
বন্যা কবলিত মানুষের আর্তনাত কে শুনে?বিপর্যয়ে বিধস্ত বানভাসির হা হা কার কে শুনে?শোক দিবসের মাতনে তা পত্রিকার শিরোনাম থেকেও বিচ্ছিন্ন।যা কিনা সমাজের প্রতিচ্ছবি স্বরূপ!!!গোটা গোটা বড় কালো অক্ষরে ঠাঁয় করে নিয়েছে পত্রিকার এপিট ওপিট শোকের মাতনে আর কাঙালি ভোঁজের ব্যস্ততার কাছে বন্যার্তদের আর্তনাদ সমীচিনই বটে।
বলা হচ্ছে ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও অতিক্রম করবে এবারের বন্যার ভয়াবহতা পূর্ব প্রস্তুতির আলামত তো নেইই,তাৎক্ষণিক মোকাবেলা করা তো দূরের কথা।প্রাকৃতিক দূর্যোগ তাৎক্ষণিক ভাবে মোকাবেলা করা অতীব জরুরী অন্যথায় একটুর জন্য প্রাণে বাঁচানোর আপছুসে সারাজীবন ভোগতে হয়।একদিনের শিথীলতা ভয়াবহ ঝুঁকির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।বন্যা মোকাবেলার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়াটাই শ্রেয়।তা না হলে পত্রিকার প্রধাণ শিরোনামে শুধু বন্যায় কবলিত মত্যুর সংখ্যাই দীর্ঘ হবে।
কালো ব্যাচ পড়া শোকদিবস উদযাপনের আহামরিতে যে কত মানুষের আর্তনাতের আহাজারি শুরু হয়েছে তা বন্যা কবলিত মানুষরাই জানে।তকমা লাগিয়ে মাইকবাজি,ভোঁজবাজি,চাপাবাজি,তেলবাজিতে যত টাকা অপচয় হয়েছে এই টাকাটা যদি বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য ব্যায় করা হতো তাহলে কত মানুষের আর্তনাদ থামানো যেতো একবার ভেবে দেখেছেন কি?
মাইকের আওয়াজে বন্যার্তদের আর্তনাত তাদের কর্ণ পর্যন্ত আদৌ কি পৌছাবে???তারা মনে করে,বন্যা আসবে,মানুষ মরবে,আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হবে, বন্যার্তদের সাহায্য হাত বাড়ানো ছবি খবরের প্রধাণ শিরোনাম হবে,কত মেট্রিক টন সাহায্য আসলো,কত মেট্রিক টন চুরি গেলো হিসাব কষা হবে। টিবি কিংবা পত্রিকার নিউজের খোড়াক হবে।এ বছরের বন্যায় কতজন মারা গেলো সাহায্য কে দিলো?কে দিলো না?তা নিয়ে টকশো শোরগরম হবে।বন্যা শেষে পানি নিস্তেজের সাথে সাথে নিস্তেজ হয়ে যাবে সব সুশীল সমাজের বকবক।তাদের পরবর্তী পরিস্থিতি কি কেউ ভুলে জানতেও চাইবে না!!!!!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




