করোনায় মানসিক স্বাস্থ্য =
বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্য বা, মেন্টাল হেলথ'এর বিষয়টি আমরা অনেকসময় এড়িয়ে যাই। দীর্ঘসময় ধরে এড়িয়ে গেলে এটি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ধীরে ধীরে তা ডিপ্রেশনে রূপলাভ করলে তাদের সুস্থ করে তোলাও বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই, আপনার সন্তান বা পোষ্যের মেন্টাল হেলথের দিকেও চোখ রাখুন।
এ করোনা ভাইরাসের সময়ে কানাডায় বাচ্চাদের স্কুলে যেতে বা না যেতে জোর করা হচ্ছে না। বেশিরভাগ স্কুলে 'অনলাইন' এবং 'স্কুলে গিয়ে' দুটো অপশনই খোলা রাখা হয়েছে। আমরা আমাদের আয়মানের জন্য 'স্কুলে গিয়ে' অপশনটা পছন্দ করেছি। ও এখন ক্লাস সেভেনে। স্কুলে গিয়ে পড়াশোনা এ অবস্থায় কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ। তারপরও সহপাঠী ও বন্ধুদের সাথে মেলামেশা অব্যাহত রাখতে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাচ্চাদের সামাজিক জীবন তো স্কুলেই।
করোনার কারণে মানুষ মানুষের কাছাকাছি হতে ভয় পায়, যা স্বাভাবিক। তারপরও কিন্তু পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। সুযোগমতো ভিডিও বা অডিও কল দিলে যোগাযোগ চালিয়ে যান। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রয়োজনেই এটি দরকার। শতভাগ বিচ্ছিন্নতা মানসিক বিষাদ বা অন্যান্য রোগের জন্ম দিতে পারে। একদিন হয়তো করোনা থাকবে না; কিন্তু, তখন যেন আবার কাছের মানুষগুলোর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের উদ্বিগ্ন হতে না হয়।
শুভকামনা।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


