somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানুষ সৃষ্টির রহস্য (লেখক মিম্মা সুলতানা মিতা)

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লেখকের কথা- বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম। মাঝে মাঝে হারিয়ে যায় কোনো এক অপার্থিব ভাবনায়। আস্টে পিষ্টে ঘিরে রাখে মহা সুমদ্র। আমি কি? কোথা থেকে এলাম? কোথায় যাবো? আর এই পৃথিবীতে কেন এই মানব বিচরন। কেন এত মারামারি, কাটাকাটি, খুন ছিনতাই, ধর্ষন, হত্যা, গোলোযোগ। কেন মানুষের ভিতর এত লোভ, লালসা, স্বার্থ, অহংকার, মিথ্যাচার, হিংসা? কিসের এই মেকি পথচলা? সব কিছু যেন এলোমেলো হয়ে যায় এই নিষ্টুর ভাবনা গুলো। প্রতিনিয়ত মানুষ পাপের দিকে ধাবিত। কিন্ত পাপ কি? জন্ম বড় হওয়া, বিয়ে, ছেলেমেয়ে, বার্ধক্য তারপর চলে যাওয়া, এইতো ছোট্ট একটা সময়। এই সময়টা আমরা এতটা হিংস্র হয়ে যায় কিছুদিনের জন্য বেচে থাকার তাগিদে। কিন্ত আমরা সবাই জানি চলে যেতে হবে একদিন, চিরস্থায়ী নয় এই বেচে থাকা বলি আমরা যে জীবনটাকে। যদি চলেই যেতে হয় তবে কেন এই হিংস্র পথ চলা? আমরা কি সুন্দর ভাবে আমাদের বিকাশ ঘটাতে পারিনা? আমরা কি মিলে মিশে জীবনটাকে সাজিয়ে নিতে পারিনা ছোট্ট সময়ে। মানুষ যেন কুকুর শেয়াল হয়ে গেছে। কে কার চেয়ে বড়, কাকে দাবিয়ে রাখা যাবে, কাকে ঠকিয়ে কত বড় হওয়া যায় এসব নিয়ে যেন পৃথিবী এক জঞ্জালে পরিনত হয়েছে। বিশ্বাস হারিয়ে গেছে কোনো অতলে, যার কোনো তল খুজে পাওয়া যাবেনা। অথচ মানুষ ইচ্ছে করলে পারতো পৃথিবীকে সু সোভিতভাবে তৈরী করে বসবাস করতে। কিন্ত তা কেন পারলোনা মানুষ? মানুষ কেন এত হিংস্র হলো? ভাবনা গুলো কুরে কুরে খায়।

ধর্ম এখন ব্যকডেটেড। ধর্মের কথা শুনলেই মানুষ যেন তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে। ধুর ধর্ম বলে কিছু আছে নাকি? আমি এই করলাম , আমি ওই করলাম আমি ই ধর্ম। মানুষ যত উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছে ততই যেন ধর্ম হয়ে যাচ্ছে ম্লান। বর্তমানে ধর্ম যেন একটা ব্যবসায় রুপ নিয়েছে। সব মিলিয়ে হারিয়ে যায় মানুষ সৃষ্টির রহস্যের মাঝে। আর তখনি মনে পড়ে একটা ধর্মের গল্প। আমাদের বাড়ির পাশে বিবিজানের মা। আমরা খালা বলেই ছোট্ট বেলা থেকে ডাকি। আমরা খুব রিজার্ভ পরিবারের মেয়ে। তাইই চার দেয়াল ই ছিল আমাদের একমাত্র বিচরন ভুমি। আর মাঝে মাঝে সুযোগ হতো বাড়ির পাশের পরশি খালার বাড়িতে যাওয়া। তখন উনি অনেক হাদিসের গল্প শোনাতেন। সেই শোনা গল্পের আদলেই আমি আমার গল্পটা লিখছি।

প্রথম অধ্যায়
মানুষ সৃষ্টির ইতিহাস বড়ই বিচিত্র। বর্তমান সভ্যতার গ্যাড়াকলে আজ ফিরে যায় সেই অতিতের রহস্যময় পৃথিবীর মায়াকাননে। তখন বিজ্ঞান ছিলনা। ছিলনা কোনো সভ্যতা। ছিলনা বর্তমান যুগের চমকপ্রদ ঐতিহ্য, ভার্চুয়াল জগত বা বিজ্ঞানের বৈপ্লবিক কর্মকান্ড। তাহলে কি ছিল? মানুষ কিভাবে আসলো এই পৃথিবীতে। কিভাবে প্রথম মানুষের পৃথিবীতে আগমন। সেই মুরগী আর ডিমের গল্প এর মতন। মুরগী আগে নাকি ডিম আগে। তেমনি মানুষ থেকে যদি মানুষ সৃষ্টি হয় তাহলে প্রথম মানুষ কিভাবে আসলো এই পৃথিবীতে? কেও কি ভেবে দেখেছে? আমি আজ ইসলামী দৃষ্টিতে সেই গল্প ই লিখবো।

