somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এলাকা ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প মডেল

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
স্বনির্ভর ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুর (স্বভাব)

প্রস্তাবনাঃ
" স্বভাব বদলান জীবন বদলে যাবে "
কুমিল্লায় অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) তাদের শুরুটা ছিল ক্ষুদ্র কৃষকদের সমবায় সমিতি। অন্যদিকে বগুড়ার ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (TMMS) হল ভিক্ষুকদের সমবায় সমিতি। বার্ড সম্পর্কে আমরা সকলে কমবেশি জানি। ইহা বর্তমানে দুইটি পৃথক একাডেমী হিসেবে কার্যক্রম পরিচালিত করে। যার একটি পল্লী উন্নয়ন একাডেমী আর অপরটি হল সমবায় একাডেমী। পাশাপাশি বার্ডে বিসিএস সহ বিভিন্ন ট্রেনিং ও গবেষণা করা হয়। ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (TMMS) এর রয়েছে মেডিকেল কলেজ-হাসপাতাল সহ অনেক প্রতিষ্ঠান। বার্ড এবং TMMS মত দেশে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে; যার মাধ্যমে দেশের অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, দারিদ্রতা দূর হয়েছে এবং সর্বোপরি দেশের উন্নতি হয়েছে।
পবিত্র কুরআন এবং হাদিসের অনেক জায়গায় মানুষের কল্যাণের জন্য ভালো কিছু করবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
‘‘তোমরা নামায কায়েম কর এবং যাকাত প্রদান করো"
(সূরা নূর-৫৬)
''তাদের (ধনীদের) সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।''
(সূরা যারিয়াত-১৯)
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ‘‘হে মু’আয! তুমি জানিয়ে দাও আল্লাহ তাদের সম্পদের উপর যাকাত ফরয করেছেন, যা ধনী ব্যক্তিদের থেকে নিয়ে দরিদ্র ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণ করা হবে’’(বুখারী, মুসলিম ও তিরমিযি)
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, উপরের হাত নিচের হাতের চাইতে উত্তম। (সহীহ বুখারী ১৪২৯)
আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে আমাদের ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুরে অসংখ্য সম্পদশালী ব্যক্তি রয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে আমাদের অনেকেরই রয়েছে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান। আমাদের মাঝে অনেকেই আছে দানশীল। অনেকেই আল্লাহ্‌ নির্দেশিত যাকাত প্রদান করেন। আপনাদের নিকট আমার আহবান প্রত্যেকের ব্যক্তিগত কাজের পাশাপাশি আমরা ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুরে ব্যানারে সম্মিলিত ভাবে কল্যাণকর কিছু উদ্যোগ গ্রহন করি। আমাদের প্রত্যেকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াস একদিন ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুরে মানুষের ভাগ্যের ব্যাপক পরিবর্তন আনতে পারে।

দেশের অনেক এলাকার তুলনায় আমাদের এলাকা সমতল, মাটি উর্বর, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। আমাদের এলাকার অনেক জমি ও পুকুর পতিত পড়ে আছে। আমাদের এলাকায় বর্তমানে বিদ্যুৎ আছে এবং খুব দ্রুত সব গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে। আমাদের এলাকার মানুষ তুলনামূলক ভাবে বেশি মেধাবী, শিক্ষিত এবং কর্মক্ষম। বগুড়ার ভিক্ষুকরা অথবা কুমিল্লার কৃষকরা যদি পারে তাহলে আমরা বরিশালের (ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুরের) মানুষ কেন পারবো না? এলাকার বেকার এবং অসহায় গড়িব মানুষের জন্য আমাদের ভালো কিছু করতে আমাদের বিবেক কি নাড়া দেয় না?

