বিএসএফ এর রক্তের নেশা ড্রাকুলাকে হার মানিয়েছে অনেক আগে। পাখি মারতে মানুষের অন্তর কাঁপলেও মানুষ মারতে বিএসএফ এর তাও হয়না। ফেলানীকে হত্যার পর ভারত কঠিনভাবে ওয়াদা করেছিল সীমান্তে আর বাংলাদেশীকে হত্যা করা হবেনা। কিন্তু এক মাসও না পার হতে আবারো বাংলাদেশীকে বিভৎস কায়দায় হত্যা করলো বিএসএফ। পুলিশ ও বিজিবি সূত্র জানায়, বুধবার রাতে বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী ভারত থেকে গরু নিয়ে দেশে ফেরার পথে বেনাপোল পুটখালি সীমান্তের উল্টোদিকে ভারতের আংরালী সীমান্তের বিএসএফ সদস্যরা ধাওয়া করে। এ সময় অন্যান্যরা পালিয়ে যেতে পারলেও ইসরাফিলকে ধরে ফেলে বিএসএফ সদস্যরা। পরে তাকে বিএসএফ ক্যাম্পে নিয়ে বিদ্যুতের শক ও পিটিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে তাকে ফেলে দেয় বাংলাদেশ সীমান্তের ইছামতি নদীতে। পরে ইসরাফিলকে নদী থেকে উদ্ধার করে শার্শার বাগআঁচড়া কিনিকে ভর্তি করে দিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তিনি মারা যান।
জানুয়ারীর তরুনদের সেই প্রতিবাদী মানববন্ধন আবারো রাজপথে নামতে হবে। বাংলাদেশ-ভারতের খেলায় বিশ্ববাসীর কাছে বিএসএফ এর হিংস্র হত্যাকান্ড তুলে ধরতে হবে। তরুনদের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কি পরিমান ক্ষমতা মিসরের মোবারক দেখেছে। ভারতও দেখবে একদিন। ইনশাআল্লাহ।
সুত্র- View this link
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


