
ঘূর্ণিঝড় মানেই আতঙ্ক।ঘূর্ণিঝড় মানেই লন্ড ভন্ড জনপদ, মৃত্যু, কান্না, ক্ষয় ক্ষতি। সম্প্রতি তিতলি আমাদের তিতা করে দিয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ নিয়ে পর্যালোচনায় দেখা গেছে আবহাওয়াবিদরা নারীদের নামেই বেশিরভাগ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে আবহাওয়াবিদরা প্রেমে প্রত্যাখ্যাত, সফল না হওয়া, পাত্তা না পাওয়ার কারণে সেই প্রেমিকাদের খেপাতে বা রাগাতেই নারীর নাম দিয়ে থাকেন।
ঘূর্ণিঝড়ের যে নামগুলো নারীদের নামে তা হলো-তিতলি, লুবান,আমপান, সোবা, ফেথাই, দায়ে, বাজু, অক্ষি, মোরা, সামা,নাদা, ভরদাহ, ভালি, মেঘ, চপলা, প্রিয়া, হুদহুদ, নিলুফার, মাদী, নানাউক, লহর, ফাইলিন, হেলেন, নিশি, রোয়ানু, রিশমি, বিজলি, নার্গিস, ক্যাটরিনাসহ আরও অনেক অনেক ঘূর্ণিঝড়ের নাম আছে নারীদের নামে।
আবহাওয়াবিদদের ভাস্যমতে, সতর্ক করার জন্য, বিভিন্ন সংকেত, জলযানগুলোর জন্য ঝড়ের পূর্বাভাসসহ বিভিন্ন তথ্য খুব সহজে আদান-প্রদান এর জন্য ঘূর্ণিঝড়ের নামগুলো খুব সহজ-সরল রাখা হয় যেন মানুষ সহজে বুঝতে পারে। সাধারণ মানুষের বুঝার জন্যই এত সুন্দর সুন্দর নাম দেওয়া। আগে থেকেই নামগুলো নির্ধারণ করা হয়। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীনে আঞ্চলিক কমিটি তৈরি করে বিভিন্ন সাগরের ওপর ভিত্তি করে। এই গ্রুপগুলো কয়েকটি দেশের দায়িত্বে থাকে এবং নামকরণ করে।
প্রথম দিকে অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশের উপর ভিত্তি করে ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হতো কিন্তু মানুষ তা বুঝতনা। ২০০০ সালের পর থেকে নারীদের নামেই ঘূর্ণিঝড়ের নাম করণ করা হয়ে আসছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ওমান-কে নিয়ে একটি গ্রুপ । এই গ্রুপের নাম স্কেপে। স্কেপের প্রস্তবনা অনুযায়ী-প্রতিটি দেশ থেকে ১০টি করে নাম চাওয়া হয় এবং জমা নেওয়া হয়। পরে এখান থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হয়।
এখন কথা হচ্ছে আবহাওয়াবিদ যদি অধিক সংক্ষক নারী হতেন তবে কি তারা প্রত্যাখ্যাত হওয়া তাদের প্রেমিক পুরুষের নামে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম রাখতেন ?
তথ্য কৃতজ্ঞতা- ১২/১০/১৮ইং তারখের সমকাল।
ছবি কৃতজ্ঞতা-গুগল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


