somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কালের বলয়
গানের কোকিল যেমন আমাকেও সেরকম ভাবতে পারেন তবে দুইটা পার্থক্য আছে কোকিলের সাথে,১।কোকিল এর গান সুমিষ্ট আর আমার গান সায়ানাইড এর মত বিষাক্ত২।কোকিল শুধু বছরে নির্দিষ্ট একটা সময় গান করে, আর আমি সারা বছর করি।আশা করি এই অধৈর্য প্রাণীটি সম্বন্ধে জানতে পেড়েছেন

কুবির খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যাকান্ড ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

৩১ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ১২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুবির খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যাকান্ড ও প্রাসঙ্গিক ভাবন!!!!!!!!!!!

সম্প্রতি কুবিতে ঘটে যাওয়া খালিদ হত্যাকান্ড ,এর পর পর ই ঘটে যাওয়া আরেক ছাত্রের সড়ক দূঘর্টনায় মৃত্যু ,এর পর হেভেন ছাত্রী নিবাসে বিস্ফোরণ,গভীর রাতে মেস থেকে অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেফতার সব মিলিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশের বিশ্বাস অনুযায়ী এখানে হয়ত বদ আছর পড়েছে না হয় শনির দশা লেগেছে বলাই যায়, তবে এটা যে কোন সমাধান দিতে পরেনা সেটা আমি আপনি বুঝলে ও হয়ত আমাদের দেশনেত্রীর হাতে গড়া উন্নত প্রশিক্ষন প্রাপ্ত আইনশৃংখলা বাহিনী এখনো বুঝতে পারেনি যে তারা আর দেশনত্রীর ভাষ্যমতে গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকরীদের আমলে নেই তারা আমাদের জনেনত্রীর ডিজিটাল বাহিনী তাদের মুখে এমন কথা মানায় না যে এখানে ব্যবহৃত বিস্ফোরক দ্রব্য সম্পর্কে তাদের ধারনাই নেই। তাহলে কি বলবো সরকারী উত্তম কুমার গণ ?আপনারা এত বছর কি করলেন যে আপনাদের ধারনাই এ ব্যাপারে ৤ আজ এত দিন হয়ে গেল বের করতে ও পারলেন না, কোন আলামত ও নাকি পেলেন না!, আচ্ছা আলামত পেলেননা তাহলে কিভাবে বললে যে এখানে কোন তরল দ্রব্য ছিল ? আবার বাহীনীর ভাষ্যমতে মেয়েরা সেখানে নাকি বিস্ফোরক তরল দ্রব্য তৈরী করছিলেন?, আমার প্রশ্ন তারা তরল দ্রব্য বানালো তাহলে প্রয়োজনীয় বিকার টেস্টটিউব সহ অন্যান্য রাসায়নিক ইকুইপমেন্ট কোথায় গেল ? তাহলে তারা কি এসব তরল শূণ্যে ভাসিয়ে রেখেছিল ?
আপনার এসব যুক্তি আপনার কাছে মাননীয় পুলিশ সুপার ! বিজ্ঞান এটা কখনো মেনে নেবে না যে কোন কিছু শূন্যে ভাসিয়ে রাখা যায়,ওসব কেবল প্যারানরমাল ব্যাপারেই সম্ভব তাও বিতর্কিত, অতএব এটা আমাদের কাছে এখন পরিষ্কার যে আমরা আপনাদের থেকে কি আশা করি আর কি পাচ্ছি! ! যদিও আপনাদের তদন্ত এমন যে আজ তদন্ত শুরু আর আগামী ১০,২০ বছর কিংবা তারো অধিক অপেক্ষা শেষে দেখা যাবে আসামী এবং ভুক্তভোগী দুই পক্ষই অক্কা পেয়ে এরা Grave Department (কবরস্থান) এ আল্লার হেফাযতে রয়েছে,অথবা মামলা চালাতে গিয়ে এখন ভিক্ষার ঝূলি নিয়ে বসেছে, কেননা আল্লাহ শেষ রাতে তাহাজ্জুদের দোয়া হয়ত কবুল করেছেন প্রধানমন্ত্রীর এত সফলতার দায় ঢাকতে ৤ যাই হোক খালেদের বন্ধুদের ধারণা খালেদ খুব ভালো মানুষ ,মেধাবী ছাত্র ছিল,ভদ্র ছিল , আমি এর বিপক্ষে যুক্তি টানবোনা কেননা ভারতীয়রা ও বাঙ্গালীরা এ ব্যাপারে খুব পটু যে জীবীত অবস্থায় পারলে তাকে তাজা খায় আর মরলে সেই জগতের মহান ,উদার,যেন অওলিয়া সাহাবী বানিয়ে দেয় কিনা