অবশ্যই আমরা পারবো।
আমরা গড়ব স্বনির্ভর ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুর (স্বভাব)।

লক্ষ্য-উদ্দেশ্যঃ
১. বেকারত্ব দূরীকরণ।
২. কৃষি ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন।
৩. কুটিরশিল্প স্থাপন।
৪. দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।
৫. দারিদ্রতা দূরীকরণ (অন্তত মৌলিক চাহিদা পুরন করা)।
৬. প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্রুত কাটিয়ে তোলা।
৭. চিকিৎসা ক্যামপেইন এবং অসহায় ব্যক্তির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
৮. শিক্ষার হার ১০০% উন্নীত করন।
৯. ধর্মীয় এবং নীতি-আদর্শ শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
১০. কৃষি, হস্তশিল্প, কুটিরশিল্প সহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনাতা এবং শিক্ষামূলক ট্রেনিং বা কর্মশালার আয়োজন করা।
১১. সকলের মাঝে যেকোনো বিবাদ দূরকরে ভালো সম্পর্ক স্থাপন করা।
১২. এতিম, অসহায়-বিধবা এবং প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা ও কর্ম সংস্থান এর ব্যবস্থার প্রতি অধিক গুরুত্ত প্রদান।
১৩. অসহায় বৃদ্ধদের পাশে দাঁড়ানো।
১৪. অলস, নৈতিক অধঃপতনকারী, নেশাগ্রস্থ, হতাশাগ্রস্থদের সঠিক পরামর্শ প্রদান এবং নেশা মুক্ত অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা।।

নীতিমালাঃ
আমাদের প্রতিষ্ঠানটি সমবায় সমিতি হলেও আমাদের কার্যক্রম হবে সামাজিক ব্যবসার আদলে। এটা পরিচালিত হবে ওয়াকফ, যাকাত, ট্রাস্ট, দান-সদকা এবং ডাঃ মোহাম্মদ ইউনুস এর সামাজিক ব্যবসা ইত্যাদির সমন্বিত মূলনীতির আলোকে (আমরা নিজেদের উপযোগী সতন্ত্র নীতিমালা করবো)। ব্যবসায়ের এক অংশ কল্যাণ তহবিলে জমা হবে আর বাকি অংশ বিনিয়োগকারী পাবেন। আবার তিনি না চাইলে তাঁর লাভের অংশ কল্যাণ তহবিলে দিতে পারেন অথবা পুনরায় বিনিয়োগ করতে পারবেন।
আমাদের প্রতিষ্ঠানটি সমবায়/NGO/লিমিটেডকোম্পানি/ ফাউন্ডেশন/ ট্রাস্ট/ওয়াকফ এর যেকোনো একটি বিষয়ের অধীনে নিবন্ধিত হতে পারে। এক্ষেত্রে গঠনতন্ত্র এবং যাবতীয় কার্যক্রম ঐ ভাবেই পরিচালিত হবে। তবে আমদের লক্ষ-উদ্দেশ্য অনুযায়ী কোন কোন ক্ষেত্রে আইন মেনে নিয়মের পরিবর্তন হতে পারে।
প্রতিষ্ঠানের সাধারন সদস্য হতে হলে অবশ্যয়ই তাঁকে বিনিয়োগকারী হতে হবে। বিনিয়োগের পরিমান এক সদস্য প্রতি ১০০০০-১০০০০০ (সর্বনিম্ন দশ হাজার টাকা থেকে সরবোচ্চ এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত। তবে ১ লক্ষ টাকা এর বেশি বিনিয়োগ করতে চাইলে পরিচালনা পরিষদ এর সম্মতি থাকতে হবে।
পরিচালনা পরিষদ এর সদস্য হতে হলে সর্বনিম্ন এক লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। পরিচালনা পরিষদের সদস্য বিগত ০৫ বছর কোন রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে পারবে না।
ব্যবসায়ের লাভের ৫-১০% কল্যাণ তহবিলে জমা হবে। এছাড়া যাকাত, দান-সদকা, ওয়াকফ ইত্যাদি খাত থেকে বিনিয়োগের টাকা কল্যাণ তহবিলে জমা হবে। আবার কেউ যদি তাঁর লাভের টাকা না নিতে চায় তবে সেই টাকা কল্যাণ তহবিলে জমা হবে।
প্রাথমিক দিকে আমরা কৃষির দিকে গুরুত্ব প্রদান করবো। কারন ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুর কৃষিতে স্বনির্ভর নয়। তাই স্বনির্ভর ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুর গড়ে তুলতে হলে প্রথমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। একসময় আমদের নিকট কৃষি কাজের সকল আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে। পরবর্তীতে আমরা কুটিরশিল্প, ব্যবসা সহ অন্যান্য বিষয়ে নজর প্রদান করবো। আমাদের প্রতিটা প্রকল্প পরিচালনা পরিষদ এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গৃহীত এবং বাস্তবায়িত হবে। তবে প্রকল্পের কর্মীদের পর্যাপ্ত যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকতে হবে। প্রয়োজনে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।(যুব উন্নয়ন, সমবায় মন্ত্রণালয়, SME ফউন্ডেশন সহ অনেক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আছে)।