মানব সৃষ্টির গল্প উত্থাপন করলে আমাদের ফিরতে হবে ধর্মের অন্তরালে। ধর্ম কি? ধর্ম হলো "বিশ্বাস" । মানুষ সৃষ্টির রহস্য কোনো বিজ্ঞানে লেখা নেই। নেই কোনো সভ্যতায়, নেই কোনো সামাজিক ইতিহাসে। মানুষ সৃষ্টির রহস্য একমাত্র উন্মোচন করে ধর্ম।

পৃথিবীতে নানাভেদে মানুষ বসবাস করছে। হিন্দু, খৃষ্টিয়ান, মুস্লিম, বৌদ্ধ, ইয়াহুদি, ইত্যাদি বিভিন্ন জাতিতে আজ বিভক্ত। আপনি সব ধর্মের মানুষের কাছে একটিবার জিজ্ঞাসা করুন তো পৃথিবীতে প্রথম মানুষ সৃস্টির ইতিহাস? সবাই একই গল্প বলবে, আর তা ধর্মগ্রন্থ এ রচিত। শুধু পার্থক্য পাওয়া যাবে ভিন্ন ভিন্ন যুক্তিতে, ভিন্ন ভিন্ন আদলে, ভিন্ন ভিন্ন নামে। কিন্ত সারাংশ সারমর্ম এক।

আমি আজ মুসলিম ধর্মে বর্নিত মানুষ সৃষ্টির রহস্য উন্মোচন করবো। যা ধর্মগ্রন্থের ই একটা অংশ। মুসলিম বিশ্বের একমাত্র সৃষ্টিকর্তা একজন। সৃষ্টিকর্তার কোনো আকার নেই, তিনি নিরাকার। তিনি সাত আসমান উপরে আরশে অবস্থান করছেন (কিন্ত আমার ধারনা তিনি কোনো সাত আসমান উপরে নয়, প্রতিটা মানুষের অন্তরে বিরাজমান)।সৃষ্টিকর্তাকে ১০০ নামে ডাকা হয় যার একটি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। বাংলাভাষায় এই নামটি ই বেশি প্রচলিত।

মানুষ সৃষ্টির রহস্য উন্মোচন করতে হলে শুরুতে জ্বিনদের কথা বলতে হবে। তারপর মানুষ সৃষ্টি।

জ্বিন জাতি
আল্লাহ একদা বললেন পৃথিবীতে জ্বিনজাতি সৃষ্টি হোক। আর তখন জ্বিন জাতি সৃষ্টি হয়ে গেল। আল্লাহতায়ালা জ্বিনেদের সৃষ্টি করেছিলেন আগুন দিয়ে। পৃথিবীতে জ্বিনেরা বসবাস করতে লাগলো। মানব জাতির মতন ই উথ্যান পতনের খেলায় জ্বিনেরা পৃথিবীতে বিচরন করতে লাগলো। তারপর পাপ পুণ্যের খেলায় পৃথিবীতে পাপের দাড়িপাল্লার দিকটা ভারি হয়ে নীচে নেমে গেল, আর তখন তা ধংসের প্রয়োজন হলো।

এইখানে বলে রাখা দরকার সাত আসমান উপরে আল্লাহ এর নির্দেশিত কিছু ভক্ত আছে যাদের আমরা মুসলিম ভাষায় বলি ফেরেশতা। (আমার বিশ্বাস এরাও মানব শরীরে বসবাস করে)। এরা নুরের সৃষ্টি। আমাদের মানুষের চোখ দিয়ে তাদের দেখার ক্ষমতা নেই। তবে অন্তরচক্ষু খুলে গেলে তাদের দেখা সম্ভব। যেমনভাবে নবীরাসুল পীর আওলিয়াগন দেখতে পেতেন। ফেরেশতাগণ সব সময় আল্লাহ এর হুকুম আদেশ, নিশেধ মানতে প্রস্তুত থাকেন। আর আল্লাহ এর জিকির আরাধনায় মগ্ন থাকেন সর্বক্ষন।

ফিরে আসি আগের কথায়। আল্লাহ জ্বিনদের পাপ পুণ্যের প্রতিদানে তাদের ধংস করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেরেশতাদের হুকুম দিলেন পৃথিবী হতে জ্বিনদের ধংস করে এসো। হুকুম পালনে ফেরেশতাগণ সকল ছোট্ট বড় জ্বিনদের মারতে লাগলেন। এভাবে সবাইকে মারতে মারতে তারা একটি শিশু জ্বিনকে দেখতে পেলেন।

