এই দিন সেই দিন। একাত্তরে যেই দিন বাঙালি প্রথমবারের মতো উড়িয়েছিল মানচিত্রখচিত লাল সবুজের পতাকা। আর হ্যাঁ! সেই দিনের এই দিনে, সেই একই চেনা শত্রু, সেই পাকিস্তানিদের ক্রিকেট লড়াইয়ে বধ করার পর শেরেবাংলার গ্যালারিজুড়ে উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটপ্রেমীর মাথার ওপরে উত্তাল ঢেউ খেয়েছে আমাদের প্রাণের লাল সবুজের বিশাল পতাকা। ৩০ লাখ শহীদের মতো যে পতাকায় মিশে আছে ক্রিকেটার জুয়েল আর মুশতাকের রক্তও। ঐতিহাসিক পতাকা দিবস উদযাপনে এর চেয়ে বড়ো উপলক্ষ আর কী হতে পারে! জাতি হিসেবে এমন অর্জন আমাদের জন্য কম কিসে!
পুনশ্চ: খেলার সাথে রাজনীতি আপনি মেশাতে না পারেন। কিন্তু আমি মিশাই। যেমনভাবে মিশিয়েছিলেন শহীদ ক্রিকেটার জুয়েল-মুশতাক আর ক্রিকেটার রাকিবুল হাসান।
এবার ভিন্ন প্রসঙ্গ। সাকিবের ব্যাট দিয়ে সেই উইকেটে আঘাতের ঘটনা। মনে আছে বিপিএলের খেলায় এক মা সাকিবের বদলে মাশরাফির দলকে (ইয়াং মায়েরা তাই করবেন) সমর্থন করছিলেন বলে একটা বাচ্চা ছেলে কেঁদে-কেটে একাকার হয়েছিলো। এটা তার ভাবনারও অতীত যে কেউ সাকিবের বিপক্ষ দলকে সমর্থন করতে পারে।
আজ সেই ব্যাট দিয়ে উইকেটে আঘাতের ঘটনার পর যখন বলছিলাম সাকিবের ম্যাচ ফি কাটা যাবে, এমনকি সে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়ার খাড়ায়ও পড়তে পারে; তখন অন্য একটা বাচ্চা ছেলে কেঁদে-কেটে বুক ভাসিয়েছে। সাকিব খেলতে পারবে না, তার শাস্তি হতে পারে; এটা তার ভাবনারও অতীত।
কথাগুলো এজন্য বলছি যে, আমাদের সন্তানদের কাছে ভালোবাসার ডাকনাম সাকিব আল হাসান। তাকেও বোধহয় বিষয়টা মাথায় এবং হৃদয়ে রাখা উচিত।
পরিশেষে ‘বাবা আমার কাঁধ ছুঁয়ে বলেছিলেন, দেখিস, একদিন আমরাও... ’
বাবার অন্ধ হবার দরকার হয়নি, আমাদের দেখা হলো অনেক কিছুই,
জয়, জয়, আর জয়
আমাদের ফেরানোর সাহস কেউ-ই রাখে না।
পুনশ্চ : ইসলামাবাদের পতন ঘটিয়ে দিল্লী অভিমুখে বাংলার টাইগার বাহিনী

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৬ রাত ১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


