somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুসলমানের দায়িত্ব কি?

২৩ শে মার্চ, ২০১৫ ভোর ৬:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ আমরা যারা মুসলমান বলে দাবি করি আমরা কি জানি যে আমাদের উপর কতবড় একটা দায়িত্ব রয়েছে?
আল কোরআনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন স্পষ্ট বলেছেন " ওহে মুসলিম যুবকেরা তোমরা সেই সকল লোকদের বিরুদ্ধে কেন কিতালের হুকুম বাস্তবায়ন কর না যাদের নির্যাতনে নির্যাতিত মুসলিম আবাল বৃদ্ধ বনিতা চিৎকার করে করে বলছেন হই আমাদের রব আমাদের এই যালিমের গ্রাম থেকে বের করে নাও যার অধিবাসীরা যালিম তুমি আমাদের সাহায্যের জন্য তোমার পক্ষ থেকে অলি এবং সাহায্য কারী পাঠাও।"
আজ মুসলমানরা ফিলিস্তিনে, কাশ্মীরে, ভারতে নির্যাতিত হয়ে চিৎকার করে করে সাহায্য চাচ্ছেন মুসলিম যুবকদের কানে কি ঢোকে না?
আপনারা কি ভুলে গিয়েছেন যে একজন মুসলিমের রক্তের কত দাম?
"আপনারা কি জানেন না যে হুদাইবিয়ার সন্ধির দিনে যখন মক্কার লোকজন ঘোষণা করে দিলো যে উসমান (রাঃ) কে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘোষণার সাথে সাথে আল্লার রাসুল (সঃ) গাছের নিচে বসে ১৪০০সাহাবির হাতে বায়াত গ্রহণ করলেন যে উসমানের রক্তের বদলা না নিয়ে কেউ ফিরে যাব না। হয় আজ মক্কা বিজয় হবে নাহলে মুহাম্মাদ (সঃ) সহ সবাই শাহাদাৎ বরন করবে।"
"আপনারা কি ভুলে গেছেন যে খলিফা হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সময়ে রোমের (ইটালি) রাজপ্রাসাদে একজন মুসলমানের মুখে একজন বিধর্মী একটা থাপ্পড় দিয়েছিল। ঐ মুসলমান ঐ খানে বসে চিৎকার করে বলে উঠলেন হে মুসলমানদের খলিফা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ আপনি কি করে সিংহাসনে বসে আছেন যখন একজন বিধর্মী মুসলমানের গালে থাপ্পড় দেয়। আপনি কেয়ামতে আল্লার কাছে জবাব দেবার জন্য তৈরি থাকেন। সৌভাগ্যক্রমে একজন মুসলমান গোয়েন্দা ঐ কথা শুনে হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কাছে ঘটনা বর্ণনা করলে খলিফা সাথে সাথে স্ব সৈন্যে রোম আক্রমণ করলেন ৪দিনের যুদ্ধের পর ঐ মুসলিম আর বিধর্মীকে নিয়ে আসলেন নিজের দরবারে। এসে বললেন হে মুসলমান আমি হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বলছি তুমি তোমার প্রতিশোধ গ্রহণ কর। মুসলিম ঐ লোকটিকে থাপ্পড় মারার পর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বললেন তোমাকে আমি মারতে পারি কিন্তু আমি মারব না তোমাকে আমি রোম রাজ প্রাসাদে পাঠায়ে দেব যাতে কাফিররা তোমাকে দেখে জানতে পারে যে মুসলমানের গায়ে হাত দিলে তার কোন ছাড় হয় না।"
এবার বলেন মুসলিম যুবকেরা আজ মুসলমান নির্যাতিত জনতার আর্তনাদ শুনে বসে থাকলে আপনি আমি কেয়ামতে কি জবাব দেব?
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×