
[

১। স্কুলে ছাত্র ছাত্রী ৩০০০ প্লাস।
২। বিদ্যালয়ের মোট কক্ষ সংখ্যা ২২/২৩ [অফিস, শিক্ষক মিলনায়তন, বিজ্ঞানাগার [যদিও এটা নামে মাত্র কার্যক্ষেত্রে এটার অস্তিত্ব নাই বললেই চলে], প্রধান শিক্ষকের কক্ষ, লাইব্রেরী ইত্যাদি সহ।]
৩। শ্রেণিকক্ষ ১৭/১৮টি।
৪। এমপিও ভুক্ত শিক্ষক ১২ জন।
৫। প্রাতিষ্ঠানিক বেতনে শিক্ষক ১১/১২ জন।
৬। অপরিসর শ্রেণিকক্ষ। [শ্রেণি ছাত্রছাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৬০/৭০ জন]
৭। ক্লাস ডিউরেশন- ৩৫ মিনিট
৮। প্রতি ক্লাসে ছাত্রছাত্রীর অংশগ্রহণ ১৫০-১৬০ জন। কোন কোন শ্রেণিতে আরো বেশী সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি।
৯। শাখা অনুমোদন নেই অর্থাৎ শাখা শিক্ষক বিহীন এমন প্রতিষ্ঠান।
১০। কোন ধরণের প্রশিক্ষণ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বেতনে কাজ করা শিক্ষকের প্রাধান্য।
১১। প্রচলিত 'চক-ডাস্টার' শিক্ষা উপকরণ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
১২। বিদ্যালয়ে সাংবাৎসরিক নানা কর্মকান্ডের ভিড়ে সীমিত সংখ্যক ক্লাস কার্যক্রম।
১৩। পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্র! [ দুই মাস ক্লাস পন্ড]
১৪। অবৈজ্ঞানিক সিলেবাস!! শিক্ষার্থীর বয়স ও গ্রহণ ক্ষমতা বিবেচনায় না রেখে প্রচলিত বৃহৎ সিলেবাস।
১৫। ১৫-১৬ টি পাঠ্য বই। [সাথে সহপাঠ]
১৬। আরো নাম না জানা নানা সমস্যা।
এসবের বাইরে অপেশাদার মনোভাবের অশিক্ষক শিক্ষকের অনুপ্রবেশ, ক্লাসে পাঠদানে অবহেলা, ক্লাস টাইমের বাইরে পাঠদানের সুযোগ স্থলে নিজে খুব মেধাবী এবং চৌকশ শিক্ষক এরুপ সক্ষমতার প্রকাশ।
সব মিলিয়ে এ অবস্থার শিকার বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষার্থীরা কীভাবে শিক্ষা গ্রহণ করছে? আর কতটুকুই বা উপকৃত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা শিক্ষা বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাব্যক্তি বা সরকারের এ বিভাগের চৌকশ নজরদারীর প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।
"শিক্ষক-ছাত্র-অবিভাবক" এ ত্রয়ীর মিলনে কীভাবে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো বেশি বেশি লাভ ঘরে তুলতে পারে তার দিকে সংশ্লিষ্ট সকলের গভীর মনোযোগ দেয়া দরকার।
কিন্তু,
৩৫ মিনিটের ক্লাসে ১৫০ প্লাস ছাত্র ছাত্রীদের কোন পদ্ধতিতে পড়িয়ে খুব বেশী শিক্ষিত করে গড়ে তুলছি? আমার এ অবলা সন্তান কীভাবে কোন উপযুক্ত পরিবেশ পাচ্ছে এরকম ক্রাউডেড ক্লাস থেকে কেউ জানলে বলবেন?
নোটঃ বাংলাদেশে অধিকাংশ বিদ্যালয় গুলোতে এ চিত্র বিদ্যমান গুটিকয়েক বাদে।
সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসিয়ালরা ট্রাডিশনাল রুটিন চেক ছাড়া ভালোভাবে কোনরূপ তদারকি করছেন তা উপরের পয়েন্টগুলো থেকে সহজেই অনুমানযোগ্য।
এখন বিচার আপনারাই করুন।
নোটঃ ছবি ইন্টারনেট।
লেখাটি আমার ফেইসবুক পোস্ট থেকে নেয়া।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