সেই ভয়ে থাকতে হয় সমাজের ধর্ম সচেতন শ্রেনীকে, যাই হোক সত্য উদঘাটনের স্বার্থে আমাকে কিছুই বলতেই হবে তবে বলবো আল্লাাহ ই ভালো জানেন এবং আল্লাহ ই তার ভাল মন্দের বিচার করবেন আমরা কে ? তবে সে কতটুকু ভালো ছিল আমার বিচার করার আধিকার নাই এটা আমি নিশ্চিৎ ৤ যাই হোক সে তার হলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল এটা ছাত্রলীগ এর কুবি শাখার প্রচার সম্পাদক এর মুখের ই কথা তাছারা আমি সরেজমিনে গিয়েও দেখেছি, তাহলে কথা হলো আপনি আমি বর্তমানে ও অতীতে বহুবার দেখেছি ছাত্রলীগের নেতারা কেমন এবং কতটুকু ভালো হলে সে পদ পেতে পারে এমনকি বর্তমান যে সভাপতি তার কথাই ধরুন ,সেও ছিল একসময় সাধারণ যখনি সে তৎকালীন আহবায়ক কমিটির সভাপতি মাসুম (কেননা তখনো কুবিতে ছাত্রলীগ কোন কমিটি দেয়নি) -র হয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠলো ব্যাস সে টপে উঠতে থাকলো,সেই জুনিয়র ছেলেটাই এখন সভাপতি, আবার তার আগে যখন ইলিয়াস হোসেন (সবুজ) মাসুম এর হয়ে লড়েছিল তখন সেই ই ছিল তার ডান হাত সেও বহু তান্ডব চালিয়েছে অতীতে এখনো চালাচ্ছে, এভাবে শুধু কুবিতে কেন সারা বাংলাদেশে এমন কোন ছাত্রলীগ নেতা পাওয়া যাবে যে বা যারা এরকম তান্ডব চালায়না ? যাই হোক আমরা না হয় তাকে ভালই ধরলাম কিন্তু এই যে ইলিয়াস যে কিনা অস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়ে আবার জামিন ও পেয়েছে, ব্যাস! জামিন পেয়ে এবার তার শক্তি আরো বেড়েছে এখন সে বলে বেড়াচ্ছে তার ক্ষমতার গুনগান ৤ গত কয়েক বছরে যতগুলো টেন্ডার এসেছে সে সেগুলো পেয়েছে আর কচ্ছপ গতিতে কাজ আর আলোর বেগে বক্তব্য চালাচ্ছে এতে অবশ্য কতিপয় শিক্ষক নেতারা ও কম বকছে না তার পক্ষে ,উপাচার্য ই বা কম কোথায় ? তার বক্তব্যের শুরূ শেষ যেন ছাত্রলীগ ই ! এ কথা আমার না এ কথা ক্যাম্পাসের নাম জানাতে অনিচ্ছুক প্রায় ডজন খানেক ছাত্রছাত্রীর,আবার বিস্ফোরণ এর ঘটনা শেষে সাংবাদিকদের বল্লেন ”ক্যাম্পাস বন্ধ মেয়েরা এখনো বাসায় না যেয়ে এখানে কি করে ? আমরা এর দায় নিতে পারবোনা ” উপাচার্য মহোদয় আপনি হয়ত আইনের মারপ্যাচে বেচে গেলেন কিন্তু মানবিকতা বলে একটা কথা কিন্তু এখনো পৃথিবীতে আছে ৤ অনেক সময় মধ্যবিত্তের পরিবারের একটি ছাত্রছাত্রীকে টিউশনি করেই পড়াশোনার খরচ চালাতে হয়, আমি ঢাবির ও আমার সহপাঠীদের অনেককেই দেখেছি এই টিউশনির টাকা দিয়েই আদরের ছোট্ট ভাই বোনটার জন্য ফার্মগেটের ফুটপাত থেকে ঈদের জামা কিনতে, কখেনো কখনো ওর টিউশনির টাকা না পাঠাতে পারায় হয়ত তার বাবাকে কিস্তির টাকা ও দিতে পারে নি বলে সবার সামনে এন জি ও কর্মকর্তার অপমান ও সহ্য করতে হয়েছে অথচ এই যে ছেলেটি হয়ত ভবিষ্যত কোন এস পি ,ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর, আপনিও হয়ত কখনো শুনে থাকবেন এসব ঘটনা ,বুক ফাটা এই বেদনা,আকাশ বাতাস ভারী হয়ে আসবে এসব শুনলে তাই আপনার এই কথামত বাসায় যেয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে না ওর চলবেনা আর দীর্ঘদিন ছুটিতে থাকলে আপনি হলেও আর অই স্যার কে পরের মাসে আপনার বাচ্চা জন্য রাখবেন না, হয়ত এই মেয়েরা এরকম পরিবারের না কিন্তু আপনি জানেন কি এখানো ক্যাম্পাসের আশেপাশে বহু ছাত্রছাত্রী জীবনের ঝুকি নিয়েও আছে শুধুমাত্র টিউশনিটা টিকিয়ে রাখার