somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কেন সবাইকে দেখাতে গিয়ে পতাকাকে অসম্মান?

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফেসবুকে বর্তমানে অনেককেই দেখছি মেসেজ বা পোস্টে ট্যাগ করে ১৬ ডিসেম্বর ফেসবুকের প্রোফাইল ফটোতে বাংলাদেশের পতাকা দেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছে। আচ্ছা, এতে কি হবে? পৃথিবীর মানুষ আমাদের দেশের পতাকা দেখবে? নাকি আমাদের বোকামি দেখবে? নাকি দেখবে আমরা কিভাবে আমাদের পতাকাকে অসম্মান করি? ফেসবুকের প্রোফাইল ফটোতে একদিনের জন্য বাংলাদেশের পতাকা রাখলে কিভাবে পতাকার অসম্মান হয় সেটাই ভাবছেন?
আপনারা সবাই হয়তো তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণীর ক্লাসে পড়েছিলেন যে বাংলাদেশের পতাকা হতে হবে ১০:৬ অনুপাতের। অর্থাৎ ১০ ইঞ্চি লম্বা হলে চওড়া হবে ৬ ইঞ্চি। বা ৫ ইঞ্চি লম্বা হলে ৩ ইঞ্চি চওড়া। কিন্তু আমরা যখন ফেসবুকে এই পতাকা আপলোড করবো তখন তার সাইজ কতো দেখাবে? তখন তা দেখাবে ১০:১০ এ। কারণ ফেসবুকের প্রোফাইল ফটোর সাইজ ৭৬ বাই ৭৬ পিক্সেল বা ৮০ বাই ৮০ পিক্সেল। অর্থাৎ আপনি যেই সাইজের ফটোই আপলোড করেননা কেন তা ৭৬ বাই ৭৬ বা ৮০ বাই ৮০ ই দেখাবে। এখন যখন আপনি প্রোফাইল ফটোতে রেখে তা মানুষকে দেখাতে যাবেন তারাও দেখবে এই সাইজে। এটা কি পতাকার অসম্মান না?
আপনি বলতে পারেন যে ছবিতে ক্লিক করলে তো আসল সাইজই দেখবে? তাও কথা। কিন্তু তাহলে আপনি কেনোনা পতাকাটি প্রোফাইল ফটোতে দেয়ার বদলে জাস্ট টাইমলাইনে শেয়ার করছেন? এতে তো আর কারো ভুল সাইজ দেখার সুযোগ থাকছে না?
আরো একটা কথা। পতাকা ব্যবহারের জন্য একটি সরকারী নিয়ম রয়েছে যে কোথায় কখন এই পতাকা ব্যবহার করা যাবে। এবং সেই নিয়মে কোথাও লিখা নেই যে তা ফেসবুকে এভাবে ব্যবহার করা যাবে বা সঠিক কারণ ছাড়াই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। আর এই নিয়মের বাইরে গিয়েও পতাকাকে অসম্মান করাই হচ্ছে।
প্রতিদিন পতাকাকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। তা হচ্ছে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৫ টা। এবং বিকেল ৫ টায় তা নামিয়ে ফেলতে হবে। আপনি কি তা করছেন?

হয়তোবা আমি ভুল। হয়তোবা নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে। যদি হয়ে থাকে তবে আমাকে কি একটু তা দেখাবেন? আমিও জানি সঠিক নিয়ম কি!

এখানে একটি লিঙ্ক দিলাম যেখানে বাংলাদেশের পতাকার ব্যবহার নিয়ে একটি গাইড রয়েছে। চাইলে দেখতে পারেন।
পতাকা ব্যবহারের নিয়ম
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:৩২
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগ কি জরুরি ছিল?

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২২



'...শুন্যে দিলাম উড়ারে ভাই যাইতে চান্দের চর,
ডানা ভাইঙ্গা পড়লাম আমি কইলকাত্তার উপর ।
তোমরা আমায় চিনোনি... '

পাকিস্তানের জাতীয় কবি আল্লামা ইকবাল-
তার বাবাকে কথা দিয়েছিলেন তিনি কবিতা লেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

শরিয়াতন্ত্রের নিষ্ঠুরতা, ধর্মীয় উগ্রবাদ ও নৈতিক দেউলিয়াপনা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৭


পৃথিবীজুড়ে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা বাড়ছে। এই বিদ্বেষ শুধু ইসরায়েল বা তার পৃষ্ঠপোষক ডানপন্থী দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কানাডার মতো তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী এবং ফিলিস্তিনের প্রতি জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন থাকা আয়ারল্যান্ডের মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×