অসম্ভব রুপের অধিকারি, মায়াবি শিশু জ্বিনকে দেখে ফেরেশতাগণ তাকে মারতে পারলোনা। ফেরেশতারা তখন শিশু জ্বিনকে জীবিত অবস্থায় আল্লাহ এর নিকট হাজির করে আল্লাহ এর নিকট প্রার্থনা করলেন যে এই অবুঝ নিষ্পাপ শিশুটিকে দয়া করে মেরে ফেলার হুকুম না দিয়ে আমাদের দিন আমরা একে লালন পালন করে আপনার দাসত্বে নিযুক্ত করবো। আমরা এই শিশুর মায়ার বাধনে পড়ে গেছি।

আল্লাহ ফেরেশতাদের প্রার্থনা মঞ্জুর করলেন এবং ফেরেশতাদের নিকটে শিশুটিকে রাখার অনুমতি দিলেন। অনুমতি পেয়ে ফেরেশতারা শিশু জ্বিনকে তাদের নিকটে নিয়ে গেলেন এবং তার নাম রাখলেন "আজাজিল"।

ফেরেশতাদের জিম্বায় শিশু আজাজিল বড় হতে লাগলো পরম আদর যত্ন স্নেহ মমতায়। ফেরেশতারা আজাজিলকে আল্লাহ এর আনুগত্য করা জিকির করা শেখাতে লাগলেন। তাকে সকল নিয়ম কানুন, আদেশ নিশেধ প্রার্থনা করা আল্লাহ এর আরাধনা করা সকল বিষয় শেখাতে লাগলেন। শিশু আজাজিল ছিল যেমন সুন্দর তেমন বুদ্ধিদীপ্ত।

আজাজিল যত বড় হতে লাগলো তত আল্লাহ এর প্রতি তার আরাধনা আর মেধার গুনে ফেরেশতাকুলে সকলের মধ্যমনি হয়ে উঠতে লাগলো। এমনকি আল্লাহ তার প্রতি সন্তষ্ট হয়ে প্রিয়পাত্র হিসেবে স্বিকৃতি দিলেন। আজাজিল বেশির ভাগ সময় আল্লাহ এর সেজদায় লিপ্ত থাকতেন। আর বাকি সময় ফেরেশতাদের সমস্যা শুনে সমাধান করে দিতেন। তার বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান আর আল্লাহ এর প্রতি তার সর্বাধিক আনুগত্য দেখে ফেরেশতারা তাকে সর্দার এর মর্যাদা দিলেন। জ্বিন আজাজিল হয়ে গেল ফেরেশতাদের সর্দার। সকলের সেরা আল্লাহ এর সর্বাধিক প্রিয়পাত্র। আল্লাহ আজাজিলকে ফেরেশতাদের সর্দার হিসেবে স্বিকৃতি দিলেন।

দিন যায়। মাস যায়। বছর যেয়ে কাল কাটতে থাকে এভাবে। একদিন এক ফেরেশতা আরশের গায়ে একটা লেখা দেখতে পায়। লেখাটি ছিল "ফেরেশতাকুলের একজন আল্লাহ এর অভিশপ্ত হবে" ফেরেশতাকুলে হৈচৈ পড়ে যায়। ভয়ে অস্থির হয়ে সবাই সর্দার আজাজিলের নিকট ছুটে আসে। আজাজিল ফেরেশতাকুলের এমন ভয় পাওয়া দেখে জানতে চাই কি হয়েছে? ফেরেশতারা আরশের গায়ে লেখাটা সর্দারকে জানায়। আর আকুতি করে যে তাদের যেন অভিশপ্ত হতে না হয়, আর তাদের সর্দার আজাজিল যদি আল্লাহ এর নিকট প্রার্থনা করে আল্লাহ অবশ্যই তার কথা শুনবেন। কারন আল্লাহ এর সবচেয়ে প্রিয়পাত্র হলো আজাজিল।

ফেরেশতাদের ভীতভূষন দেখে আজাজিল সেজদায় পড়লেন। এবং আল্লাহ এর নিকট মুক্তি চাইলেন সকল ফেরেশতাদের জন্য। কিন্তু নিজের জন্য মুক্তি চাইলেননা কারন তিনি ছিলেন ফেরেশতাদের সর্দার আল্লাহ এর প্রিয়পাত্র। তিনি নিজের এই অভিশপ্ত থেকে মুক্তি চাইতে ভুলে গেলেন বা প্রয়োজনবোধ করলেন না।
চলবে
মানুষ সৃষ্টির রহস্য



সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:৩৪
১১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ: ইসলামপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষ, নাকি রাজনৈতিক বাস্তববাদী?

লিখেছেন Sujon Mahmud, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৮

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত প্রশ্নগুলোর একটি হলো—তিনি কি সত্যিই ইসলামপন্থী ছিলেন, নাকি ইসলামকে মূলত রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×