আশায়,বোনের ঈদের জামা আর বাবার কিস্তির গ্লানী মেটাবার আশায়, পুরো পরিবার অই ছাত্রছাত্রীর আশায় আছে কবে ছেলেটা একটা চাকুরী করবে আর তাতে তাদের সব দু:খ ঘুচে যাবে অথচ কিনা তারা প্রথমত আছে সেশন জটের চিন্তায় আর দ্বিতীয়ত আছে আপনার কথামত জীবনের ঝুকিতে কিন্তু তবুও যে তাদের থাকতে হবে না হলে পরের মাসে মেসের ভাড়া মিল খরচ দিবে কোথা থেকে? টাকার কথা তো আর মুখে বললে সারেনা ? ও তাছারা এই ইলিয়াস এর ব্যাপারে নারী বাজীর প্রমান আছে ব্যাপক এমনকি প্রতি বছর নতুন ছাত্রীদের মধ্যে একজন তার জন্য চাই ই এতে সে রাজি থাক বা না থাক ঠিক যেন বাংলা সিনেমার দৃশ্য ৤ আর মেয়ে যে ডিপার্টমেন্টের সেই ডিপার্টমেন্টের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নির্ভর করে নেতার প্রিয়ার পরীক্ষা প্রস্তুতির উপর ৤ গতকাল দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে দেখলাম ১ তারিখ খালেদ হত্যার অই ঘটনায় ১ তারিখ থেকে অনির্দিষ্টকালের বন্ধ ঘোষনায় প্রায় ১২৬ টি চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে ,সেশন জটে পড়ে গেছে কুবির প্রতিটি বিভাগ আর প্রশাসন সেখানে কিছুই করতে পারছেনা কোন আশার বাণীও শোনাতে পারছেনা উল্টো সাংবাদিকদের কাছে ছাত্রছাত্রীদের নামে বলছে EMBA এর ছাত্রছাত্রীরা ভাল আর রেগুলাররা মারামারি করে উল্ল্খ্যে যে উনি নিজেও EMBA তে ক্লাস নেন ৤ এখন প্রশ্ন আপনি ই তো তাদের এত প্রশংসা করেন এখন কেন এটা বলে ওদের জন্য পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্রছাত্রীদের কে ভোগাচ্ছেন ৤ দায় দিচ্ছেন সবাইকে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা কি দোষ করেছে স্যার ? আপনি কি পারবেন এর জবাব দিতে ? কোথায় সোনার ছেলের জননী পারবেন এর জবাব দিতে কেন কুবি আজ উত্তাল ? পারবেন অই মেয়ের মাকে সান্তনা দিতে যে নামায ই পড়তোনা ঠিক মত ছিল চন্ঞল সাধারণ মেয়ে তাকে বানালো বিষ্ফোরকের আসামী যাকে নিয়ে তার হিন্দু বন্ধুরা পর্যন্ত ফেইসবুকে এভাবে স্ট্যাটাস দিয়েছে আমি সেই অংশ টুকু কপি করে দিলাম,
View Edit History
------------------< ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-(কুবি)
একটা মেয়ে কখনো নামাজ পরত না ঠিকমত,,
জিন্স পরত, সার্ট পরত, পাশ্চাত্য কালচার এ থাকত,, সে কিভাবে ছাত্রী সংস্থার সাথে জড়িত সেটাই সবার কাছে আমার প্রশ্ন?
তবে আমরা আশাবাদী আমাদের দেশ একদিন এইসব জঙ্গী মুক্ত হবে যারা ধর্মের দোহাই দেয় ,আর সন্ত্রাস কায়েম করে বেড়ায় ৤ আমরা আফগানিস্তান হতে চাইনা আমরা পাকিস্তান হতে চাইনা আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ এ সত্যিকার স্বাধীনতা চাই , মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ চাই ৤

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১৭ রাত ১:০৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একান্ত ভাবনা

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

একবার রিয়েক্টর ফিজিক্স ক্লাসে আমাদের একজন শিক্ষক বলেছিলেন, "এই দেশে আসলে সবাই সবার সঙ্গে বাটপারি করে।" কথাটা শুনে প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু যতদিন গেছে, চারপাশটা যতটুকু দেখেছি, ততই মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×