সাধারন সদস্যঃ
১. সদস্য হতে আগ্রহী ব্যক্তিকে সর্বনিম্ন ১৫ (পনের)বছর বয়সের হতে হবে।
২. ব্যক্তিকে ভাষানচর/বিদ্যানন্দপুরের অধিবাসী হতে হবে (চেয়ারম্যান সনদ থাকতে হবে)।
৩. সর্বনিম্ন ১০০০০/- (দশ হাজার)টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।
৪. পরিচালনা পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন লাগবে।

পরিচালনা পরিষদ সদস্যঃ
১. সদস্য হতে আগ্রহী ব্যক্তির বয়স সর্বনিম্ন ২৫(পঁচিশ)বছর হতে হবে।
২. ব্যক্তিকে ভাষানচর/বিদ্যানন্দপুরের অধিবাসী হতে হবে।
৩. সর্বনিম্ন ১০০০০০/- (এক লক্ষ)টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।
৪. পরিচালনা পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমোদন লাগবে।
৫. বিগত ৫ (পাঁচ) বছর কোন রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ (ইউনিয়ন বা তাঁর উপরের দিকের সভাপতি, সম্পাদক ইত্যাদি)পদে না থাকা।
৬. প্রতিষ্ঠানকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া (মিটিং-এ উপস্থিত থাকা এবং দায়িত্ব প্রাপ্ত কাজ করা)।
৭. বিগত ১০ বছর জীবনে বড় ধরনের বড় ধরনের আর্থিক বা নৈতিক অপরাধ থেকে মুক্ত।

সদস্য বাতিলঃ
১. প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ভঙ্গ করা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা।
২. ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতিসাধন করা।
৩. বিনিয়োগের টাকা তুলে নেয়া।
৪. নৈতিক চরিত্রের অধঃপতন/নেশাগ্রস্থ হওয়া।
৬. ফৌজদারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত।
৭. প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের সাথে জমিজমা ব্যতীত অন্য কোন গুরতর বিবাদে জড়ানো।
৮. সদস্যের মৃত্যু ঘটা (এক্ষেত্রে পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে নমিনি সদস্য হতে পারবে)।
৯. কোন রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ (ইউনিয়ন বা তাঁর উপরের দিকের সভাপতি, সম্পাদক ইত্যাদি)পদে অধিষ্ঠিত হওয়া।
১০. অর্পিত দায়িত্ব পালনে ক্রমাগত অপারগতা স্বীকার করা।

আমাদের প্রস্তাবিত বাণিজ্যিক প্রকল্প সমুহঃ
ক) কৃষি ভিত্তিকঃ
a. গরু মোটা-তাজা করন (কোরবানির জন্য)।
b. দুগ্ধ খামার।
c. ছাগলের খামার।
d. দেশী মুরগির খামার।
e. লেয়ার মুরগীর খামার।
f. হাসের খামার।
g. কবুতর, কোয়েল, তিতি এবং টার্কি পাখির খামার।
h. মাছের খামার( দেশী জাত প্রাধান্য পাবে)।
i. শাঁক-সবজি চাষ(বিষ মুক্ত সবজি)।
j. ফলের বাগান।
k. মাশরুম, স্ত্র-বেরি, ড্রাগন ইত্যাদি চাষাবাদ।
l. নার্সারি স্থাপন।
m. কৃষি জমিতে সেচ প্রকল্প।

খ) কুটির শিল্পঃ
a. হাতে ভাজা মোটা মুড়ি।
b. নক্সি কাঁথা।
c. মহিলাদের নিয়ে শো-পিস সহ বিভিন্ন হস্ত শিল্প।

