সময়ের প্রয়োজনে কিছু শব্দ উদ্ভাবিত হয়। যেমন- প্যারা, জোশ, ফাটাফাটি, অসম, হ্যাব্বি, ম্যাওপ্যাও, জটিল, প্রীশু, শুশু আরও অনেক অনেক শব্দ। প্রচলিত অর্থ ছাড়াও এই শব্দগুলো বিভিন্নভাবে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। কিছু শব্দ তারারাতি তারকা বনে যায় আবার একটা সময় ভাটা পড়ে। হাস্যরসে ভরা এই শব্দগুলো নিয়েই এবারের আয়োজন।
প্যারা-
সম্প্রতি বাস্তবে ও অনলাইনে প্যারা শব্দটির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ করা যাচ্ছে। অফিসের কাজে এত প্যারা আর ভাল লাগেনা দোস্ত। হেড অফিস থেকে আঞ্চলিক অফিসে বদলী হবো ভাবছি। বলল আমার এক বন্ধু।
এত প্যারা সহ্য করে থাকবে কেন ? চলে এসো লোকাল কেন্দ্রে, তাৎক্ষণিক আমার জবাব।
জোশ-
এর প্রচলন এখন তেমন নেই। কিন্তু এক সময় ছিল। কথায় কথায় বন্ধু বান্ধবরা বলতো-
আজকে তোরে জোশ লাগতাছে।
দোস্ত দেখ মাইয়াডা জোশ না।
ছবিটা দেইখা হালার শইলে জোশ আয়া পড়ছে।
ফাটাফাটি-
এই শব্দের ব্যবহার এখনও কিছুটা আছে।
সেদিন ই শোনলাম কেউ একজন বলছে- বান্ধবীর বিয়েতে ফাটাফাটি একটা সাজ দিমু।
কে রান্না করছেরে খিচুড়ী, ফাটাফাটি হইছে।
অনেক দিন পর তোর সাতে দেখা হবে। দারুণ ফাটাফাটি ব্যাপারতো!
অসম-
এইতো মাত্র কিছুদিন হলো এর চাহিদা কমেছে। এই শব্দটা যখন চালু হয়। প্রথম বঝতে পারিনি কেন অসম বলা হচ্ছে।
নতুন ফোনটা অসম হইছে।
বন্ধু তোর কথাটা অসম।
গানটা খালি শুনতে মন চায়। অসম একটা গান।
তোর লাকটাতো অসম।
হ্যাব্বি-
হ্যাব্বি শব্দটা হঠাৎ এল, হঠাৎ গেলো।
তোকে হ্যাব্বি লাগছে।
দোস্ত তোর চোখ টিপ মারা হ্যাব্বি হইছে।
শালায় হ্যাব্বি খাইছে।
হ্যাব্বি মাল কামাইছছ।
ব্যাপক-
কি শুনাইলি দোস্ত। ব্যাপক বিনোদন।
ব্যাপক সুড়সুড়ি দিলি। এবার থাম।
তুই ব্যাপক ক্যাচাল শুরু করছছ।
না ভাই এটা কিনা যাইবনা। ব্যাপক দাম।
জটিল-
শব্দটার ব্যবহার একেবারে কমে গেছে। তবুও কম বেশি চলে।
প্রশ্নটা যেমনই হোক উত্তরটা জটিল হইছে।
কায়দাটা জটিলতো।
ভাই মালডা কিন্তু জটিল।
আচারের স্বাদটা কিন্তু জলিট লাগলো।
আজব-
ভাই পথ দেইখা চলতে পারেন না। গায়ের উপর আইসা পড়ছেন। আজবতো।
কি আজব। তুমি ব্যাপারটা বুঝতাছ না ক্যা।
আমি এমনটা চাই নাই তবুও পাইলাম, আজব না।
কঠিন-
ওই পোলারে চিনছা, পোলাডা কঠিন মাল।
কি সুন্দর কারুকাজ, কঠিনতো।
তুইতো দারুন কঠিন, সহজে গলছ না।
ম্যাওপ্যাও-
শব্দটি ব্লগীয় শব্দ। আবিষ্কারক চাঁদগাজী সাহেব। ব্লগেই এর ব্যবহার বেশি।
এসব ম্যাওপ্যাও করে কি লাভ।
মিয়া থামান আপনার ম্যাওপ্যাও।
কি সব ম্যাওপ্যাও করতাছে।
প্রীশু, শুশু-
এটিও ব্লগীয় শব্দ। প্রীশুর প্রথম প্রচল করেন ব্লগার স্রাঞ্জি সে। শুশু কার আবিষ্কার জানা নেই।
প্রীশু নিয়েন।
প্রীশু রইল।
ধন্যবাদ। প্রীশু।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



