সকাল বেলা পত্রিকা পাতা খুলেই মনে হল কি আজব দেশ কি আজব লোকজনের বসবাস। বিশ্বাস করা যাই না আমদের সমাজে কি করে এইরকম বিশ্রী মানুষের জন্ম হচ্ছে। আবার ধর্ষণ নামক বিশ্রী কাণ্ডটি ঘটনা ঘটালেন একেই কায়দায় । ঘটনা একেই এলাকাই একেই আদর সুহাগে বড় করা কোন ধনপতির ছেলে। রক্ত চুষে খাওয়া এইসব বিশ্রী পরিবারের কাছে কত মেয়ে যে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে তা হয়ত আড়ালেই থাকবে। এরা আমদের এই সমাজটাকে নষ্ট করে দিচ্ছে । সকল পত্রিকা গুলু ফলাও করে চেপেছে শিরোনাম দিয়েছে "বনানীতে ফের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে তরুণীকে ধ্ষণ"
নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছে এই জাইগায় হয়ত আমার পরিবারের কোন সদস্য থাকতে পারত ।
তখন নিজেকে কীভাবে সামলাতাম?
ভিকটিম পরিবারটির বর্তমান কি অবস্থা?
মরা কি কখনও ওদের কষ্টটা ওদের মত অনুভব করতে পারব?কখন না।
অতীতের ঘটনাগূলূ যদি বিচার হতো তাহলে হয়ত একটু হলেও কমতো।আমরা হয়তো বড়লোকের বা আবিজাত্য জায়গার নোংড়া মানুষদের নিয়ে বেশী ভাবতে পছন্দ করি। আমরা হয়ত ভুলে গেছি হজরত আলী ও তাঁর মেয়ে ধর্ষণের বিচার না পেয়ে ট্রেনের নিচে জীবন দেওয়ার ঘটনা। হয়ত কিছুদিন আলোচনা হবে তারপর হাওয়ায় মিলে যাবে। এইভাবেই হয়ত ভুলে যাবে বিচার না পাওয়া মানুষগুলো। বিচারহীন সংস্কৃতি একসময় স্বীকৃতি পাবে বলে মনে হচ্ছে। গতকাল অনলাইনে দেখলাম ভারতে ধর্ষণকারীকে মহিলারা রশি দিয়ে বেঁধে মহিলারা বিচার করেছে। ছোটকালের মানুষের মুখে শুনা একটা ঘটনা মনে পড়ল ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের এই ধরেনের ঘটনার জন্য একজনের নলীতে মানে ধনে/বগাতে(আঞ্চলিক বাংলায়) ইট বেঁধে লেংটা ও মাথা নেরা করে চুন কালি দিয়ে এলাকায় গুড়িয়ে শাস্তি দিয়েছিলো । ঘটনাটা খানিকটা বিশ্বাস করেছিলাম এইজন্য যে একসময় ঐ এলাকায় ডাকাতি কমন জিনিষ ছিল ।কেও কাউকে ছাড় দিতো না। আমর মনে হয় এখন হয়ত এই কাজ করা গেলে একটু হলেও থামত। অথবা নলীটা মানে ধনটা প্রকাশ্যে কেটে শাস্তি কার্যকর করা যেতো তাহলে একটু হলেও কমতো।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



