উনি বললেন চালামু না, ওরা শিখবোনা? আমরা কি বাল ফালায়া ড্রাইভার হইসি? ওস্তাদে আমাগো ও এমনে দিত।
আর কোনো কথা না বলে ঠাস করে একটা চড় দিলাম, আপু তিন টা উঠেই তাকে লাথি। হেল্পার ভয় দেখাচ্ছে ওস্তাদ রে ছাড়েন নাইলে বাস গাতায় ফালায়া দিমু। ওর ওস্তাদ রে ছাইড়া দিলাম, এর মাঝেই বাস পড়ছে জ্যামে। হেল্পার ব্রেক করার সাথে সাথে ওরে উঠায়া আইনা পিটাইছি। ইচ্ছামত। তখন ড্রাইভার হেল্পার দুইটাই মাইর খাইসে। সত্যি বলি দুইটা লাথি আর একটা ঘুষি ছাড়া কিছুই করিনি আমি। কলেজ পড়ুয়া মেয়ে তিন টা, আর মধ্যবয়স্ক আন্টিটাই পিটাইলো, আর মুরুব্বি এক চাচা।
(বাল শব্দ টা উল্লেখ করায় দুঃখিত)
আসুন চেষ্টা করি, মারতে হবে এমন নয়, প্রথমে ভদ্র ভাবে প্রতিবাদ করি। না হলে নিজেরাই নিজেদের অধিকার বুঝে নেই। এ দেশ বদলাবে। বদলাতে হবে।
বাসের মারামারি টা কাল্পনিক, তবে কথোপকথন, আর সহকারির বাস চালানো টা সত্য।
আসুন বদলে যাই, বদলে দেই।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১০:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



