বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে যে কাজটি করা দরকার =
ওসি প্রদীপের শ্বশুর প্রদীপকে ছয়তলা বাড়ি দান করলেও নিজের দুই ছেলেকে কখনো কিছু দান করেননি। দুই ছেলের নামে উল্লেখযোগ্য কোন সম্পদও নেই। কেমন হাস্যকর অবস্থা, তাই না? আর, ওদিকে প্রদীপের গৃহবধূ স্ত্রীও (স্বামীর অসীম আয় জায়েজ করতে) রাতারাতি বনে গেছেন বড়মাপের কমিশন ব্যবসায়ী ও মৎস্য ব্যবসায়ী।
এতো গোঁজামিলের পরও ওসি প্রদীপ তার সম্পদের যথাযথ হিসেব মেলাতে পারছে না। পিতার দিক থেকেও তেমন কিছু দেখাতে পারছে না; কারণ, তিনি ছিলেন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামান্য বেতনের দারোয়ান।
প্রশাসন বা পুলিশের চাকুরীতে এতই যেহেতু মজা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা প্রশাসন বা পুলিশ ক্যাডারে যাবে না কেন? দিনরাত পরিশ্রম করে টেকনিক্যাল লোকেরা স্বাস্থ্যব্যবস্থা, কারিগরি ও প্রযুক্তিতে দেশকে এগিয়ে নেবেন, আর ওদিকে প্রদীপের মতো সরকারি কর্মচারীরা অঢেল অর্থ-সম্পদের হিসেব দিতে হিমশিম খাবেন, তা কি যুক্তিতে টেকে?
বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে দুর্নীতির ক্যান্সারাক্রান্ত এ রুগ্ন পরিস্থিতির উন্নয়নে বছরে অন্ততঃ দুইবার সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিক ও তাঁদের আত্মীয়দের সম্পদ অর্জনের হিসেব নিয়ে পাবলিককে তা জানানোর উদ্যোগ নেয়া যায় না? তাহলে এ দিনদুপুরে ডাকাতি কিছুটা হলেও কমবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২১ ভোর ৬:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