গ) ব্যবসাঃ
a. নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্য উৎপাদন।
b. মাছ এবং মুরগীর খাবার উৎপাদন।
c. কুটিরশিল্প স্থাপন।
d. সুপার সপ।
e. খাবারের হোটেল।

ঘ) মানব উন্নয়নঃ
a. বিদেশে জনশক্তি রফতানি।
b. স্টুডেন্ট ভিসায় বিদেশে পাঠানো।
c. কিন্ডারগার্টেন এবং গার্লস স্কুল স্থাপন।
d. কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ।
e. বিদেশ গমনের জন্য ভিভিন্ন ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা।

আমাদের প্রস্তাবিত সমাজ কল্যাণ প্রকল্প সমুহ
( যা কল্যাণ ফান্ডের টাকা থেকে ব্যয় হবে)
১. যাকাত ফান্ডের টাকা ইসলাম নির্দেশিত যাকাতের খাতে ব্যয় হবে।
২. এতিমখানা স্থাপন।
৩. ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প।
৪. মসজিদ ভিত্তিক মক্তবের ব্যয় বহন।
৫. বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন।
৬. লাইব্রেরী স্থাপন।
৭. গরীব মেধাবী স্টুডেন্ট কে বৃত্তি প্রদান।
৮. বেকার যুবকদের কৃষি এবং কারিগরি কাজের ট্রেনিং প্রদান।
৯. ওয়াজ-মাহফিলের আয়োজন।
১০. মাঝে মাঝে মসজিদে বাদ জুমা বিশেষ খাবারের আয়োজন।
১১. বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা এবং সচেতনতা মুলক প্রচারণা।
১২. ভাষানচর-বিদ্যানন্দপুরের কৃতি সন্তানদের সম্মাননা প্রদান।

ফান্ড সংগ্রহের খাত সমুহঃ
১. সদস্যদের বিনিয়োগ।
২. যাকাতের টাকা।
৩. দান-সদাকার টাকা।
৪. ওয়াকফ টাকা/সম্পদ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৩১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হাসিনা কে রাখলে এমনি হবে...দাদা, যতদিন পারেন রাখেন

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২



২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ছাড়ার পর শেখ হাসিনাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানটি ভারতের দিল্লির উপকণ্ঠে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে (Hindon Air... ...বাকিটুকু পড়ুন

খারাপটা কোথায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪


বিশ্বখাতায় নাম লিখিলাম পাগল
কবিতারা হেসেই মাঠে হয়ে যায় ছাগল;
ঘাস খাওয়া আনন্দটা অন্যরকম
তবু পাগল বলে কথা, পূর্ণিমায় যুগল;
আজ কাল হাঁটবাজারে হিংসাটা
কম মূ্ল্যেই বিক্রয় হচ্ছে! যোগোপযোগি
সময়টা পাগল ছাড়া চলেই না
লেখার খাতার দামটাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

আম্লিগ যদি আসে তাহলে ....... :(

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৬



বিএনপি। আপনারা ১৭ বছর ঘরে থাকতে পারেন নাই কিন্তু এখন যদি আবার আম্লিগ ফিরে আনেন তাহলে আপনারা তো দূরের কথা আপনার বাড়ির মাটিও থাকবে না। আপনার ঘর-দরজা থাকবেনা। শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরকাল কেন পাই না?

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫২

বিল গেটস এর নামে একটা কথা প্রচলতি আছে; জানি না কথাটা বিল বলেছে কি না, তবে আমার কাছে মাঝে মাঝে কথাটা সত্য মনে হয়। কথাটা এমনঃ আমি কোন কাজ করবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশের দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য একটি কাকতাড়ুয়া মডেল–২০২৬ নীতিপত্র প্রস্তাবনা দৃশ্যমান জবাবদিহি, নাগরিক নজরদারি ও AI প্রযুক্তিনির্ভর অনিয়ম প্রতিরোধ ব্যবস্থা

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৮


বাংলাদেশে দুর্নীতি ও অনিয়ম মোকাবিলায় প্রচলিত ব্যবস্থার একটি বড় অংশ হলো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরে তদন্ত ও শাস্তি।
কাকতাড়ুয়া মডেল–২০২৬-এর দর্শন হবে তার পাশাপাশি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×