somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে পড়ে। শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলের কথা বলি।

কিন্তু ঢাকার দিকে একটু তাকান। কোভিড, রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও ২০১৮ সালের পর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে ঢাকাকে ঘিরে চারটা বড় এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি হয়েছে।

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে বা ৩০০ ফুট সড়ক।

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

ভাবা যায়?

একটা শহরকে ঘিরে কয়েক বছরের মধ্যে এত বড় বড় যোগাযোগ অবকাঠামো তৈরি হওয়া ছোট কোনো ব্যাপার নয়।

এই এক্সপ্রেসওয়েগুলোর ফলে ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ অনেক সহজ ও দ্রুত হয়েছে। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জের মতো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা থেকে ঢাকায় যাতায়াতে বড় পরিবর্তন এসেছে। আবার পূর্বাচল ও ৩০০ ফুট সড়কের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুরসহ পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগও আরও সহজ হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ঢাকার ওপর নির্ভরশীল কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে নতুন বিকল্প তৈরি হয়েছে - যাতায়াতের সময় কমেছে, পণ্য পরিবহন সহজ হয়েছে এবং ঢাকার যানজটের চাপও ভাগ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

অর্থাৎ ঢাকার চারপাশে শুধু একটা-দুইটা নতুন রাস্তা হয়নি - একটা বড় যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে।

প্রকল্প তৈরিতে জমি অধিগ্রহণ, বিদ্যুৎ ও গ্যাসলাইনসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি সরানো, নকশাগত পরিবর্তন সমস্যা থাকলেও প্রকল্প থেমে যায়নি। বরং ২০২৬ সালে এসে এর দৃশ্যমান সুফল পাওয়া শুরু হয়েছে। ধউর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় নির্মিত দুটি সার্ভিস সেতু এখন যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে ভালো বিষয় - এই সেতু দুটিতে কোনো টোল লাগছে না।

শেখ হাসিনা সরকারের বড় একটি বৈশিষ্ট্য ছিল বড় পরিসরে চিন্তা করা এবং বড় প্রকল্প নেবার সাহস। যে কাজগুলোকে অসম্ভব বা অনেক বড় মনে হয়েছে, সেগুলো নিয়েও তার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বাস্তবায়নের দিকে এগিয়েছে। একটার পর একটা অবকাঠামো প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোর সুফল আজ মানুষ পাচ্ছে, আর যেসব প্রকল্প এখনো শেষ হয়নি, সেগুলোর সুফলও ভবিষ্যতে মানুষ পাবে।


সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৭
১০টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×