এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু চক্র। দারিদ্রতা নিয়ে ব্যবসা করে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ব্যবস্থা!
মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা। ফেসবুকে রিলসে দেখবেন, বেশ কিছু রিলস আমি পাইসি। মানুষের বাসা থেকে প্রতিদিন টিফিন ক্যারিয়ারে করে কী কী খাবার আসে, সেটার ভিডিও আপ্লোড দেয়! ভিডিওতে আবার লিখে দেয়, অমুকের বাড়ির খাবার! খাচ্ছে ভিক্ষে করে, তার আবার প্রদর্শনী! মানুষ কী নির্লজ্জ হয়!
এরা মাদ্রাসায় পড়ে মূলত তিন চারটে লক্ষ্য নিয়ে। ইমাম, মুয়াজ্জিন, মুহতামিম ফলোড বাই নতুন আরেক মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হবে! প্রতিষ্ঠা করেই আজকে টিন নাই, কাল ফ্যান নাই পরশু চাইল নাই! শুরু হয়ে যায় ভিক্ষাবৃত্তি! এরা কোন কাজ করে খাবে না! এই শতাব্দীতে এসে, এত বড় কর্মবিমুখ সমাজ বাংলাদেশে আর নাই!
যারা হাল্কা একটু চালু, তারা মধু বেচে, লিঙ্গ দাঁড়ানোর জন্য হানি নাটস বেচে। আদারোয়াইজ, মোটা দাগে এরা ওই তিন চারটে লক্ষ্যে বাইরে যেতে পারে না।
ইমাম-মুয়াজ্জিন যারা হয়, তাদের অবস্থা শোচনীয়। সেম গোজ ফর মুহতামিম। বেতন স্কেল সিকিউরিটি গার্ডের চেয়ে খারাপ। ভাত কাপড়ের যোগান দিতেই ত্রাহি অবস্থা হয়, সেখানে বাড়ি যাওয়া বিলাসিতা। আবাসিক পরিবেশ। বেতনের টাকায় বছরে এক দুইবার যায় বাড়িতে। বিনোদন হইল সোশ্যাল মিডিয়ার সফট পর্ণ! কিংবা রাতের বেলা বিভিন্ন ওয়েবসাইট! এই পরিবার থেকে দূরে থাকা, দিনের পর দিন অবদমিত কাম, রাতের বেলা এদেরকে পশুতে পরিণত করে ফেলে, যার পরিণাম এই বলাৎকার!
কেউ কেউ হয়ত বাসায় বলে, যাদের অবিভাবক আছে। আপনে ভুলে যায়েন না, এতিম যারা আছে, তাদের কিন্তু বলার জায়গা নাই! দিনের পর দিন, এই পাশবিকতা সহ্য করে যায়! একটা সময় ভেবে নেয়, এটাই স্বাভাবিক!
বিভিন শহরের মোড়ে মোড়ে মাদ্রাসা, আবাসিক মাদ্রাসা, মহিলা মাদ্রাসা! অথচ দিন শেষে কী হচ্ছে খবর নাই! আমি একবার আমার পরিচিত মাদ্রাসা ছাত্রকে জিজ্ঞেস করছিলাম, দুপুরে কী দিয়ে ভাত খাইছ? মাছ না মাংস? উত্তরে বলসিল, মাদ্রাসায় কাকা রান্নার পর আলাদা করা কষ্ট! মাছ নাকি মাংস নাকি সব্জি!
ঢাকা মেডিকেলে গেলে দেখবেন, প্রচুর গ্রোথ রিটার্ডেশানের রোগী। বয়স অনুযায়ী যতখানি লম্বা হবার দরকার ছিল, হয় নাই। কেন হয় নাই? অপুষ্টি! খোজ নিলে দেখবেন শতকরা ৯৯.৯৯ ভাগ ই মাদ্রাসার স্টুডেন্ট।
মাদ্রাসার পোলাপান রে যেমনে পিটায়, দেখলে মনে হয় রিমান্ডে নিসে। এত অভিযোগ, এত কিছু তারপরেও দেখবেন, এই মালাউনদের ঈমানী জযবাতির শেষ নাই! কেন জানেন? এরা চিন্তা করতে জানে না, চিন্তার শক্তি এদের নাই।
কেন নাই? কারণ ওই যে বললাম-এদের জ্ঞান অতটুকুই, যতটুকু হুজুর তাকে ছোট বেলা পেছন দিয়ে দিছে...।
.....লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগ্রহ করা।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




